করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন ১০৩ বছরের বৃদ্ধা, শেখালেন বাঁচার মন্ত্র

শুধু ইউহানই নয়, শুলান শহরেও গত শনিবার নতুন করে ১১ জন আক্রান্ত হন ৷ পরের দিন থেকেই সেখানে ফের লকডাউন শুরু ৷ চিনের উত্তর পূর্বে, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী শহর শুলান ৷ এটাই এখন চিনের একমাত্র শহর যেখানে হাই রিস্ক ৷

নোভেল করোনাভাইরাসের জেরে গোটা বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় আট হাজার। ভারতেও আক্রান্ত ১৪৭ জন। এই অবস্থায় ঝ্যাংয়ের মনের জোরই আলো দেখাচ্ছে লক্ষ হৃদয়ে।

  • Share this:

    তাঁর বয়েস ১০৩। কিন্তু মনের জোর ২১ বছরের তরুণকেও হার মানাবে। আপাতত তাঁকে কুর্নিশ করছে গোটা বিশ্ব।তাঁর থেকেই নিচ্ছে লড়াইয়ের অনুপ্রেরণ। কারণ এই বৃদ্ধা ঝ্যাং গুয়াঙ্গফেন করোনাকে হেলায় হারিয়ে আইসোলেশান থেকে বাড়িতেও ফিরে এসেছেন।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, করোনার আঁতুড়ঘর উহানে যখন ঝড়ের গতিতে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, তখন আক্রান্ত হন এই বৃদ্ধা। কিন্তু সকলকে অবাক করে দিয়ে মাত্র ছয় দিনের মধ্যে সুস্থও হয়ে যান তিনি। কিন্তু কী ভাবে তা সম্ভব হল? ওই বৃদ্ধার চিকিতসক জানাচ্ছেন, ঝ্যাংয়ের সুস্থতার চাবিকাঠি রয়েছে তাঁর শরীরেই। অসাধারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তাঁর। সামান্য ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা ছাড়া আর কোনও রোগভোগ ছিল না তাঁর দেহে। আর তাতেই বাজিমাত করেছেন তিনি।

    ছুটিয়ান মেট্রোপলিস ডেইলি নামক স্থানীয় সংবাপত্রে প্রকাশ, ১৪ মার্চ উহানের টনজি মেডিক্যাল কলেজ থেকে ছাড়া হয় ঝ্যাংকে। তারা একটি ভিডিওয় শেয়ার করেন যেখানে দেখা যায়, বাড়ি ফেরার জন্যে অপেক্ষা করছেন।

    নোভেল করোনাভাইরাসের জেরে গোটা বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় আট হাজার। ভারতেও আক্রান্ত ১৪৭ জন। এই অবস্থায় ঝ্যাংয়ের মনের জোরই আলো দেখাচ্ছে লক্ষ হৃদয়ে।

    Published by:Arka Deb
    First published: