corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা আক্রান্তের পরিবারের থেকেও তোলাবাজি! মেডিক্যাল কলেজে হাতেনাতে ধরা পড়ল ঠিকা কর্মী

করোনা আক্রান্তের পরিবারের থেকেও তোলাবাজি! মেডিক্যাল কলেজে হাতেনাতে ধরা পড়ল ঠিকা কর্মী
এই খবর সংবাদমাধ্যমকে জানালে রোগীকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয় এই দালালদের পক্ষ থেকে।

অভিযোগ, করোনা আক্রান্ত রোগীর পরিবার রোগীকে খাবার পৌঁছানোর সময় ব্যাগের মধ্যে টাকা গুঁজে দিত। সেই খাবারের ব্যাগ সমেত এই চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে আটক করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে বউবাজার থানার পুলিশ।

  • Share this:

#কলকাতা: গত ৭ মে থেকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল করোনা হাসপাতাল হিসাবে চিহ্নিত হয়। বর্তমানে সেখানে ৬৬০টি বেড করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য নির্ধারিত হয়েছে। তবে প্রথম থেকেই করোনা আক্রান্ত রোগীদের পরিবার পরিজনদের অনেকেই অভিযোগ জানাচ্ছিলেন যে, বিভিন্ন কারণে তাদেঁর থেকে টাকা নিচ্ছে হাসপাতালের চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা। এমনকি খাস কলকাতার বুকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মরণাপন্ন করোনা আক্রান্ত রোগীর সিসিইউ বা ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট পাওয়ার জন্য ১২ হাজার টাকা চাইছে এই দালালরা, যারা আবার চুক্তিভিত্তিক কর্মীও বটে।

 এই খবর সংবাদমাধ্যমকে জানালে রোগীকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয় এই দালালদের পক্ষ থেকে। পরে ৬০০০ টাকায় রফা করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা কুলতলীর বাসিন্দা ওই বৃদ্ধাকে আইসিইউ তে ভর্তি করা হয়।

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মাঝে মধ্যেই আচমকা হানা দিচ্ছিল এই দালালদের ধরার জন্য। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মতে বহু ক্ষেত্রেই রোগীর পরিবার অভিযোগ করে না,ফলে ইচ্ছে থাকলেও কিছু করা যায় না।

মঙ্গলবার দুপুরে মেডিক্যাল কলেজের গ্রিন বিল্ডিং এ সাদা পোশাকে বউবাজার থানার পুলিশ হানা দেয়। সেখান থেকে হাতেনাতে পাকরাও করা হয় দমদমের বাসিন্দা অভিজিৎ পাখিরা নামে এক চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে।

অভিযোগ, করোনা আক্রান্ত রোগীর পরিবার রোগীকে খাবার পৌঁছানোর সময় ব্যাগের মধ্যে টাকা গুঁজে দিত। সেই খাবারের ব্যাগ সমেত এই চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে আটক করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে বউবাজার থানার পুলিশ।

কোন কোন চুক্তিভিত্তিক কর্মী এই ধরনের কাজে লিপ্ত আছে তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে আগামী দিনে আরও বেশি করে সারপ্রাইজ ভিজিট বা আচমকা হানা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে।

মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থায়ী কর্মীদের সুপারভাইজার জয়ন্ত দাস জানিয়েছেন, "করোনা হাসপাতাল হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পর থেকেই আক্রান্ত রোগীদের পরিবার থেকে বহু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। করোনা এর জন্য এই অতিমারীর সময় বহু চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করা হয় এদের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা পুলিশকে জানিয়েছি, যেন রোগীর আত্মীয় পরিজনদের কোনও হেনস্থা না হতে হয়, আমাদের কোনো স্থায়ী গ্রুপ ডি কর্মী ও যদি এই ধরনের কাজ করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।"

Published by: Arka Deb
First published: July 28, 2020, 4:33 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर