৫ রাজ্য মিলিয়ে করোনা টিকার ৫০০০ ডোজ নষ্টই হয়ে গেল!

৫ রাজ্য মিলিয়ে করোনা টিকার ৫০০০ ডোজ নষ্টই হয়ে গেল!
Almost 5000 Doses of Covid Vaccine Wasted in 5 States, Image Courtsey: REUTERS

৬ দিনের মধ্যে ১০ লক্ষ টীকাকরণ করে একদিকে যেমন ভারত বিশ্বরেকর্ড করেছে, তেমনই এই টিকার ডোজ নষ্ট করার খবরও পাওয়া গেল এবার৷ হিন্দুস্তান টাইমস-এর রিপোর্ট বলছে, ৫ রাজ্য মিলিয়ে করোনা টিকার ৫০০০ ডোজ নষ্টই হয়ে গেল!

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: বিশ্বের সবচেয়ে বড় টিকাকরণ কর্মসূচি চলছে ভারতে (The world's largest immunisation exercise against COVID-19)৷ গত ১৬ জানুয়ারি ভারতে প্রথম করোনা টিকা (Covid Vaccine) দেওয়ার মহাযজ্ঞ শুরু হয়৷ ৬ দিনের মধ্যে ১০ লক্ষ টীকাকরণ করে একদিকে যেমন ভারত বিশ্বরেকর্ড করেছে, তেমনই এই টিকার ডোজ নষ্ট করার খবরও পাওয়া গেল এবার৷ হিন্দুস্তান টাইমস-এর রিপোর্ট বলছে, ৫ রাজ্য মিলিয়ে করোনা টিকার ৫০০০ ডোজ নষ্টই হয়ে গেল!

    এই ৫০০০ ডোজের মধ্যে ত্রিপুরাতেই সর্বোচ্চ ১১ শতাংশ নষ্ট হয়েছে৷ নষ্ট হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণটাই হচ্ছে টিকা নিতে আসা লোকের অনুপস্থিতি৷ ভায়াল (শিশি) খোলার চার ঘণ্টার মধ্যে করোনার ডোজের ব্যবহার করে ফেলতে হয়৷ নাহলেই সেটা নষ্ট হয়ে যায়৷ পরিসংখ্যান বলছে, ১৬ জানুয়ারি থেকে প্রতি ১০০ জন নির্বাচিত টিকাগ্রাহকের মধ্যে থেকে মাত্র ৫৫ জনই এসেছেন টিকা নিতে৷ ৫ লক্ষ টিকার হিসাবে গড়ে ১০০ জনের মধ্যে ৪৯ জনের টিকাকরণ হয়েছে৷

    পঞ্জাবে ১২০০ ডোজ নষ্ট হয়েছে৷ সেই রাজ্যে করোনা মহামারীর নোডাল অফিসার ডাক্তার রাজেশ ভাস্কর এমনটাই জানিয়েছেন৷ বিহারের স্বাস্থ্য আধিকারিকরা বলেছেন ১০ শতাংশ ডোজ নষ্ট হয়েছে৷ দেখতে গেলে ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন বেশি নষ্ট হচ্ছে সিরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ডের তুলনায়৷ কারণ কোভ্যাক্সিনের শিশির আকার কোভ্যাক্সিনের থেকে বড়৷ পাটনার নালন্দা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (Nalanda Medical College Hospital, NMCH) গত সপ্তাহে প্রায় ২৫ শতাংশ ডোজ নষ্ট হয়েছিল৷ কিন্তু এখন নষ্ট তুলনামূলক ভাবে কম হচ্ছে৷


    বিহারে ৩০১টি সেশনের মধ্যে ২৯৫টি সেশনে কোভিশিল্ড দেওয়া হয়েছে৷ ওড়িশায় ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৪৮ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে৷ যার মধ্যে ১২১৫ (০.৫৮ শতাংশ) ডোজ নষ্ট হয়েছে৷ ঝাড়খণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু-কাশ্মীর, কেরল এবং ছত্তিশগড়ে কোনও টিকার ডোজ নষ্ট হয়নি৷

    Published by:Subhapam Saha
    First published:

    লেটেস্ট খবর