corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা আক্রান্ত কমব্যাট ফোর্সের জওয়ান, স্যানিটাইজ হচ্ছে ব্যাটেলিয়ানের ব্যবহৃত অ্যাসল্ট-ইনসাস রাইফেল 

করোনা আক্রান্ত কমব্যাট ফোর্সের জওয়ান, স্যানিটাইজ হচ্ছে ব্যাটেলিয়ানের ব্যবহৃত অ্যাসল্ট-ইনসাস রাইফেল 
ফাইল ছবি

কমব্যাট ফোর্সের জওয়ানদের ডিউটি শুরুর সময়ে অস্ত্র ইস্যু করা এবং ব্যবহারের পরে তাঁদের থেকে অস্ত্র জমা নেওয়ার সময় দু'বারই ভাল করে স্যানিটাইজার দিয়ে স্যানিটাইজ করতে বলা হয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতাঃ থানা, ট্র্যাফিক গার্ডের পর এবার করোনা আক্রান্ত কলকাতা পুলিশের কমব্যাট ব্যাটেলিয়ানের জওয়ান । বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতা পুলিশের কমব্যাট ব্যাটেলিয়নের এক এএসআইয়ের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে । লালবাজার সূত্রে খবর, ওই জওয়ানের রিপোর্ট পজিটিভ আসতেই তাঁর সংস্পর্শে আসা প্রায় ১৫ জন জওয়ানকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমব্যাট ফোর্সের অফিসারেরা । পাশাপাশি ওই ব্যাটেলিয়ানের জওয়ানেরা যে অ্যাসল্ট রাইফেল ও ইনসাস রাইফেল ব্যবহার করতেন, সেগুলিকেও রোজ আরও ভালভাবে স্যানিটাইজ করতে বলা হয়েছে ।

কলকাতায় লকডাউন কঠোর করার জন্য কলকাতা পুলিশ এই কমব্যাট ব্যাটেলিয়ানকে বিভিন্ন কন্টেইনমেন্ট জোন, বাজার ও বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় মোতায়েন করেছে । এসব জায়গায় সাধারণ পুলিশের থেকে একজন কমব্যাট ব্যাটালিয়ানের জওয়ান অস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে তার ফল ভাল মেলে বলে মনে করে লালবাজার । তাই পুরুষ ছাড়াও কমব্যাট ব্যাটেলিয়নের মহিলা জওয়ানদেরও বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছে । লকডাউন অমান্যকারীদের দেখলে তাঁরা  যাতে কড়া হাতে ব্যবস্থা নিতে পারেন সেই স্বাধীনতাও রয়েছে এই জওয়ানদের । সেরকমই কোনও কন্টেইনমেন্ট জোনে বা স্পর্শকাতর এলাকাতে ডিউটি করতে গিয়েই এই এএসআই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে মনে করছে লালবাজার ।

এই মুহূর্তে কলকাতা পুলিশের কমব্যাট ব্যাটেলিয়ানে প্রায় ৭০০ জওয়ান রয়েছে । তারা প্রত্যেকেই মূলত অ্যাসল্ট রাইফেল ও ইনসাস রাইফেল নিয়ে ডিউটি করেন । সূত্রের খবর, এখন থেকে কমব্যাট ফোর্সের জওয়ানদের ডিউটি শুরুর সময়ে অস্ত্র ইস্যু করা এবং ব্যবহারের পরে তাঁদের থেকে অস্ত্র জমা নেওয়ার সময় দু'বারই ভাল করে স্যানিটাইজার দিয়ে স্যানিটাইজ করতে বলা হয়েছে।

কলকাতা পুলিশের এক পদস্থ কর্তা বলেন, "জওয়ানরা এই করোনা আবহে বাইরে ডিউটি করার জন্য আগেই তাঁদের ব্যারাকে থাকতে নিষেধ করা হয়েছে । এর ফলে কেউ করোনা আক্রান্ত হলে অন্য জওয়ানদের সংক্রমণের সম্ভাবনা কম । এক্ষেত্রে করোনা আক্রান্ত ওই জওয়ান বাড়ি থেকে যাতায়াত করছিলেন । পিটিএসের ব্যারাকে তিনি থাকতেন না । শুধুমাত্র ডিউটির জন্য অস্ত্র আনতে যেতেন আর জমা করতেন। রোটেশন পদ্ধতিতে যেহেতু তার কাছে বিভিন্ন সময় অস্ত্র গিয়েছে, তাই প্রত্যেক জওয়ানের ব্যবহৃত অস্ত্র ভালভাবে স্যানিটাইজ করতে বলা হয়েছে ।" তাঁর দাবি, কলকাতায় করোনা থাবা বসানোর পর থেকেই বাহিনীর প্রত্যেক জওয়ানের ব্যবহৃত অস্ত্র নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে ।

কলকাতা পুলিশ ট্রেনিং স্কুল বা পিটিএসের ভিতরেই কমব্যাট ব্যাটেলিয়নের অফিস ও ব্যারাক । এক জওয়ান করোনা আক্রান্ত হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে পিটিএসের অন্য পুলিশকর্মীদের মধ্যে । যদিও আগে থেকেই সতর্ক পিটিএস । সেখানে এখন বাইরের কারও ঢোকার ক্ষেত্রে যেমন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, পাশাপাশি পুলিশের কেউ যদি পিটিএসে ঢুকতে চান, তাঁকে গেটের বাইরে আগে ভাল করে হাত ধুতে হবে সাবান দিয়ে। তারপর দেহের তাপমাত্রা মাপার পরেই ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে । এই পদ্ধতি মেনেই কাজ চলছে পিটিএসে । তবে এক জওয়ান করোনা আক্রান্ত হওয়ায় আরও বেশি করে সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে ।

SUJOY PAL

Published by: Shubhagata Dey
First published: May 15, 2020, 6:30 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर