corona virus btn
corona virus btn
Loading

'অভিযোগ প্রমাণ করুন, না-হলে ক্ষমা চান', অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

'অভিযোগ প্রমাণ করুন, না-হলে ক্ষমা চান', অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের৷ PHOTO- FILE

অমিত শাহের এই চিঠি ঘিরে ফের একবার কেন্দ্র- রাজ্য সংঘাত তীব্র হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে শুরু করেছে তৃণমূল নেতৃত্বও৷

  • Share this:

#কলকাতা: পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানো নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে রাজ্যের অনীহা নিয়ে চিঠিতে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা প্রমাণ করার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ট্যুইটারে অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ করে অভিষেক লিখেছেন, 'হয় অভিযোগ প্রমাণ করুন, না হলে ক্ষমা চান৷'

এ দিন পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানো নিয়ে রাজ্যের দিকে আঙুল তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷ সেখানে অভিযোগ তোলা হয়েছে, ভিন রাজ্যে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে উদ্যোগী হচ্ছে না রাজ্য সরকার৷ পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে ট্রেনের জন্যও তারা আবেদন করছে না৷ পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানো নিয়ে রাজ্যের ভূমিকা যন্ত্রণাদায়ক বলেও চিঠিতে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷

এই চিঠি নিয়েই ট্যুইটারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ৷ অমিত শাহ মিথ্যে বলছেন বলে অভিযোগ করেছেন অভিষেক৷ এতদিন কেন তিনি নীরব ছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ৷

ট্যুইটারে অভিষেক লিখেছেন, 'একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যিনি সঙ্কটের সময়ে নিজের দায়িত্ব সামলাতে ব্যর্থ কয়েক সপ্তাহের নীরবতার পর মুখ খুললেন, শুধু একগুচ্ছ মিথ্যে বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য! মজার বিষয় হলো, তিনি যাঁদের কথা বলছেন, তাঁদের তাঁরই সরকার ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দিয়েছে৷ অমিত শাহ, আপনার মিথ্যে অভিযোগগুলি প্রমাণ করুন নাহলে ক্ষমা চান৷'

অমিত শাহের এই চিঠি ঘিরে ফের একবার কেন্দ্র- রাজ্য সংঘাত তীব্র হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে শুরু করেছে তৃণমূল নেতৃত্বও৷ ঘটনাচক্রে এ দিনই জানা গিয়েছে, বিভিন্ন রাজ্য থেকে আটটি ট্রেনে রাজ্যের তিরিশ হাজারেরও বেশি শ্রমিককে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার৷

 
Published by: Bangla Editor
First published: May 9, 2020, 3:13 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर