১০০ বছরেও চলল করোনার সঙ্গে লড়াই, জিতে ফিরলেন শিলিগুড়ির 'দিদা'!

১০০ বছরেও চলল করোনার সঙ্গে লড়াই, জিতে ফিরলেন শিলিগুড়ির 'দিদা'!

টানা ২৬ দিন লড়েছেন করোনার সঙ্গে! তাই স্বাভাবিকভাবে খুশি পরিবার!

টানা ২৬ দিন লড়েছেন করোনার সঙ্গে! তাই স্বাভাবিকভাবে খুশি পরিবার!

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: করোনা মানেই মৃত্যু না। বলেছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক অভিজিৎ চৌধুরী। সরকারী স্বাস্থ্য বিধি মেনে চললেই সুস্থ হয়ে ওঠা যাবে। কেননা এখোনও টিকা আসেনি বাজারে। কথাটি যে ১০০ শতাংশ সঠিক, তা আজ, শুক্রবার, প্রমাণিত হল শিলিগুড়িতে। করোনা জয় করে বাড়ি ফিরলেন শতায়ু বৃদ্ধা পারুবালা দেবী। উপসর্গ নিয়ে গত ৬ নভেম্বর তিনি ভর্তি হন প্রধাননগরের একটি বেসরকারী হাসপাতালে। শুধু তিনিই নন, তাঁর পরিবারের আরও ১৪ জনের লালারসের নমুনার রিপোর্টও পজিটিভ আসে। ধীরে ধীরে পরিবারের বাকি সদস্যরা সুস্থ হয়ে ওঠেন। কিন্তু পারুবালা দেবীর সুস্থ হয়ে উঠতে সময় লেগে যায়।

টানা ২৬ দিন বেসরকারী হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। স্রেফ মনের জোরকে সঙ্গী করে প্রায় এক মাস কাটিয়েছেন হাসপাতালের বেডে। আজ, শুক্রবার, তিনি কোভিড জয় করলেন। ফিরলেন নিজের বাড়িতে। খুশি তাঁর পরিবার। পারুবালা দেবীর মেয়ে আরতি শিকদার জানান, মা'কে সুস্থ করে বাড়িতে নিয়ে যেতে পারায় আমরা আজ খুশি। অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন উনি। চিকিৎসক, নার্সদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বরাবরই বলে এসছেন, মনোবল চাঙ্গা রাখতে হবে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই। কেননা শিলিগুড়িতে প্রথ থেকেই সুস্থতার হার বেশ ভাল।

চিকিৎসক সিপি শর্মা জানান, বৃদ্ধার বয়স প্রথম দিকে ভাবিয়েছিল। কেননা অন্যান্য অনেক রোগে আক্রান্ত ছিলেন। কো-মর্বিডিটি রুগীকে কোভিড থেকে সুস্থ করে তোলা চ্যালেঞ্জ ছিল। তা আজ সম্ভব হল। আমরাও ওনাকে সুস্থ কিরে বাড়িতে ফেরাতে পেরে খুশি। উনিও চিকিৎসক, নার্সদের সহযোগিতা করেছেন। গত কয়েকদিন ধরেই শিলিগুড়িতে আক্রান্তের গ্রাফ নিম্নমুখী। তবে একে হালকাভাবে নিলে ভুল হবে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে সকলকেই। মাস্ক মাস্ট। যা এখন শহরের অনেকেরই মুখে দেখা যাচ্ছে না। সঙ্গে সাবান জলে হাত ধোয়া এবং হ্যাণ্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতেই হবে। তাই সতর্কতাই একমাত্র পথ। কেননা পারস্পরিক দূরত্ব বিধি এখন আর মানা হচ্ছে না। টিকা এলে অন্য ব্যবস্থা।

Published by:Pooja Basu
First published: