Covid Situation in Bengal: নজরে অক্সিজেন ও বাড়তি বেড, রাজ্যের জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রসচিব

জেলার হাসপাতালগুলিতে বেড বাড়ানোর নির্দেশ।

সূত্রের খবর, এই বৈঠকেই বেশ কয়েকটি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে জেলার হাসপাতালগুলির জন্য।

  • Share this:

#কলকাতা:  রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে  তৎপর প্রশাসন। আজ রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব এইচ কে দ্বিবেদী বেশ কয়েকটি জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, এই বৈঠকেই বেশ কয়েকটি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে জেলার হাসপাতালগুলির জন্য।

 নবান্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে,  হাসপাতালের বেড বাড়াতে হবে। আইসিইউ এর সংখ্যা বাড়াতে হবে। স্বরাষ্ট্রসচিব জেলাশাসকদের এদিন বলেন, অক্সিজেন সাপ্লাই ঠিকঠাক হচ্ছে নাকি আপনারা দেখুন।প্রয়োজনে অক্সিজেনের যোগান বাড়াতে হবে সেদিকে আপনারা নজর রাখুন। করোনায় মৃতদের দাহকার্য যাতে ঠিকঠাক হয় সেদিকেও নজর রাখতে বলা হয়েছে।

এদিন জেলাশাসকদের স্বরাষ্ট্রসচিব স্পষ্টই বলেন, পরিস্থিতি বিচার করে আরও সতর্ক হতে হবে করোনা নিয়ে। বিধিগুলি আরও কড়াভাবে যাতে মানা হয় সেদিকে নজর দিতে নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রসচিব।

মুখ্যমন্ত্রী নিজে জেলাগুলির পরিস্থিতিতে নজর রাখার জন্য কলকাতা ছেড়ে জেলাতেই রয়েছে। জেলাগুলিতে সংক্রমণের হার কমাতে রাজ্য প্রশাসনও তৎপর। আজ এই বৈঠকে জোর দেওয়া হয় মনিটরিংয়ে। স্বরাষ্ট্রসচিব বলেন,  সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলিতে প্রত্যেকদিনের ডেটা পাঠাতে হবে স্বাস্থ্য দফতরে। অর্থাৎ কত অক্সিজেন লাগছে, কত অক্সিজেন লাগবে, কত বেড হয়েছে, কত বিটের প্রয়োজন প্রত্যেক দিনের ডাটা পাঠাতে বলা হয়েছে জেলাশাসকদের করোনা।

প্রসঙ্গত এদিনই মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি ছয় সদস্যের একটি টাস্ক ফোর্স গড়ে তোলা হয়েছে। কোভিড পরিস্থিতি সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়ে পর্যালোচনা জন্য এই ছয় সদস্যের টাস্কফোর্স। এই টাস্কফোর্সকে সহযোগিতা করার জন্য একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ করা হয়েছে এদিন। বিশেষত এই টাস্কফোর্স কমিটি হাসপাতালগুলিতে ঠিকঠাক ভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে কিনা তা দেখবে। পাশাপাশি অক্সিজেন সরবরাহ থেকে শুরু করে যাবতীয় বিষয়ে নজরদারিও করবে এই ফোর্স।

প্রসঙ্গত  কেন্দ্রের স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণকে এ দিন একটি চিঠিও দেন মুখ্যসচিব। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই মুহূর্তে ২০০ মেট্রিক টন করে অক্সিজেন দেওয়া পাচ্ছে রাজ্য। কিন্তু চাহিদা বাড়ছে দ্রুত। লাগবে ৪৫০ মেট্রিক টন অক্সিজেন। এই অবস্থায় যেন রাজ্যের স্বাস্থ্যখাতের অক্সিজেন কোথাও না সরানো হয়।

Published by:Arka Deb
First published: