corona virus btn
corona virus btn
Loading

কলকাতার মুকুটে নতুন পালক, মৃত্যুর মুখ থেকে ঘরে ফিরলেন দেশের প্রথম Ecmo সাপোর্টে থাকা করোনা আক্রান্ত তরুণী

কলকাতার মুকুটে নতুন পালক, মৃত্যুর মুখ থেকে ঘরে ফিরলেন দেশের প্রথম Ecmo সাপোর্টে থাকা করোনা আক্রান্ত তরুণী

Ecmo হল হার্ট ও ফুসফুসের মেশিন । পুরো কোথায় এক্সট্রা কর্পোরেল মেমব্রেন । অক্সিজেনের মাধ্যমে অতি সংকটজনক ব্যক্তিকে দীর্ঘদিন কৃত্রিম উপায়ে বাঁচিয়ে রাখা হয় ।

  • Share this:

#কলকাতা: কালীঘাটের বাসিন্দা । বয়স ২৪ বছরের কাছাকাছি । ১০ মে জ্বর আসে । তবে ১৪ মে জ্বর কমে যায় । কিন্তু আবার ১৬ মে প্রবল জ্বর আসে ও তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হয় । ১৭ মে আমরি ঢাকুরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তরুণীকে । তখন তাঁর শরীরে oxygen saturation লেভেল ৩৪% । সঙ্গে ছিল জ্বর আর তীব্র শ্বাসকষ্ট ।  চিকিৎসকরা করোনা পরীক্ষা করালে রিপোর্ট পজেটিভ আসে ।

চিকিৎসকরা কোনও ঝুঁকি না নিয়ে প্রথম থেকেই ভেন্টিলেটরে রেখেছিলেন তরুণীকে । তবে তার শারীরিক অবস্থা দ্রুত অবনতি হতে থাকে । একপ্রকার হাল ছেড়েই দেয় পরিবার পরিজন । তবে সহজে হাল ছাড়তে চায়নি হাসপাতালের কিছু অকুতোভয় চিকিৎসক । তাঁরাই চ্যালেঞ্জ নেন । ১৮ মে তরুণীকে Ecmo সাপোর্টে দেওয়া হয় । (Ecmo হল হার্ট ও ফুসফুসের মেশিন । পুরো কোথায় এক্সট্রা কর্পোরেল মেমব্রেন  অক্সিজেনেশন ।  অক্সিজেনের মাধ্যমে অতি সংকটজনক ব্যক্তিকে দীর্ঘদিন কৃত্রিম উপায়ে বাঁচিয়ে রাখা হয় ।) Ecmo-র সাহায্যে ধীরে ধীরে চিকিৎসায় সাড়া দিতে থাকেন তরুণী । ২৯ মে Ecmo সাপোর্ট থেকে বার করা হয় তরুণীকে । এরপর তরুণীকে  ভেন্টিলেশনে রাখা হয় । সেখান থেকে ৫ জুন তাঁকে জেনারেল বেডে স্থানান্তরিত করা হয় । এরপর শুধুই নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণ ।

সোমবার দুপুরে তরুণী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন । তরুণীর বাবা জানান, "অবিশ্বাস্য , বললেও কম বলা যায় । আমার মেয়ে যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে, তা আমরা কেউই ভাবিনি । চিকিৎসকরাই আমার মৃত মেয়েকে নতুন জীবন দিল । কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাঁদের ছোট করব না । হাসপাতালের প্রতিটি চিকিৎসক , নার্স , স্বাস্থ্যকর্মী যেভাবে আমার মেয়ের খেয়াল রেখেছে , তা আমাদের পরিবার সারা জীবন মনে রাখব ।"

এর আগে AIIMS দিল্লি ও চেন্নাইয়ের একটি বেসরকারী হাসপাতালের Ecmo সাপোর্টে করোনা আক্রান্ত দুজন রোগীকে রাখা হয় । কিন্তু দু'জনেই মারা যান । কলকাতাবাসী এই ২৪ বছর বয়সী তরুণীই দেশে প্রথম কোভিড রোগী , যিনি Ecmo সাপোর্ট থেকে বেরিয়ে এসে ৮ জুন সুস্থ হয়ে বাড়ি গেলেন । বেসরকারি হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিভাগের চিকিৎসক শাশ্বতী সিনহা জানান, "যে কোন রোগীকে বাঁচানোই আমাদের কর্তব্য । আর এই ধরনের রোগীকে মৃত্যুর দোরগোড়া থেকে ফিরিয়ে আনা আরও আনন্দের । আমাদের গোটা হাসপাতাল সর্বস্ব দিয়েছিল এই তরুণীকে সুস্থ করে তোলার জন্য । "

ABHIJIT CHANDA

Published by: Shubhagata Dey
First published: June 8, 2020, 11:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर