corona virus btn
corona virus btn
Loading

আশ্চর্য!‌ ৪৮ দিন আইসিইউ–তে থেকেও লড়াই করে সুস্থ কলকাতা পুলিশের অফিসার

আশ্চর্য!‌ ৪৮ দিন আইসিইউ–তে থেকেও লড়াই করে সুস্থ কলকাতা পুলিশের অফিসার
প্রতীকী ছবি

করোনা হলে ভয় না পেয়ে এর সঙ্গে লড়াই করার মানসিকতা রাখতে হবে। আর তার সঙ্গে মনের জোর এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অক্ষরে অক্ষরে পালন করা।

  • Share this:

#‌কলকাতা:‌ কলকাতা পুলিসের ইস্ট ডিভিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার, সল্টলেকের বাসিন্দা গত ১৬ জুন করোনা পজিটিভ হওয়ার পর ইএম বাইপাসের পাশে ডিসান হাসপাতালে ভর্তি হন। শ্বাসকষ্ট জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দিনই তাঁকে আইসিইউতে দিতে হয়। অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া, হাইপোথাইরয়েডের মত গুরুতর সমস্যা ছিল তাঁর। কিন্তু অকুতোভয় চিকিৎসকরা হাল ছাড়তে নারাজ ছিলেন। আর তার সঙ্গে ছিল রোগীর অসামান্য মনের জোর। টানা ৪৮ দিন আইসিইউতে থাকতে হয় পুলিশ অফিসারকে। তবে একদিনের জন্যেও ভেন্টিলেশনে দিতে হয়নি তাকে। চিকিৎসকদের গোটা টিম প্রাণপণ লড়াই চালান। বাই প্যাপ মেশিনের সাহায্যে উচ্চ মাপের অক্সিজেন দেওয়া হয়, সঙ্গে প্রয়োজনীয় ওষুধ। আর তাতেই মিরাকেল, দিন চারেক আগে আইসিইউ থেকে জেনারেল বেডে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে।

সোমবার দুপুরে ৫৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার সময়েও একই রকম মনের জোর রোগীর। করোনা হলে ভয় না পেয়ে এর সঙ্গে লড়াই করার মানসিকতা রাখতে হবে। আর তার সঙ্গে মনের জোর এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অক্ষরে অক্ষরে পালন করা। তবেই এই করোনা কে প্রতিহত করা যাবে। প্রত্যয়ী গলার স্বর পুলিশ অফিসারের। বাড়িতে গিয়ে কয়েকদিন বিশ্রাম তারপর আবার পুলিশের কাজে যোগ দেওয়া। কবে আবার কাজে যোগ দিতে পারবেন সে নিয়েই সময় গুনছেন তিনি। সোমবার দুপুর থেকেই এক অন্য ব্যতিক্রমী মেজাজে ছিল গোটা হাসপাতালে। ৫৩ দিন হাসপাতালে থাকা যার মধ্যে ৪৮ দিন আইসিওতে থাকা এক রোগীকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠানো এর মধ্যে ছিল এক যুদ্ধ জয়ের আনন্দ। ডিসান হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী থেকে হাসপাতালে ম্যানেজমেন্টের কর্মীরা প্রত্যেকে স্বাগত জানান সদ্য করোনা মুক্ত অফিসারকে ।ফুলের তোড়া হাততালি দিয়ে বিদায় সম্ভাষণ জানানো হয় করোনা যোদ্ধাকে। ডিসান হাসপাতালের পক্ষে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর তাপস মুখোপাধ্যায় জানান, ‘‌আজ সত্যিই খুব আনন্দের দিন। এতদিন ভর্তি থাকা একজন করোনা আক্রান্ত রোগীকে সুস্থ করে বাড়িতে পাঠানোর আনন্দটাই আলাদা। তবে চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা যে অসামান্য কাজ করলেন তার সত্যিই কোন জবাব নেই। মনের জোর থাকলে এই রোগকে হারানো অনেকটাই সহজ।’‌

ABHIJIT CHANDA

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: August 10, 2020, 5:53 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर