গাড়ির ইনসিওরেন্স করার আগে নিয়মের মারপ্যাঁচগুলো জেনে নিন

গাড়ির ইনসিওরেন্স করার আগে নিয়মের মারপ্যাঁচগুলো জেনে নিন

গাড়ি কেনার আগে তার পলিসি সম্বন্ধে জেনে নিতে পারলে আপনার যেমন ঝক্কি কমবে তেমনি উপযুক্ত পলিসি করতে পারলে গাড়ির সুরক্ষাও দ্বিগুণ হবে। আসুন, পলিসির বিভিন্ন টার্মগুলি জেনে নেওয়া যাক...

গাড়ি কেনার আগে তার পলিসি সম্বন্ধে জেনে নিতে পারলে আপনার যেমন ঝক্কি কমবে তেমনি উপযুক্ত পলিসি করতে পারলে গাড়ির সুরক্ষাও দ্বিগুণ হবে। আসুন, পলিসির বিভিন্ন টার্মগুলি জেনে নেওয়া যাক...

  • Share this:

    গাড়ি কিনে ফেলা আজকাল দিনে তেমন ব্যয়সাপেক্ষ না হলেও, গাড়ি কেনার পর তার ইনসিওরেন্স করতে মালিকদের অনেকেরই কালঘাম ছুটে যায়। গাড়ির বীমা করানো সত্যি এক দুষ্কর কাজ। আপনি কী ধরনের চারচাকা কিনছেন, গাড়ির ড্রাইভিং কন্ডিশন, গাড়ির চালক ড্রাইভিংয়ে কতটা পারদর্শী, এগুলোর উপরেই ভিত্তি করে গাড়ির পলিসি করা হয়।

    গাড়ি কেনার আগে তার পলিসি সম্বন্ধে জেনে নিতে পারলে আপনার যেমন ঝক্কি কমবে তেমনি উপযুক্ত পলিসি করতে পারলে গাড়ির সুরক্ষাও দ্বিগুণ হবে। আসুন, পলিসির বিভিন্ন টার্মগুলি জেনে নেওয়া যাক...

    পলিসি টেনচার: একটা গাড়ির কতদিন পলিসি থাকবে তাই হল পলিসি টেনচার। সাধারণত গাড়ির পলিসি ১ বছরের সর্বাধিক সীমা থাকে। কিন্তু বর্তমানে বেশ কিছু সংস্থা কাস্টমারদের প্রলোভন দেখাতে ৩ থেকে ৫ বছরেরও ইনসিওরেন্স পলিসি দিচ্ছে।

    আইডিভি: আইডিভি-র পুরো কথা হল ইনসিউরড ডিক্লেয়ার্ড ভ্যালু। গাড়ির কখনো চুরি অথবা দুর্ঘটনা ঘটলে কতটাকা অবধি পাওয়া যাবে তা আইডিভির মাধ্যমে ঠিক করা হয়। আইডিভি-র বেশি মূল্য দিয়ে গাড়ি সারাতে হলে অথবা গাড়ি চুরি হলেও ইন্সিউরারকে শুধুমাত্র আইডিভি-র মূল্যই দিতে হয়।

    এ'দুটো ছাড়াও আরও ৫ রকমের ইনসিওরেন্স কভারেজ বাজারে চালু আছে. ছোট করে সেগুলো দেখে নেওয়া যাক।

    লায়াবিলিটি কভারেজ : যখন দেখা যায় গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটার জন্য দায়ী সেই গাড়ির চালক সেক্ষেত্রেই এই ইনসিওরেন্স কভারেজ কাজ করে। এই কভারেজের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ যান মেরামত সাথে তার হাসপাতালের চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচ থার্ডপার্টি নেয়। এই কভারেজে থার্ডপার্টির আঘাত, মৃত্যু অথবা গাড়ির ক্ষতিগ্রস্থতাকেও ধরা হয়।

    কলিশন কভারেজ ; যদি কোনও গাড়ির মালিক এই কভারেজের আওতায় থাকেন তবে, তাহলে ইনসিওরেন্স কোম্পানি গাড়ি সারানোর খরচ বহন করে।

    পার্সোনাল ইনজুরি কভারেজ: এই কভারেজ বলতে গেলে সব গাড়ির মালিকদের নেওয়া থাকে। এই কভারেজের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ গাড়ির চালকের এবং অন্যান্য যাত্রীদের হাসপাতাল সংক্রান্ত সব খরচ পাওয়া যায়। যারই দোষ থাকে না কেন ইনসিওরেন্স কোম্পানিকে চিকিৎসার বিল মেটানোর দায়িত্ব নিতে হয়।

    আনইনসিওরড মোটরিস্ট প্রটেকশন: যদি কোনও গাড়ি অন্য একটি গাড়ির ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়, এবং দেখা যায় সেই দোষী গাড়িটির কোনও ইনসিওরেন্স পলিসি নেই, তবে সেই গাড়ির মালিককে ক্ষতিপূরণ দিতে হয়।

    কম্প্রিহেন্সিভ কভারেজ : এই কভারেজে গাড়ির সবরকমের ক্ষতির সম্ভাবনা অন্তর্ভুক্ত থাকে। কভারেজের সুবিধার মধ্যে পড়ে, ক্ষতিগ্রস্থ গাড়ি, ড্রাইভার, যাত্রী, দুর্ঘটনাগ্রস্ত অন্য আরেকটি গাড়ি, সেই গাড়িটির ড্রাইভার এছাড়াও, আবহাওয়ার কারণে, বন্যা, অগ্নিকান্ডে অথবা চুরি হলেও সুবিধা মেলে। সংঘর্ষ ছাড়াও গাড়ির যেকোনও ক্ষতিতে এই কভারেজ ফলদায়ক।

    Published by:Elina Datta
    First published:

    লেটেস্ট খবর