• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • কাজ খেয়েছে লকডাউন, ঘরে মেয়ে ক্যান্সার নিয়ে ধুঁকছে, তবু আশা, আলোর খোঁজ...

কাজ খেয়েছে লকডাউন, ঘরে মেয়ে ক্যান্সার নিয়ে ধুঁকছে, তবু আশা, আলোর খোঁজ...

মা ও মেয়ে, লড়াই ক্যান্সারের সঙ্গে।

মা ও মেয়ে, লড়াই ক্যান্সারের সঙ্গে।

মেয়ের চিকিৎসাও অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু হাতে টাকা নেই যে! কী ভাবে হবে চিকিৎসা?

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্তে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীনী অর্পিতা বসাক। বাড়ি শিলিগুড়ির পাঁচকেলগুড়ির সাউথ কলোনীতে। চিকিৎসা নিয়ে যকন মাথায় হাত গোটা পরিবারের, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন এলাকার রাজনৈতিক নেতারা।

অর্পিতার বাবা দেবাশিস বসাক এনজিপি স্টেশনে ছোটখাটো কাজ করতেন। কিন্তু ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি, নেই কোনও ভিড় ফলে লকডাউনের প্রথম দিন থেকে কর্মহীন। আর কাজ নেই বলে হাতে টাকাও নেই। অন্য় দিকে মা আলপানা বসাক পরিচারিকার কাজ করেন। যে বাড়িতে ভাড়া থাকেন, সেই বাড়িতেই রান্নার কাজ করেন তিনি।

তিন বোন অর্পিতারা। এমনিতেই সংসারে টানাটানি। তার মধ্যে মাস তিনেক হল অর্পিতার ক্যান্সার ধরা পড়েছে। কেমো নেওয়ায় শুরু হয়েছে। কিন্তু মেয়ের চিকিৎসার টাকা জোগাড় করা মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে রুজিতে টান পড়ায়।

মেয়ের চিকিৎসাও অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু হাতে টাকা নেই যে! কী ভাবে হবে চিকিৎসা? খবর পেয়ে আজ, রবিবার তাঁদের বাড়িতে যান ডাবগ্রাম, ফুলবাড়ি যুব কংগ্রেসের সদস্যরা। অর্পিতার পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়ে এলেন। চিকিৎসার ব্যবস্থার দায়িত্ব তুলে নেন সংগঠনের নেতা গৌতম গোস্বামী। সঙ্গে তার পড়াশোনার খরচও বহন করার দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি।

এর আগেও ওই এলাকার একাধিক দুঃস্থ ও অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। কখনও চিকিৎসার অর্থ তুলে দিয়েছেন। কখোনো বা পড়াশোনার দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন। অসহায়দের পাশে থেকেছেন সর্বদা। লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় থেকেছেন। গরিব, অসহায়দের হাতে তুলে দিয়েছেন রান্না করা খাবার থেকে রেশন সামগ্রী। আজ অর্পিতার বাড়িতে পৌঁছে একই বার্তা দিয়ে এলেন। ক্যান্সার চিকিৎসার সবরকম ব্যবস্থাই তারা করে দেবেন। প্রচুর টাকার প্রয়োজন। কিছুই ভেবে উঠতে পারছিলেন না আলপনাদেবীরা।

আজ চিন্তার ভাঁজ অনেকটাই নেমেছে কপাল থেকে। এদিকে মেয়ের ক্যান্সার আক্রান্তের খবর পেয়ে শহরেরই এক বাসিন্দা অর্পিতার বাবাকে একটি সংস্থায় নৈশ প্রহরীর কাজের সুযোগ করে দিয়েছেন। দিন তিনেক ধরে কাজে যোগ দিয়েছেন তিনিও। আলপনাদেবী জানান, এখন মেয়েকে সুস্থ করে তোলাই একমাত্র লক্ষ্য। যারা এগিয়ে এসছেন, তাদের কাছে আমরা চির কৃতজ্ঞ।

Published by:Arka Deb
First published: