corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা আক্রান্ত বিআর সিং রেল হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসক, পিয়ারলেসে চিকিৎসাধীন

করোনা আক্রান্ত বিআর সিং রেল হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসক, পিয়ারলেসে চিকিৎসাধীন

জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত থাকায় অনেক রোগী, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীর সংস্পর্শে আসেন ওই চিকিৎসক। প্রত্যেকটা চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। আপাতত চিকিৎসক, নার্স স্বাস্থ্যকর্মী মিলিয়ে ১৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতাঃ চিকিৎসকদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যা রীতিমত চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে স্বাস্থ্যদফতরের কর্তাদের কপালে। একের পর এক সরকারি, বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিংহোম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে চিকিৎসকদের আক্রান্ত হওয়ার পর। সেই তালিকায় নবতম সংযোজন রেল হাসপাতাল।

শিয়ালদহ স্টেশনের পাশেই বিআর সিং রেল হাসপাতাল সেই হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত মহিলা মেডিকেল অফিসার তিনদিন আগে করোনা উপসর্গে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে ভিতরেই চিকিৎসকদের আবাসনে তিনি থাকেন। সোমবার তাঁর জ্বর আসে। শুরু হয় গলা ব্যথা। বাড়িতেই আলাদা ভাবে থাকতে শুরু করেন। এরপর তাঁর লালারসের নমুনা বেলেঘাটা নাইসেডে পাঠান হয়। সেই রিপোর্ট আসলে দেখা যায় করোনা পজিটিভ অর্থাৎ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ওই মহিলা চিকিৎসক।এরপরই হুলুস্থুল পড়ে যায় হাসপাতালে। কারণ জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত থাকায় অনেক রোগী, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীর সংস্পর্শে আসেন ওই চিকিৎসক। প্রত্যেকটা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে রেল কর্তৃপক্ষ। আপাতত চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মী মিলিয়ে মোট ১৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠান হয়েছে। এদের প্রত্যেকের লালারসে নমুনা পরীক্ষা করা হবে বলে জানান হয়েছে।

অন্যদিকে, করোনা আক্রান্ত ওই মহিলা চিকিৎসককে ইএম বাইপাসে সংলগ্ন পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকের পরিবারের সদস্যদেরও হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যে একের পর এক হাসপাতালগুলোতে যেভাবে চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন তা নিয়ে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিভিন্ন চিকিৎসক সংগঠনগুলি। ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম, অ্যাসোসিয়েশন অব হেলথ সার্ভিসেস, সার্ভিস ডক্টরস ফোরাম-সহ বিভিন্ন চিকিৎসক সংগঠন। অভিযোগ সরকার মুখে চিকিৎসকদের সুরক্ষার কথা বললেও বাস্তবে চিকিৎসকরা লড়াইয়ের ময়দানে অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে। ফলে অনেকে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন, যার প্রভাব পড়ছে সরাসরি রোগী পরিষেবায়। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বহু সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ, বেশ কয়েকটি নার্সিংহোম, বেসরকারি হাসপাতালের একাংশ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অবিলম্বে সরকার চিকিৎসকদের নিরাপত্তার দিকে আরও বেশি করে নজর দিক।

ABHIJIT CHANDA

First published: April 22, 2020, 3:19 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर