Home /News /coronavirus-latest-news /
হু হু করে কমছে যাত্রী! করোনার জেরে প্রতিদিন ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষতি রেলওয়ের মালদহ ডিভিশনে!

হু হু করে কমছে যাত্রী! করোনার জেরে প্রতিদিন ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষতি রেলওয়ের মালদহ ডিভিশনে!

করোনা লকডাউনে থেমে রেলের চাকা। পণ্যবাহী ও জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব ট্রেন বন্ধ। তবে করোনা যুদ্ধে যে কোনও পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকছেন ভারতীয় রেল। ইতিধ্যেই রেলের কিছু কোচে আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরির কাজ চলছে। একইসঙ্গে লকডাউনে মানবিক উদ্যোগে ঝাঁপিয়েছে রেলরক্ষী বাহিনী।

করোনা লকডাউনে থেমে রেলের চাকা। পণ্যবাহী ও জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব ট্রেন বন্ধ। তবে করোনা যুদ্ধে যে কোনও পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকছেন ভারতীয় রেল। ইতিধ্যেই রেলের কিছু কোচে আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরির কাজ চলছে। একইসঙ্গে লকডাউনে মানবিক উদ্যোগে ঝাঁপিয়েছে রেলরক্ষী বাহিনী।

প্রচুর যাত্রী টিকিট বাতিল করাতেও আর্থিক লোকসানের মাত্রা বাড়ছে রেলের।

  • Share this:

#মালদহ: করোনার জেরে প্রতিদিন ৩০ লক্ষ টাকা লোকসান রেলওয়ের মালদহ ডিভিশনে। করোনার আতঙ্কে টিকিট বাতিলের হিড়িক দেখা দিয়েছে। সমস্ত ট্রেনেই ব্যাপক ভাবে কমছে যাত্রীসংখ্যা। গত কয়েক দিনেই মালদহ ডিভিশনে অন্তত ২৫ শতাংশ যাত্রী কমেছে।

আগামী দিনে আরও বিপুল লোকসানের সম্ভবনা।  করোনার জেরে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ট্রেন চলাচল। ভিড় এড়াতে এবং আতঙ্কের কারণে দেদার বাতিল হচ্ছে ট্রেনের টিকিট। গত কয়েক দিনে ধস নেমেছে যাত্রী সংখ্যায়। এমন ঘটনা নজিরবিহীন। গত তিনদিন ধরে প্রতিদিন লোকসান খতিয়ে দেখছেন মালদহ ডিভিশনের রেল কর্তারা। আর তাতেই উঠে এসেছে  চাঞ্চল্যকর তথ্য। রেল কর্তৃপক্ষের হিসেব অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে শুধু মালদহ ডিভিশনে দৈনিক লোকসান ছুঁয়েছে ৩০ লক্ষ টাকা।

তথ্য বলছে---(১) রেলের মালদহ ডিভিশনে মোট স্টেশন সংখ্যা ১০২ টি। (২) রেলের মালদা ডিভিশনে রয়েছে ১১০ টি প্যাসেঞ্জার ট্রেন। এছাড়া আরও ৮৪ টি মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেন। (৩) মালদহ ডিভিশনে দৈনিক টিকিট বিক্রি বাবদ আয় হয় এক থেকে দেড় কোটি টাকা। কিন্তু, গত কয়েকদিনে ২৫ শতাংশের বেশী যাত্রী কমে গিয়েছে। সবচেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতির মুখে মালদহ টাউন, ফরাক্কা, ভাগলপুর, জামালপুর এবং সাহেবগঞ্জ স্টেশন। একদিকে কমছে নতুন করে টিকিট বিক্রি। আবার অন্যদিকে, প্রচুর যাত্রী টিকিট বাতিল করাতেও আর্থিক লোকসানের মাত্রা বাড়ছে রেলের।

আগামী কয়েকদিন পরিস্থিতি কি হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা  বাড়ছে রেলের অন্দরে।     রেলের লোকসানের পাশাপাশি করোনার জেরে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন সাধারন যাত্রীরাও। কারন, বর্তমানে রেল টিকিটে ক্যানসেলেশন চার্জ যথেষ্টই বেশি। সাধারণ ভাবে এসি দ্বিতীয় শ্রেণীর প্রতি আসনের বাতিল করার চার্জ নূন্যতম ২১০ টাকা। এ,সি তৃতীয় শ্রেণীর প্রতি আসনের জন্য নূন্যতম ১৯০ টাকা। আর  সাধারন স্লিপার ক্লাসের জন্য জন পিছু ১২০ টাকা। ফলে টিকিট বাতিল করতে গিয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারন যাত্রীদেরও।

Sebak Deb Sharma

Published by:Siddhartha Sarkar
First published:

Tags: Coronavirus, Malda

পরবর্তী খবর