corona virus btn
corona virus btn
Loading

সন্তান জন্ম দিয়েই করোনা আক্রান্ত ৩ প্রসূতি, কোয়ারেন্টাইনে কেপিসি-র ৪০ চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মী

সন্তান জন্ম দিয়েই করোনা আক্রান্ত ৩ প্রসূতি, কোয়ারেন্টাইনে কেপিসি-র ৪০ চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মী

যাদবপুর কেপিসি মেডিকেল কলেজের এই ঘটনায় ওই হাসপাতালের স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিভাগ এবং শিশু বিভাগের মোট ৪০ জন চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠান হয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতাঃ যাদবপুর কেপিসি মেডিকেল কলেজের স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিভাগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই চূড়ান্ত আতঙ্ক। হাসপাতালে স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিভাগে চিকিৎসাধীন তিন প্রসূতির এদিন করোনা রিপোর্ট পজেটিভ আসে। তাঁরা প্রত্যেকেই সন্তানসম্ভবা ছিলেন। সেই সময় কোনরকম উপসর্গ তাঁদের ছিল না। এদের প্রত্যেকেরই সিজার করে সন্তানের  জন্ম হয়। অস্ত্রোপচারের আগে  রুটিন চেকআপ করতে গিয়ে চিকিৎসকরা করোনা পরীক্ষা করেন। আর তারপরই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। দেখা যায়, তিন প্রসূতিই করোনা পজেটিভ। তবে তাঁদের সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হয়নি। প্রত্যেকেই সুস্থ স্বাভাবিক অবস্থায় সন্তানের জন্ম দেন। প্রত্যেকের সন্তানই সুস্থ আছেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

যাদবপুর কেপিসি মেডিকেল কলেজের এই ঘটনায় ওই হাসপাতালের স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিভাগ এবং শিশু বিভাগের মোট ৪০ জন চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠান হয়েছে। এই দুটি বিভাগকে আপাতত বন্ধ করে স্যানিটাইজ বা জীবানুমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত দুটি বিভাগে নতুন করে কোনও  রোগী ভর্তি নেওয়া হবে না। এই ঘটনায় হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিষেবা অনেকটাই বিপর্যস্ত। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, চিকিৎসাধীন রোগীদের কোনওরকম ভয় পাওয়ার কারণ নেই। সমস্ত রকম সুরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। কারোর চিকিৎসা পরিষেবায় বিন্দুমাত্র খামতি হবে না।

তবে কেপিসি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের পিপিই না থাকায় অনেকটাই সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি তিন প্রসূতি করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর যে ৪০ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠান হয়েছে, তাঁদের কাউকেই এখনও পর্যন্ত করোনা পরীক্ষা করানোর কোনওরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ। আরও তিন থেকে চারদিন করোনা পরীক্ষার জন্য  সময়  লাগবে বলে জানান হয়েছে।

অন্যদিকে, ওয়েস্টবেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা, মুখ্যসচিব প্রত্যেকের কাছেই লিখিত আকারে জানানো হয়েছে যে, চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মী যারা প্রতিনিয়ত হাসপাতালে জীবন বাজি রেখে কাজ করছে তাদের পর্যাপ্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে। যদিও ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের পক্ষ থেকে ডঃ কৌশিক চাকি জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত বহু জায়গাতেই চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা পর্যাপ্ত সুরক্ষা ছাড়াই কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে অনেকেই করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁর সংস্পর্শে আসা স্বাস্থ্যকর্মীদের  কোয়ারেন্টাইনে  পাঠান হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন হাসপাতাল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, না হয় বন্ধের মুখে দাঁড়িয়ে।

ABHIJIT CHANDA

Published by: Shubhagata Dey
First published: May 7, 2020, 5:42 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर