corona virus btn
corona virus btn
Loading

৩১ মে পর্যন্ত রাজ্যে বন্ধ সব আদালত, ভিডিও কনফারেন্সে চলবে জরুরি মামলার শুনানি

৩১ মে পর্যন্ত রাজ্যে বন্ধ সব আদালত, ভিডিও কনফারেন্সে চলবে জরুরি মামলার শুনানি
প্রতীকী চিত্র৷

অতি জরুরি শুনানির মামলা গ্রহণ করা হবে এই সময়কালে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই মামলাগুলির শুনানি হবে ।

  • Share this:

 #কলকাতা: ৩১ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে রাজ্যের সব আদালত। হাইকোর্ট,  জেলা আদালত,  মহকুমা আদালত, বিশেষ আদালত সহ রাজ্যের সব আদালতে লকডাউন পরিস্থিতি জারি থাকবে ৩১ মে পর্যন্ত। বুধবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানান হাইকোর্ট রেজিস্ট্রার জেনারেল রাই চট্টোপাধ্যায়।

১৭ মে শেষ হচ্ছে তৃতীয় দফার লকডাউন। চতুর্থ দফার লকডাউনও যে জারি হবে, মঙ্গলবারই সেই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ রাজ্যের রেড জোনগুলিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে আস্তে আস্তে জনজীবন স্বাভাবিক করার পথে এগোচ্ছে রাজ্য সরকার। যদিও রাজ্যের আদালতগুলিতে জরুরি পরিস্থিতি জারি থাকছে ৩১ মে পর্যন্ত। তবে অতি জরুরি শুনানির মামলা গ্রহণ করা হবে এই সময়কালে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই মামলাগুলির শুনানি হবে ।

১৫ মে বিশেষ শুনানি রয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। ওইদিন করোনা সংক্রান্ত একাধিক জনস্বার্থ মামলার শুনানি রয়েছে। এই মুহূর্তে কলকাতা হাইকোর্ট নিয়মিত জীবাণুমুক্তকরণ করা হচ্ছে । রাজ্যের অন্যান্য আদালতগুলিতেও জীবাণুমুক্তকরণের কাজ চলছে। সাবধানতা অবলম্বন করেই অতি জরুরি মামলাগুলি শুনানি হচ্ছে জেলা আদালতগুলি।

নোটবন্দি এবং জিএসটি চালুর পর কলকাতা হাইকোর্টে  দায়ের হওয়া মামলার সংখ্যা অনেক কমেছে। করোনা এবং লকডাউনের জেরে বড়সড় প্রভাব পড়েছে বিচারব্যবস্থায়। কোনও আইনজীবী নির্দিষ্ট করে তাঁর মক্কেলদের বলতে পারছেন না, মামলার শুনানি হবে কবে।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে আলিপুর আদালতের আইনজীবী গোবিন্দ পালের মৃত্যুতে এমনিতেই মন খারাপ আইনজীবী মহলের। এই অবস্থায় আরও দীর্ঘায়িত লকডাউন, ফলে আদালতের সঙ্গে পেশাগত ভাবে যুক্ত অনেকেরই  রসদে টান পড়া অবশ্যম্ভাবী।

আইনজীবী আশিস কুমার চৌধুরী ও শমীক চট্টোপাধ্যায় জানাচ্ছেন,   ' মার্চ মাস থেকে আদালতে যাওয়া বন্ধ। বন্ধ আয়। তবু চেম্বার সামলাতে ন্যূনতম ৩০০০০ থেকে ৫০০০০ টাকা খরচ হচ্ছে প্রতিমাসে।  ক্লার্ক ও অন্যান্য কর্মীদের বেতন দিতে হচ্ছে টানা ৩ মাস। পরিস্থিতি এরকম চলতে থাকলে এই সমস্ত বেতনও  দেওয়া সম্ভব হবে না।'

সবথেকে বিপদে পড়েছেন ক্লার্করা। প্রতিদিন চুক্তিতেকাজ করেন যাঁরা। ৫০ দিনের বেশি লকডাউনে যাঁদের আয় কার্যত শূন্য। জীবন ও জীবিকার নতুন মোড়ে এখন সেরেস্তাগুলি।

ARNAB HAZRA

Published by: Debamoy Ghosh
First published: May 14, 2020, 10:36 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर