corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপ, উত্তর ২৪ পরগনার ৩ পুর এলাকায় ৭ দিন কঠোর লকডাউন

করোনা মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপ, উত্তর ২৪ পরগনার ৩ পুর এলাকায় ৭ দিন কঠোর লকডাউন
ফাইল ছবি

১৫ জুলাই থেকে ২২ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সব ধরনের দোকানপাট এবং স্থানীয় বাজার।

  • Share this:

#বারাসাত: আগামী সাতদিন বারাসাত পুরসভা এলাকায় আংশিক ও সময়ভিত্তিক  লকডাউনের সিদ্ধান্ত গৃহীত। দুপুর একটা'র পর থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত বারাসাত পুরসভা অঞ্চলে জরুরি পরিষেবা ব্যতীত সব দোকান-বাজার বন্ধ থাকবে। করোনা সংক্রমণ রুখতে হাবরা শহরে আট দিন ব্যবসা বন্ধ রাখার ডাক দিয়েছে। ১৫ জুলাই থেকে ২২ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সব ধরনের দোকানপাট।

একইভাবে অশোকনগরেও সংক্রমণ বাড়তে থাকায় বুধবার বেলা ১১টা থেকে শহরের প্রতিটি বাজার, সারা শহরে ছড়িয়ে থাকা সব দোকান, এমনকি পাড়ার দোকানও সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অশোকনগর-কল্যানগড় পুরসভা।  ছাড় দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র ওষুধ এবং দুধের দোকানের ক্ষেত্রে। একই ধরনের সিদ্ধান্ত হয়েছে মধ্যমগ্রাম পুর এলাকাতেও। সেখানে ও বৃহস্পতিবার থেকে আংশিক সময়ের লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পৌর প্রশাসক ও ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিরা।

মঙ্গলবার বারাসাত পৌরসভায়  সর্বদলীয় বৈঠকে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় । বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর'স নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে করোনা মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সর্বদলীয় বৈঠকে সেই সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। সিদ্ধান্ত হয়, সকাল সাত'টা থেকে একটা পর্যন্ত খোলা থাকাবে বাজার। তবে, বন্ধ থাকবে চা'য়ের দোকান। তবে হাবরা বয়া অশোকনগরে ২২ জুলাই পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে দোকান-বাজার।

বারাসাত শহরে চালু করা হবে কোভিড হাসপাতাল। শহরের মানুষের কথা ভেবে তৈরি করা হবে সেফহোম। বারাসাত পুরসভা অঞ্চলে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য নার্সিংহোম থাকার উপযোগিতা বিচার করে সে বিষয়ে সর্বদল সার্বিক ভাবে সহমতে এসেছে বলে জানান বারাসাত পৌরসভার বোর্ড অফ অ্যাডমিনস্ট্রেটরের কার্যনির্বাহী প্রশাসক অশনি মুখোপাধ্যায়।

উল্লেখ্য, বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রশাসক সুনীল মুখোপাধ্যায় ও অপর এক কাউন্সিলর হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। শহরের বস্তি ও একটি মাত্র শৌচাগার বিশিষ্ট বাড়ি ও ফ্ল্যাটের সদস্যদের একজন করোনায় সংক্রমিত হলে পরিবারের অন্যদের মধ্যে সংক্রমণের আশঙ্কা বহুগুন বেড়ে যায়। সেই ধরনের সংক্রমণ আটকাইতে পুরসভার সর্বদলীয় বৈঠকে 'সেফ হোম'-এর পরিকল্পনা। শহরে একটি শৌচাগার বিশিষ্ট পরিবাবের কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে তাঁদের এই সেফ হোমে নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন কার্যনির্বাহী পৌর প্রশাসক অশনি মুখোপাধ্যায়।

এই দিনের সর্বদলীয় বৈঠকে অংশ গ্রহনকারী ফরোয়ার্ড ব্লক নেতা সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় জানান, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে বারাসাতের বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনকে কীভাবে কোভিড হাসপাতাল পরিণত করা যায়, তা নিয়ে পুরসভা উদ্যোগ নেবে।

RAJARSHI ROY

Published by: Shubhagata Dey
First published: July 15, 2020, 4:48 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर