ঝড়ের গতিতে বাড়ছে সংক্রমণ! করোনার থাবা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে, আক্রান্ত রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট

ঝড়ের গতিতে বাড়ছে সংক্রমণ! করোনার থাবা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে, আক্রান্ত রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট

ফাইল ছবি

জরুরি ভিত্তিতে ১২ জুলাই পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা: এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে থাবা বসাল মারণ ভাইরাস। করোনা আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মী। সোমবার ওই কর্মীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তারপরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন পাঠন ছাড়া প্রশাসনিক কাজ শুরু হয়েছিল বেশ কয়েকটি বিভাগে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত কর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার শেষবারের জন্য ক্যাম্পাসে যান তিনি। সেই সময়ই অসুস্থ বোধ করেন। তারপরেই বাড়ি ফিরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠালে রিপোর্ট পজেটিভ আসে। যদিও এই কর্মীর করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসার পর বিশ্ববিদ্যালয় কতজনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠাবে, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারছে না।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্ত কর্মী রেজিস্ট্রার, ফিনান্স অফিসার-সহ একাধিক আধিকারিকের সংস্পর্শে গিয়েছিলেন গত কয়েকদিনে। তাই আপাতত জরুরি ভিত্তিতে ১২ জুলাই পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে রেজিস্ট্রারের তরফে।

এ প্রসঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু জানিয়েছেন, "আপাতত ১২ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ রাখা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়। সে ক্ষেত্রে যদি দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয় আরও কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, পরিস্থিতি বুঝে প্রশাসনিক কাজ বন্ধের সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে জরুরি পরিষেবা, তা স্বাভাবিক থাকবে।" এই বন্ধ থাকাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে সানিটাইজ করা হবে বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রার।

এ দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য কর্মীদের মধ্যে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট অরবিন্দ ভবনের অ্যানেক্স বিল্ডিং-এ কাজ করতেন। সোমবার এই কর্মীর রিপোর্ট পজিটিভ হওয়ার পর পরি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে।  কারা কারা ওই কর্মীর সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের টেস্ট করা যায় নাকি সে বিষয়েও তৎপরতা শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

SOMRAJ BANDOPADHYA

Published by:Shubhagata Dey
First published:

লেটেস্ট খবর