• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • Lockdown: বউয়ের সঙ্গে দেখা করতে ৯দিন সাইকেল চালিয়ে দিল্লি থেকে হাজির জামাই, কিন্তু তারপর যে অভ্যর্থনা জুটল......

Lockdown: বউয়ের সঙ্গে দেখা করতে ৯দিন সাইকেল চালিয়ে দিল্লি থেকে হাজির জামাই, কিন্তু তারপর যে অভ্যর্থনা জুটল......

শ্বশুরবাড়িতে জামাইয়ে আসার ঘটনা সকালেবেলায় পাড়া প্রতিবেশীরা জানতে পারলে এলাকায় শোরগোল শুরু হয়ে যায়।

শ্বশুরবাড়িতে জামাইয়ে আসার ঘটনা সকালেবেলায় পাড়া প্রতিবেশীরা জানতে পারলে এলাকায় শোরগোল শুরু হয়ে যায়।

শ্বশুরবাড়িতে জামাইয়ে আসার ঘটনা সকালেবেলায় পাড়া প্রতিবেশীরা জানতে পারলে এলাকায় শোরগোল শুরু হয়ে যায়।

  • Share this:

#কাঁথি : ৯ দিন সাইকেল চালিয়ে দিল্লি থেকে রাতের বেলায় শ্বশুর বাড়িতে আসে জামাই। সকালে গ্রামবাসী সেখবর জানতে পেরেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি এক নম্বর ব্লকের করঞ্জি গ্রামের সুরেন্দ্রনাথ ভূঞ্যার বাড়িতে সোমবার রাতে আসে তাঁর জামাই। সাত বছর আগেই মেয়েকে দিল্লিতে বিয়ে দেন তিনি। দিল্লির বাসিন্দা পারভিন তিওয়ারির সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর মেয়ের। তাদের একটি পাঁচ বছরের কন্যা সন্তান আছে।

গত ছয় মাস আগে পারভিনের স্ত্রী ও মেয়ে দিল্লি থেকে বাপের বাড়ি কাঁথিতে চলে আসে। তারপর পারভিনের শ্বশুর বাড়িতে আসার কথা ছিল,  কিন্তু লকডাউনের জন্য চারিদিকে ট্রেন, গাড়ি সব বন্ধ থাকার কারণে সে বাধ্য হয়েই ৯ দিন  সাইকেল চালিয়ে গতকাল রাতে তার শ্বশুর বাড়িতে এসে পৌঁছায়। শ্বশুরবাড়িতে জামাইয়ে আসার ঘটনা সকালেবেলায় পাড়া প্রতিবেশীরা জানতে পারলে এলাকায় শোরগোল শুরু হয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রশাসন  হাজির হয়।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও গ্রামবাসীদের একটাই দাবি, জামাইকে গ্রাম থেকে আপাতত ১৪দিন চলে যেতে হবে। তারপরই পুলিশ  আধিকারিকরা দিল্লি থেকে আসা পরভীন তিওয়ারি কে  সরিয়ে নিয়ে যায় স্থানীয় নয়াপুট সাইক্লোন সেন্টারে। এখানে রাজ্য সরকার নির্দেশিত কোয়রান্টিন সেন্টার রয়েছে। তাই এখানে  রাখার চেষ্টা করে ব্লক প্রশাসনিক কর্মীরা। কিন্তু ঘটনা জানাজানি হতেই কোয়ারান্টিন সেন্টারের সামনে বিক্ষোভ দেখায় সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা।

বারবার এলাকার বাসিন্দাদের বোঝানোর চেষ্টা করে স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা। কিন্তু বহিরাগত যুবককে এলাকার কোয়রান্টিন সেন্টারে থাকতে দিতে রাজি হয়নি স্থানীয় লোকজন। পরে বাধ্য হয়ে  তাকে কয়েক কিলোমিটার দূরে সাবাজপুটে স্থানীয় একটি কোয়ারান্টিন সেন্টারে রাখার ব্যবস্থা করেছে  ব্লক প্রশাসনিক কর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ গিরি, সুজয় গিরিরা বলেন, এই এলাকায় অনেকেই ভিন্ রাজ্য থেকে এসেছে। কিন্তু তাদের এখন পর্যন্ত করোনার কোন উপসর্গ দেখা যায়নি,  তা সত্বেও ছেলেগুলো স্থানীয় একটি কোয়ারেন্টিনে  আছে । সেও ১৪ দিন বাইরে থেকে এখানে শ্বশুর বাড়িতে এলে আমাদের কোন আপত্তি নেই,  যেহেতু সে এলাকায় জামাই । কাঁথি এক নম্বর ব্লকের বিডিও লিপন তালুকদার বলেন,  ঘটনাটি ঘটেছে ঠিকই। তবে প্রশাসনের লোকজন গিয়ে   সঠিক জায়গায় পাড়ার ওই জামাইকে রাখা হয়েছে।

SUJIT BHOWMIK

Published by:Elina Datta
First published: