• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • ১০০ বছর বয়সে করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন বাগনানের বৃদ্ধা! চিনুন তাঁকে

১০০ বছর বয়সে করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন বাগনানের বৃদ্ধা! চিনুন তাঁকে

১০০ বছর বয়সী করোনা আক্রান্ত রোগীকে মাত্র ১২ দিনেই সুস্থ করে বাড়ি ফেরালেন হাওড়ার বেসরকারী করোনা হাসপাতালের চিকিৎসকেরা।

১০০ বছর বয়সী করোনা আক্রান্ত রোগীকে মাত্র ১২ দিনেই সুস্থ করে বাড়ি ফেরালেন হাওড়ার বেসরকারী করোনা হাসপাতালের চিকিৎসকেরা।

১০০ বছর বয়সী করোনা আক্রান্ত রোগীকে মাত্র ১২ দিনেই সুস্থ করে বাড়ি ফেরালেন হাওড়ার বেসরকারী করোনা হাসপাতালের চিকিৎসকেরা।

  • Share this:

#হাওড়া: সেঞ্চুরিতে করোনাকে হারিয়ে এক নতুন নজির গড়লেন বাগনানের ভবতারিনী সামন্ত। অন্যদিকে ১০০ বছর বয়সী করোনা আক্রান্ত রোগীকে মাত্র ১২ দিনেই সুস্থ করে বাড়ি ফেরালেন হাওড়ার বেসরকারী করোনা হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। রাজ্য ছাড়িয়ে দেশে ১০০ বছর বয়সী করোনা আক্রান্ত রোগী সম্ভবত এই প্রথম, দাবি হাসপাতালের। করোনা আক্রান্ত হওয়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় রোগীকে সুস্থ করার নজির আগেও রয়েছে হাওড়ার ফুলেশ্বরের সঞ্জীবন হাসপাতাল সহ রাজ্যের একাধিক হাসপাতালের নামে। তবে ১০০ বছর বয়সী পৌঢ়া করোনা আক্রান্ত রোগীকে সুস্থ করে তোলা এ এক অনন্য নজির।

বাগনানের হরপের বাসিন্দা ভবতারিনী সামন্ত নভেম্বরের ২০ তারিখ শ্বাসকষ্ট ও পেটের রোগ নিয়ে স্থানীয় এক হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হলে ২৩ নভেম্বর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। সরকারের তরফে তাঁকে ২৪ নভেম্বর স্থানান্তরিত করা হয় ফুলেশ্বরের সঞ্জীবন হাসপাতালে।  বয়স দেখেই কিছুটা হকচকিয়ে যান চিকিৎসকেরা।

হাসপাতালের ডিরেক্টর চিকিৎসক শুভাশিষ মৈত্র বলেন, “করনা কাল থেকে একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছিল হাসপাতালকে। অনেক মুমুর্ষু রোগীকে ফিরিয়ে দিতে পেরেছিলাম তাঁদের জীবন। তবে এক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জটা ছিল একটু বেশি। কারণ রোগীর শারীরিক অসুস্থতার থেকেও রোগীর বয়স আমাদের অনেক বেশি চিন্তায় ফেলেছিল। তবে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও চিকিৎসাকর্মীদের নিদ্রাহীন প্রচেষ্টায় সেঞ্চুরিতেও করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফেরাতে পারলাম পৌঢ়াকে”। এটাই বোধহয় হাসপাতালের শ্লোগান, ‘করোনা হারবে মানুষ জিতবে’ তার ভিত আরও মজবুত করল।

সুস্থ হওয়া ভবতারিনী দেবী বলেন, “জীবদশায় অনেক মহামারি দেখেছি। তবে করোনা অনেক আপনজনকে কেড়ে নিয়েছে। তাই এই রোগকে হারাতে পেরে আমার সেঞ্চুরি করা সফল হল”। খেলায় ৯০ থেকে ১০০ রান করা প্রতিটি রান যেন এক একটি যুদ্ধ। ঠিক একইভাবেও হাসপাতালের ১২টি দিন যুদ্ধ করে গেছেন চিকিৎসকেরা। কয়েকমাস পরেই বয়েসের খাতায় সেঞ্চুরি হওয়ার আনন্দের থেকেও করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফেরা, এ যেন এক অন্য অনুভূতি। বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি রুখতে ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্যাস্ত গোটা বিশ্ব। সেই সময়ে দাঁড়িয়ে ভ্যাকসিন ছাড়াই ১০০ বছরের করোনা রোগীকে সুস্থ করে বাড়ি ফেরাতে পারায়  সঞ্জীবনের মুকুটে  নতুন পালক। ফুলের তোড়া, গানের সুরে ভবতারিনী দেবীকে বাড়ির পথে রওনা করলেন হাসপাতাল  কর্তৃপক্ষ।

Published by:Pooja Basu
First published: