ফের রাজ্যে করোনা উপসর্গ! কেরল থেকে ফিরে জ্বর নিয়ে হাসপাতালে যুবক

কেরল থেকে শরীরে তাপ, শ্বাসকষ্ট নিয়ে কাকদ্বীপের বাড়িতে ফেরেন এক শ্রমিক। উপসর্গ দেখে চিকিৎসকরা কোনও ঝুঁকি না নিয়ে তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন ৷

কেরল থেকে শরীরে তাপ, শ্বাসকষ্ট নিয়ে কাকদ্বীপের বাড়িতে ফেরেন এক শ্রমিক। উপসর্গ দেখে চিকিৎসকরা কোনও ঝুঁকি না নিয়ে তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন ৷

  • Share this:
SHANKU SANTRA
#কাকদ্বীপ: করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে এক তরুণকে ভর্তি করা হল ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। মঙ্গলবার বিকেলে শম্ভু বিশ্বাস নামে ওই তরুণকে ভর্তি করা হয়েছে। শম্ভু কাকদ্বীপের স্টিমারঘাটের বাসিন্দা। কেরলে শ্রমিকের কাজ করতেন শম্ভু। গত দু’‌দিন আগে অসুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফেরেন। সোমবার জ্বর নিয়ে কাকদ্বীপ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। ওই হাসপাতালে এখনও পর্যন্ত আইসোলেশন ওয়ার্ড সম্পূর্ণ না হওয়ার জন্য, তাঁকে কাকদ্বীপ হাসপাতালে রাখতে ভরসা পাননি চিকিৎসকরা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর মধ্যে করোনার নানান উপসর্গ দেখা গিয়েছে।
করোনা আক্রান্ত শুনে প্রথমেই,শম্ভুর পরিবার প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায়। তাঁরা কোনওভাবে প্রথমে হাসপাতালে আসতে রাজি হননি। পরে থানা ও বিডিও-র হস্তক্ষেপে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে। প্রথমে শম্ভুকে কোনও অ্যাম্বুলেন্স নিতে চাইছিল না। অনেক অনুরোধের পরে একটি অ্যাম্বুলেন্স তাঁকে নিতে রাজি হয়। এই ঘটনায় শম্ভুর বাড়ির আশেপাশের লোকজনও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে করোনা দেশে খুব ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। যার ফলে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে খুব দ্রুত। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাসিন্দাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে আতঙ্কের কিছু নেই বলে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ, সাগর, পাথর প্রতিমা, নামখানা এই সব ব্লক এলাকার প্রচুর মানুষ শ্রমিকের কাজে দেশের বাইরে ও কেরল ও অন্যান্য রাজ্যে থাকে। অনেকেই কাজের শেষে কয়েক ইদানিং বাড়ি ফিরেছে।তাঁদের কোনওভাবে করোনা উপসর্গ আছে কিনা তা নিয়ে প্রত্যেকেই খুব চিন্তিত। তবে এই এলাকাগুলোতে দ্রুত আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। সরকারিভাবে, এই সব এলাকাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সেই ভাবে হয় না। বেশিরভাগ মানুষ হাতুড়ে ডাক্তারের ওপর নির্ভর করে থাকেন। যার ফলে মানুষের মধ্যে ভয় রয়েছে ।
গত এক মাস আগে থেকে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজে করোনার জন্য আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসা করা হবে শম্ভুর। এই ওয়ার্ডের জন্য অভিজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী থাকছে। শম্ভুর রক্তের নমুনা পুনেয় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।অযথা নভেল করোনা আতঙ্ক ছড়ালেও, এখনও কোনও নমুনা পাওয়া যায়নি ৷
Published by:Simli Raha
First published: