corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনেও টিউশন পড়তে যেতে হচ্ছে, ফোন করে পুলিশকে জানিয়ে দিল খুদে

লকডাউনেও টিউশন পড়তে যেতে হচ্ছে, ফোন করে পুলিশকে জানিয়ে দিল খুদে
শিক্ষিকার বাড়িতে পড়ুয়াকে নিয়ে পুলিশ৷ PHOTO- SOURCE

যখন ওই পুলিশকর্তা শিশুদের শিক্ষিকার নাম জিজ্ঞেস করেন, সঙ্গে সঙ্গে তারা তা বলে দেয়৷

  • Share this:
 

#পঞ্জাব: লকডাউন চলছে৷ করোনা সংক্রমণ রুখতে সবাইকেই গৃহবন্দি থাকতে বলা হচ্ছে৷ শিশুদেরও গৃহবন্দি থাকতে হচ্ছে৷ খুদে পড়ুয়াদের পড়াশোনার জন্যও ভরসা এখন অনলাইন ক্লাস৷ কিন্তু অনেক অভিভাবক এবং শিক্ষকরা রয়েছেন , যাঁরা কিছুতেই লকডাউনের গুরুত্ব বুঝছেন না৷

এরকমই একটি ঘটনায় পঞ্জাবের গুরুদাসপুর জেলায় এক শিক্ষক এবং পড়ুয়াদের অভিভাবককে হাতেনাতে ধরেছে পুলিশ৷ মজার বিষয় হলো, লকডাউনের মধ্যেও শিক্ষক পড়াচ্ছেন বলে এক শিশুই পুলিশকে ফোন করে দেয়৷

ঘটনাটি ঘটেছে গুপুদাসপুরের বটালা শহরে৷ সেখানকার থাথরি এলাকায় দুই শিশুকে টিউশন থেকে নিয়ে ফেরার পথে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন খোদ বটালার ডিএসপি৷ ওই ব্যক্তিদের রীতিমতো ধমক দেন ডিএসপি গুরদীপ সিং৷ তার আগে পুলিশকে ওই শিশুদের মধ্যেই একজন ফোন করে তাদের পড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছিল৷ এখানেই শেষ নয়, ডিএসপি যখন সেখানে পৌঁছন, তখন একটি শিশু তাদের শিক্ষিকার বাড়ির ঠিকানাও বলে দেয়৷ পরে সেখানে গিয়ে তাঁকেও ভর্ৎসনা করে পুলিশ৷ শনিবারের এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতেও ছড়িয়ে পড়ে৷

ওই শিশুদের আত্মীয়কে ধরে পুলিশের ডিএসপি বলেন, 'লকডাউনের সময় সবাইকে বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে আর আপনি বাচ্চাদের টিউশন পড়াতে পাঠাচ্ছেন? স্কুল তো এখন বন্ধ, তাহলে কেন ওদের পড়াতে পাঠাচ্ছেন?' ক্ষুব্ধ পুলিশ আধিকারিক আরও বলেন, 'আমরা করোনা ভাইরাসের জন্য সবাইকে বাড়ির থেকে বেরোতে নিষেধ করছি আর আপনারা বাচ্চাদের পড়াতে পাঠাচ্ছেন?'

যখন ওই পুলিশকর্তা শিশুদের শিক্ষিকার নাম জিজ্ঞেস করেন, সঙ্গে সঙ্গে তারা তা বলে দেয়৷ সঙ্গে থাকা ব্যক্তি তাদের থামানোর চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি৷ উল্টে শিক্ষিকার বাড়ির ঠিকানাও বল দেয় শিশু দু'টি৷ ওই পুলিশ আধিকারিককে তাঁর বাড়ি চিনিয়েও নিয়ে যায় তারা৷ শিক্ষিকাকে পুলিশকর্তা ধমক দিয়ে জানতে চান, 'শিশুদের পড়ানোর অনুমতি তাঁকে কে দিয়েছে?'

পরে ডিএসপি জানান, ওই শিশুদের সঙ্গে থাকা ব্যক্তি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, লকডাউনের মধ্যে আর ওই শিশুদের টিউশন পড়তে পাঠাবেন না৷ নিজের ভুলের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি৷

 
First published: April 27, 2020, 8:21 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर