corona virus btn
corona virus btn
Loading

গোষ্ঠী সংক্রমণ ঠেকাতে রাজ্যের সংশোধনাগারে 'করোনা' মুক্তি ৩০৭৮ বন্দীর

গোষ্ঠী সংক্রমণ ঠেকাতে রাজ্যের সংশোধনাগারে 'করোনা' মুক্তি ৩০৭৮ বন্দীর

করোনাভাইরাস গোষ্ঠী সংক্রমণের ভয়ে তটস্থ তামাম বিশ্ব। সেই তালিকায় বাদ নেই আমাদের দেশও।

  • Share this:

#কলকাতা: গোষ্ঠী সংক্রমণ ঠেকাতে রাজ্যের সংশোধনাগারে 'করোনা' মুক্তি ৩০৭৮ বন্দীর। করোনা'য় জেল মুক্তির আন্দোলন থেকে হুলস্থুল পড়ে যায় দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে। কয়েকজন বন্দির মৃত্যু হয়। অগ্নি সংযোগের ঘটনাও ঘটে। দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের ৮৯ জন বিচারাধীন বন্দীকে জেলের ভিড় কমাতে করোনা মুক্তির সিদ্ধান্ত। এছাড়া প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে ১৬৮, হাওড়া সংশোধনাগারে ৭৯, জলপাইগুড়ি ১৪৮, বর্ধমান ৫৯,  মালদা ১৪০ এবং আলিপুর মহিলা সংশোধনাগারের ১৪ বিচারাধীন বন্দীকে করোনার জেরে অন্তর্বর্তী জামিনের সিদ্ধান্ত।

বিভিন্ন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ১০১৮ বন্দিকে তিন মাসের জন্য প্যারোলে মুক্তির সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত রাজ্যের বিশেষ কমিটি। পাশাপাশি অপরাধের খাতায় নাম লেখানো ২০৬০ বিচারাধীন বন্দীকে তিন মাসের জন্য অন্তর্বর্তী জামিনের নির্দেশ বিশেষ কমিটির।

করোনাভাইরাস গোষ্ঠী সংক্রমণের ভয়ে তটস্থ তামাম বিশ্ব। সেই তালিকায় বাদ নেই আমাদের দেশও। একদিনের প্রতীকী জনতা কার্ফুর পর টানা ২১ দিনের জন্য দেশ লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার। গোষ্ঠী সংক্রমনের তীব্র ভয় দেশের সংশোধনাগার গুলিতেও । সুপ্রিম কোর্ট তাই দেশের সংশোধনাগারগুলির ভিড় কমাতে সংশ্লিষ্ট রাজ্য গুলোকে পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দেয়। শীর্ষ আদালতের এমন পর্যবেক্ষণের পর ১৯ মার্চ রাজ্যের এ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখেন। সেই মোতাবেক প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বিশেষ কমিটি করে দেয়। এই বিশেষ কমিটিতে রয়েছেন রাজ্য লিগ্যাল সার্ভিস অথরিটি চেয়ারম্যান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত, রাজ্যের কারা বিভাগের অধিকর্তা এবং স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান সচিব।

২৭ মার্চ বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় বিশেষ কমিটি। আর তাতেই তিন হাজারের বেশি বন্দিকে ছাড়ার সুপারিশ। রাজ্যের সংশোধনাগার গুলিতে এই মুহূর্তে সাড়ে ২৬ হাজার বন্দী রয়েছে। করোনা সংক্রমণ আটকাতে  সংশোধনাগার গুলির ভিড় কমাতেই এই সিদ্ধান্ত। ৬ এপ্রিল ফের বৈঠকে বসবে বিশেষ কমিটি। তাতে রাজ্যের সংশোধনাগার গুলির ভিড়ের চাপ কমানোর জন্য আরো এক দফা সিদ্ধান্ত হতে পারে। শুক্রবার সিদ্ধান্ত হলেও শনিবার পর্যন্ত জরুরী কাগজপত্র তৈরিতে সময় লেগে যায়। সেক্ষেত্রে সোমবার থেকে বন্দিরা হয়তো করোনা মুক্তি পাবেন। সূত্রের খবর, এমন সিদ্ধান্তের পেছনে বেশ কয়েকটি প্যারামিটার ঠিক করে বিশেষ কমিটি। প্রথমবার অপরাধের অভিজ্ঞতা থাকা বন্দীদের মুক্তির তালিকায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পকসো, ধর্ষণ, খুন এমন অপরাধে হাত পাকানো বন্দীদের মুক্তিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়নি।

Arnab Hazra

First published: March 29, 2020, 1:40 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर