খাস কলকাতায় স্কুল খুলতেই বিপত্তি! একই স্কুলের ১৬ পড়ুয়ার করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা, আক্রান্ত শিক্ষক

খাস কলকাতায় স্কুল খুলতেই বিপত্তি! একই স্কুলের ১৬ পড়ুয়ার করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা, আক্রান্ত শিক্ষক

কলকাতায় করোনা আক্রান্তের আশঙ্কা একই স্কুলের ১৬ পড়ুয়ার। প্রতীকী ছবি।

কলকাতাতে স্কুল খুলতেই এবার করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ল। দক্ষিণ কলকাতার কসবার চিত্তরঞ্জন হাই স্কুল এক শিক্ষকের করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা: কলকাতাতে স্কুল খুলতেই এবার করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ল। দক্ষিণ কলকাতার কসবার চিত্তরঞ্জন হাই স্কুল এক শিক্ষকের করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে। যার জেরে বৃহস্পতিবার থেকেই ওই স্কুলের ছুটির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই শিক্ষকের সংস্পর্শে আসা ১৬ পড়ুয়ার করোনা টেস্ট করা হয়েছে বৃহস্পতিবারই। যদিও তার রিপোর্ট এসে পৌঁছবে শুক্রবার সকালে। আপাতত ওই স্কুলে স্যানিটাইজেশনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

দফতর সূত্রে খবর, স্কুল যাতে আপাতত বন্ধ রাখা হয় পরবর্তী নির্দেশ না পর্যন্ত, তা ইতিমধ্যেই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন। আপাতত ওই ছাত্রদের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর। সেক্ষেত্রে ওই ছাত্রদের মধ্যে যদি কারো পজিটিভ রিপোর্ট আছে তাহলে আরও বেশ কিছু ছাত্রকে করোনা টেস্ট করা হবে। ইতিমধ্যেই এই মর্মে স্বাস্থ্য দফতরেরর সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ই ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যজুড়ে খুলেছে স্কুল। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত আপাতত স্কুল খোলা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে কীভাবে স্কুল খুলতে হবে, কত জন করে ছাত্র-ছাত্রী ক্লাসরুমে বসবে-সহ বিস্তারিত গাইডলাইন জারি করেছে স্কুল শিক্ষা দফতর। শুধু তাই নয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রধান শিক্ষকদের ভূমিকা কী হবে, স্কুল বিদ্যালয় পরিদর্শকদের ভূমিকা কী হবে, ক্লাস টিচারদের ভূমিকা কী হবে-সহ ২২ পাতার গাইডলাইন জারি করেছিল স্কুল শিক্ষা দপ্তর। গাইডলাইনে জেলা স্কুল বিদ্যালয় পরিদর্শকদের মাঝেমধ্যে স্কুল পরিদর্শনের কথা বলা হয়েছিল।

স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, রাজ্যে স্কুল খোলার পর এই প্রথম কোনও স্কুলে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে। যদিও ঘটনাটি স্কুল শিক্ষা ফফতরের আধিকারিকদের কাছে পৌঁছন মাত্রই তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নেওয়া হয় দফতরের তরফে। তবে স্কুলগুলিতে সঠিকভাবে তাপমাত্রা পরীক্ষা, মাস্ক পড়া হচ্ছে কিনা সেই বিষয় নিয়েও এ বার ফের নড়েচড়ে বসছেন তাঁরা। এ বিষয়ে জেলা স্কুল বিদ্যালয় পরিদর্শকদের আবারও কড়া নির্দেশ দেওয়ার সম্ভাবনা। তবে আপাতত কসবার ওই স্কুলের ছাত্রদের গতিবিধির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। শুক্রবার ওই ছাত্রদের রিপোর্ট এলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

SOMRAJ BANDOPADHYAY

Published by:Shubhagata Dey
First published: