corona virus btn
corona virus btn
Loading

খাস কলকাতায় ২১ মাসের শিশুর শরীরে করোনার করাল থাবা, কোয়ারেন্টাইনে বিধ্বস্ত বাবা-মা

খাস কলকাতায় ২১ মাসের শিশুর শরীরে করোনার করাল থাবা, কোয়ারেন্টাইনে বিধ্বস্ত বাবা-মা

রাজ্যে এখন সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৭৮ জন, করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১২ জন অার করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬২ জন।

  • Share this:

#কলকাতাঃ প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাসে সারা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে চূড়ান্ত আতঙ্ক। তবে এই ভাইরাস ছোবল দিচ্ছে সাধারণত বয়স্ক মানুষদের। গোটা পৃথিবীতে শিশুদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা অনেকটাই কম। যদিও এই রাজ্যে পর পর কয়েকজন শিশু করোনা আক্রান্ত হওয়ায় দুশ্চিন্তায় চিকিৎসকরা। সেই চিন্তায় নয়া সংযোজন ২১ মাসের শিশু।

রাজ্যে এখন সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৭৮ জন। মারণ ভাইরাসের  আক্রমণে মারা গেছেন ১২ জন। আশার আলো জাগিয়ে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬২ জন। রাজ্যে প্রথম নদীয়ার তেহট্টর বাসিন্দা একই পরিবারের ৯ মাসের এক শিশু এবং ৫ বছরের এক শিশু করোনা আক্রান্ত হয়। এরপর কালিম্পং-এর করোনা আক্রান্ত মৃত মহিলার সংস্পর্শে দু'বছরের এক শিশু করোনা আক্রান হয়। তারপর বেশ কয়েকজন কিশোর করোনা আক্রান্ত হয়। কলকাতা ঠাকুর পুকুরের বাসিন্দা ১৪ বছরের এক কিশোর টালিগঞ্জ এম আর বাঙুর হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। নবতম সংযোজন কলকাতা ই এম বাইপাস সংলগ্ন ভিআইপি বাজার এলাকার ২১ মাসের  শিশু।

গত ১২ এপ্রিল কাশি এবং অল্প জ্বর হওয়ায় শিশুটিকে পরিবারের সদস্যরা পার্ক সার্কাসের ইনস্টিটিউট অব চাইল্ড হেলথে ভর্তি করেন। সেখানে প্রথম দিকে শিশুর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। শনিবার থেকে একরত্তির কাশি প্রচন্ড বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসকরা বেলেঘাটা নাইস ওঠে তার লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠান। সন্ধ্যায় পরীক্ষার রিপোর্ট আসলে দেখা যায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২১ মাসের এই শিশু। এরপর দ্রুত তাঁকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে পাঠান হয়। বেলেঘাটা আইডিতেই আইসোলেশন ওয়ার্ডে এখন চিকিৎসাধীন সে। যদিও করোনা আক্রান্ত এই শিশুর পরিবারের কোনও সদস্যর বিদেশযাত্রা বা অন্য কোনও রাজ্য থেকে ফেরার  রেকর্ড না থাকায় উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা। কীভাবে এত ছোট শিশু করোনা আক্রান্ত হল, তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন চিকিৎসকরা। ইতিমধ্যেই করোনা  আক্রান্ত ওই শিশুর বাবা-মাকে রাজারহাটের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পর্যবেক্ষণে পাঠানো হয়েছে।

ABHIJIT CHANDA

First published: April 19, 2020, 4:35 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर