Home /News /cooch-behar /
Cooch Behar: শামুকখোল পাখিদের সংরক্ষণের দাবি! তৎপর কোচবিহার বনবিভাগ

Cooch Behar: শামুকখোল পাখিদের সংরক্ষণের দাবি! তৎপর কোচবিহার বনবিভাগ

কোচবিহারে [object Object]

কোচবিহারের আইটিআই মোড় সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই বাসা বাঁধে এই শামুক খোল (Openbill stork) পাখিরা। বছরের একটি সময় তারা এখানে আসে এবং বাসা বাঁধে।

  • Share this:

    #কোচবিহার : কোচবিহারের আইটিআই মোড় সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই বাসা বাঁধে এই শামুক খোল (Openbill stork) পাখিরা। বছরের একটি সময় তারা এখানে আসে এবং বাসা বাঁধে। তারপর ডিম দিয়ে বাচ্চা ফুটিয়ে, বাচ্চা বড় হলে তারা আবার চলে যায় এখন থেকে। এই শামুকখোল পাখিরা (Openbill stork) মূলত এই এলাকার আশেপাশের জলাশয় থেকে মাছ কিংবা শামুক ধরে খায়। তবে এই শামুকখোল পাখিদের (Openbill stork) বাসস্থান কোচবিহারের এয়ারপোর্ট সংলগ্ন এলাকায় হওয়ার কারণে। একটা সময় এই এলাকার সমস্ত বড় বড় গাছগুলি কেটে ফেলা হয়েছিল। তার মূল কারণ ছিল প্লেন ওখানে আমার করতে অসুবিধার সম্মুখীন হত এই পাখিদের কারণে।

    কোচবিহার আইটিআই মোড়ের গুগল ম্যাপ লিঙ্ক:

    ITI more

    তবে সেই সময় পাখিদের বাসস্থান এই গাছগুলি কেটে ফেলার কারণে, এই বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিল প্রচুর পরিবেশ প্রেমী সংস্থা। তবে গাছগুলোর শেষ রক্ষা হয়নি। কেটে ফেলা হয়েছিল এই এলাকার রাস্তার দু'ধারের সমস্ত বড় গাছ। কিন্তু, সেই কারণে পাখিরা তাদের বাসস্থানের এলাকা পরিবর্তন করেনি। এই এলাকায় বনবিভাগের অফিসের চত্বরের ভেতরে থাকা গাছ গুলিতে তারা বাসা বাঁধতে শুরু করে। বর্তমানে এখানেই তাদের একমাত্র বাসস্থান অবশিষ্ট রয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ভাড়ে চা বিক্রি বাড়ছে কোচবিহারে ! খুশি একাধিক চা বিক্রেতা

    এই এলাকার স্থানীয় একজন ব্যবসায়ী রাজেশ সরকার বলেন, \"দীর্ঘদিন ধরেই এই পাখিরা কোচবিহারের এই এলাকায় এসে বাসস্থান স্থাপন করে। তারপর ডিম দিয়ে বাচ্চা ফুটিয়ে বাচ্চা বড় হলে আবার তারা এখান থেকে চলে যায়। তবে একটা সময় এই এলাকায় থাকা বড় বড় গাছগুলি কেটে ফেলার কারণে কিছুটা হলো সমস্যা হয়েছে এই পাখিদের। তবে তারা বাসস্থানের এলাকা পরিবর্তন করেনি। বর্তমানে তারা এই এলাকায় থাকা বন বিভাগের অফিস চত্বরের ভেতরে থাকা গাছগুলিতে বাসস্থান বানায়।\"

    আরও পড়ুনঃ নিউজ ১৮ লোকাল খবরের জের! শুরু হল বেহাল রাস্তা সংস্কারের কাজ

    কোচবিহারের সহ-বিভাগীয় বনাঅধিকারী বিজন কুমার নাগ জানান, \"বনদফতর সব সময় এই পাখিগুলিকে রক্ষণাবেক্ষণে চেষ্টা করে চলেছে। এই পাখিগুলিকে যাতে শিকার করা না হয়। এছাড়া বন বিভাগের অফিস চত্বরের ভেতরে এটা বাসা বানিয়ে থাকার কারণে, কেউ এদের বিরক্ত করার সাহস পায় না। সেই কারণে সব সময় তাদের চোখে চোখে রাখা হয়। দীর্ঘদিন থেকে কোচবিহারে আসা এই পাখিগুলির বাসস্থান এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সবসময় সচেতন রয়েছে কোচবিহার বন বিভাগ।\" এই বিষয় নিয়ে একাধিক পরিবেশ প্রেমী সংস্থা দিনের পর দিন আবেদন জানিয়ে আসছে যে দ্রুত এই পাখি গুলিকে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক। নাহলে একটা সময়ের পর এই পাখিগুলোকে আর কোচবিহারের বুকে হয়তো সেরকম ভাবে বাসা বাঁধতে দেখা যাবে না।

    Sarthak Pandit
    Published by:Soumabrata Ghosh
    First published:

    Tags: Cooch behar, Forest Department

    পরবর্তী খবর