corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে বিপন্ন গবেষণাগারের ইঁদুর,পতঙ্গ ! চিন্তায় বিজ্ঞানীরা

লকডাউনে বিপন্ন গবেষণাগারের ইঁদুর,পতঙ্গ ! চিন্তায় বিজ্ঞানীরা

রাজ্যে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্যে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই লকডাউনের জেরে ল্যাবরেটরিতে ব্যবহার করা ইঁদুর,পতঙ্গ-সহ অন্যান্য প্রাণীদের কীভাবে সংরক্ষিত রাখা সম্ভব, তা নিয়েই চিন্তিত রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির বিজ্ঞানীরা। বিশেষত বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে ইঁদুরকে কাজে লাগানো হয়। সেক্ষেত্রে তাদেরকে খাবার দেওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশকিছু মাপকাঠি মেনে চলতে হয় বিজ্ঞানীদের। তার জন্য নিয়মিত ল্যাবরেটরিতে আসার দরকার পড়ে বিজ্ঞানীদের। কিন্তু লকডাউন ঘোষণার পরপরই সে নিয়ে চিন্তায় পড়ে রাজ্যের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে বিজ্ঞানীরা আবেদন রাখলেন, যাতে অন্তত এক ঘণ্টার জন্য হলেও ল্যাবরেটরিতে যাওয়ার অনুমতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ । যদিও এখনও পর্যন্ত কোন অনুমতি পাননি বিজ্ঞানীরা।

দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, যেকোনও সময় করোনা ভাইরাসের থাবা মারাত্মক আকার নিতে পারে। কমবেশি প্রত্যেকটি রাজ্যে করোনাভাইরাস থাবা বসিয়েছে। বাদ যায়নি এ রাজ্য তথা শহর কলকাতাও। ক্রমশই বাড়ছে এরাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত রাজ্যের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছুটি ঘোষণা করেছেন। তবে ছুটি ঘোষণা করা হলেও ইতিমধ্যেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ রাজ্যের বেশ কয়েকটি কলেজের অধ্যাপকরা অনলাইনে ক্লাস নিতে শুরু করেছেন। একাধিক স্কুলেও অনলাইনে ক্লাস শুরু হয়েছে। পড়ুয়াদের মানসিক অবসাদ কাটানো এবং সিলেবাস শেষ করার উদ্দেশ্যেই অনলাইনে ক্লাস শুরু করেছেন অধ্যাপকরা। কিন্তু রাজ্যে ইতিমধ্যেই ৩১ মার্চ পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার জেরে বিভিন্ন সময়ের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে গবেষণার কাজে ব্যবহার করা পতঙ্গ ও প্রাণীদের অস্তিত্ব সংকটে সমস্যায় পড়েছেন বিজ্ঞানীরা। লকডাউনের মধ্যে কীভাবে তাদেরকে বাঁচানো সম্ভব, তা নিয়েই চিন্তিত কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী ও গবেষক পড়ুয়ারা। এ প্রসঙ্গে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক সুজয় ঘোষ বলেন, ' আমাদের বিভিন্ন সময়ে পতঙ্গ নিয়ে কাজ করতে হয় গবেষণার জন্য। তাই আমরা উপাচার্যের কাছে আবেদন রেখেছি, যাতে অন্তত প্রত্যেকদিন এক ঘণ্টা করে হলেও ল্যাবরেটরিগুলিতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।'
First published: March 24, 2020, 7:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर