corona virus btn
corona virus btn
Loading

অবাক কাণ্ড! এই জেলায় ১০০ জনের মধ্যে ৮৪ জন করোনা রোগীই সম্পূর্ণ উপসর্গহীন

অবাক কাণ্ড! এই জেলায় ১০০ জনের মধ্যে ৮৪ জন করোনা রোগীই সম্পূর্ণ উপসর্গহীন

১০০ জনের মধ্যে ৮৪ জনই উপসর্গহীন হওয়ায় এই জেলায় করোনা আক্রান্তদের হদিশ পেতে প্রচুর সংখ্যায় পরীক্ষাই একমাত্র পথ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: অবাক কান্ড! পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্তদের বেশিরভাগই কোনও উপসর্গই নেই। জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট কিছুই নেই তাঁদের। দিব্যি হেঁটে চলে বাজার করছেন তাঁরা। আড্ডা চলছে চায়ের দোকানে। অথচ পরীক্ষা করলে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই জেলায় আক্রান্তদের ১০০ জনের মধ্যে ৮৪ জনেরই কোনও উপসর্গ নেই। এই পরিসংখ্যানে চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে পাওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, এই জেলায় এ দিন পর্যন্ত আক্রান্ত  ২০৮২ জন পুরুষ-মহিলার মধ্যে ১৮০৬ জনেরই কোনও উপসর্গ নেই। মাত্র ২৭৬ জনের দেহে করোনার উপসর্গ পাওয়া গিয়েছে। তার মধ্যে বেশিরভাগেরই মৃদু উপসর্গ ছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপসর্গ না থাকা রোগীদের নিয়েই চিন্তা সবচেয়ে বেশি। কারণ, তাঁরা নিঃশব্দে সংক্রমণ ছড়িয়ে গেলেও তা বোঝার কোনও উপায় থাকছে না। যখন তাঁদের দেহে সংক্রমণের উপস্থিতি ধরা পড়ছে ততদিনে তাঁরা অনেকের মধ্যেই সংক্রমণ ছড়িয়ে দিয়েছেন। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতীও জানান, এই জেলায় আক্রান্তদের মধ্যে ৮৪ শতাংশেরই দেহে কোনও রকম করোনার উপসর্গ পাওয়া যায়নি। গত চব্বিশ ঘন্টায় এই জেলায় ৪৯ জন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। তাঁদের মধ্যে ৪০ জনের দেহেই করোনার কোনও উপসর্গ ছিল না। মাত্র ন’জনের দেহে করোনার উপসর্গ পাওয়া গিয়েছে।

১০০ জনের মধ্যে ৮৪ জনই উপসর্গহীন হওয়ায় এই জেলায় করোনা আক্রান্তদের হদিশ পেতে প্রচুর সংখ্যায় পরীক্ষাই একমাত্র পথ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্ট হলে করোনা আশঙ্কায় অনেকেই নিজেদের উদ্যোগে পরীক্ষা করাচ্ছেন। সে ক্ষেত্রে তাঁদের চিহ্নিত করা অনেক সহজ হচ্ছে। কিন্তু বেশিরভাগ আক্রান্তের কোনওরকম উপসর্গ নেই। সুস্থ স্বাভাবিক রয়েছেন তাঁরা। তাই যতদিন না তাঁদের চিহ্নিত করা যাচ্ছে, ততদিনই তাঁরা সংক্রমণ ছড়িয়ে যাবেন। তাই তাঁদের অবিলম্বে পরীক্ষার মাধ্যমে চিহ্নিত না করা গেলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Published by: Simli Raha
First published: August 22, 2020, 11:10 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर