• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • এবার ৪৫ বছরের উর্ধ্বে ভ্যাকসিনেশন শুরু, জেনে নিন খুঁটিনাটি!

এবার ৪৫ বছরের উর্ধ্বে ভ্যাকসিনেশন শুরু, জেনে নিন খুঁটিনাটি!

এবার ৪৫ বছরের উর্ধ্বে ভ্যাকসিনেশন শুরু, জেনে নিন খুঁটিনাটি!

এবার ৪৫ বছরের উর্ধ্বে ভ্যাকসিনেশন শুরু, জেনে নিন খুঁটিনাটি!

কী ভাবে করা যাবে ভ্যাকসিনেশনের রি-শিডিউল? যদি কোনও সমস্যা হয়, তাহলে অভিযোগ জানাবেন কী ভাবে?

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: দিন কয়েক আগেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এবার ৪৫ বছরের উর্ধ্বে সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে ১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে টিকাকরণ। কিন্তু কী ভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে? কী ভাবে করা যাবে ভ্যাকসিনেশনের রি-শিডিউল? যদি কোনও সমস্যা হয়, তাহলে অভিযোগ জানাবেন কী ভাবে? আসুন জেনে নেওয়া যাক সমস্ত বিষয়!

দ্বিতীয় ডোজের জন্য আট সপ্তাহের বেশি সময় নেওয়া উচিত নয়

প্রথম ডোজ নেওয়ার ছয় থেকে আট সপ্তাহের মধ্যেই ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে নিতে হবে। এ নিয়ে চিকিৎসক থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞ-সহ প্রতিটি স্বাস্থ্য সংস্থাই একমত। তবে দ্বিতীয় ডোজের জন্য আট সপ্তাহের বেশি সময় নেওয়া উচিত নয়। এতে ভ্যাকসিনের প্রভাব কমে যেতে পারে।

WWW.COWIN.GOV.IN-এ রি-শিডিউল

অনেকের ক্ষেত্রে আগে থেকেই দ্বিতীয় ডোজের জন্য সময় ও তারিখ ঠিক হয়ে যায়। তবে এ নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করে লাভ নেই। এক্ষেত্রে সুবিধা মতো খুব সহজেই দিন ও সময় পরিবর্তন করা যায়। প্রথমে www.cowin.gov.in-এ যেতে হবে। তারপর সেখান থেকেই ভ্যাকসিনেশনের রি-শিডিউল করা যাবে।

কোমর্বিটিজ

এক্ষেত্রে সবার জন্য খোলা রয়েছে রেজিস্ট্রেশনের দরজা। আলাদা করে কোমর্বিটিজকে কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ করে তুলতেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে কোমর্বিটিজ ক্লজ।

১ এপ্রিল থেকে রেজিস্ট্রেশন

৪৫ বছর এবং তার উর্ধ্বে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের রেজিস্ট্রেশনের জন্য তৈরি থাকতে হবে। CoWIN-এর অনলাইন পোর্টালে গিয়ে খুব সহজেই নিজের অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করে নিতে হবে।

ভয় পেয়ে লাভ নেই

বর্তমানে নানা বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়াতে পারে। অনেকে মনে করছেন, সবার ভ্যাকসিনেশন হতে হতে ভ্যাকসিনই শেষ হয়ে যাবে। ভ্যাকসিনের অভাব দেখা দিতে পারে। তবে, স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে এই বিষয়ে বার বার সুনিশ্চিত করা হচ্ছে। মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ভ্যাকসিন পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। এ নিয়ে অযথা আতঙ্কে থাকার কোনও কারণ নেই।

ভ্যাকসিনের পর কোভিড সার্টিফিকেট

ভ্যাকসিনেশনের উপরে ভিত্তি করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে একটি কোভিড সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে পোর্টাল থেকে অনলাইনে ডাউনলোড করে নেওয়া যেতে পারে সার্টিফিকেট। অনেক ক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতালে এই সার্টিফিকেটের জন্য ফি চাওয়া হয়। তবে সমস্ত ক্ষেত্রেই কোভিড সার্টিফিকেট নেওয়া বাধ্যতামূলক। যদি কোনও হাসপাতাল কোভিড সার্টিফিকেট দিতে অস্বীকার করে, তাহলে টোল ফ্রি নম্বর ১০৭৫-এ ফোন করে অভিযোগ জানানো যাবে।

অভিযোগ জানাতে ১০৭৫ নম্বরে যোগাযোগ

ভ্যাকসিনেশনের জন্য যদি কেউ CoWIN-এর মাধ্যমে অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেন, তাহলে আর আলাদা করে সরকারি হাসপাতাল বা অন্য কোথাও যাওয়ার দরকার নেই। এক্ষেত্রে যেখানে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা রয়েছে, সেই হাসপাতালেই সমস্ত ব্যবস্থা থাকবে। যদি সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কোনও নিয়ম না মানে বা ভ্যাকসিন দেওয়া নিয়ে কোনও সমস্যা হয়, তাহলে টোল ফ্রি নম্বর ১০৭৫-এ ফোন করে অভিযোগ জানানো যাবে।

Published by:Raima Chakraborty
First published: