বাজেট ২০২১: প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সওয়াল বিশেষজ্ঞদের!

বাজেট ২০২১: প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সওয়াল বিশেষজ্ঞদের!
এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন প্রাক্তন সেনাকর্মী, অ্যারোস্পেস ও ডিফেন্সের ডিরেক্টর কে ভি কুবের (K V Kuber)। বাজেটের কথা মাথায় রেখে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের কয়েকটি দিক তুলে ধরেছেন তিনি।

এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন প্রাক্তন সেনাকর্মী, অ্যারোস্পেস ও ডিফেন্সের ডিরেক্টর কে ভি কুবের (K V Kuber)। বাজেটের কথা মাথায় রেখে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের কয়েকটি দিক তুলে ধরেছেন তিনি।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ২০২০ প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বছর। LAC থেকে LOC সর্বত্রই গতিবিধি নজরে এসেছে। দেশে রাফাল এসেছে। এই পরিস্থিতিতে আরও মজবুত হয়ে উঠছে দেশের তিন সেনাবাহিনী। সামনেই বাজেট। আসন্ন বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে অর্থ বরাদ্দ কতটা গুরুত্বপূর্ণ? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন প্রাক্তন সেনাকর্মী, অ্যারোস্পেস ও ডিফেন্সের ডিরেক্টর কে ভি কুবের (K V Kuber)। বাজেটের কথা মাথায় রেখে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের কয়েকটি দিক তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর কথায়, এর আগের আর্থিক প্যাকেজের সূত্র ধরে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে উৎপাদনে অর্থ বরাদ্দের কথা জানানো হয়েছিল। তবে বাজেট ঘিরে একাধিক প্রত্যাশা রয়েছে। এক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বা FDI-এর পরিমাণ বাড়াতে হবে।

তিনি জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সামগ্রিক উন্নয়ন করতে হলে প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিট বা PMU সেট-আপ নিয়ে পদক্ষেপ করতে হবে। এর পাশাপাশি অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ডের (OFB) কর্পোরাটাইজেশন করতে হবে। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট রূপরেখার প্রয়োজন রয়েছে। ২০২০ সালের অগস্ট মাসেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে ডোমেস্টিক ক্যাপিটাল প্রকিওরমেন্টের সূত্র ধরে ৫২,০০০ কোটি টাকার ঘোষণা হয়েছিল। এই বরাদ্দের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নীতির রূপায়ন করতে হবে। আসন্ন বাজেটের উপরেও ডোমেস্টিক ক্যাপিটাল প্রকিওরমেন্টের বিষয়টি পরোক্ষ ভাবে নির্ভরশীল। এর পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি নিয়ে ও শুল্কের ক্ষেত্রেও নজর দিতে হবে। সামনেই একাধিক প্রকল্প রয়েছে। ভারতীয় নৌসেনার জন্য P 751 ক্লাস সাবমেরিন, আর্ম UAV, বায়ুসেনার জন্য ফাইটার জেট-সহ নানা প্রকল্পের উপরে কাজ চলছে। এক্ষেত্রে ডিফেন্স বাজেটে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোটা একান্তই কাম্য।


উল্লেখ্য, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ৩.৩৭ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষ থেকে দু'শতাংশ বেশি এটি। এছাড়াও নতুন অস্ত্র কেনা, বিমান, যুদ্ধজাহাজ এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য মূলধন ব্যয় বাবদ ১.১৩ লক্ষ কোটি টাকা আলাদা করে রাখা হয়েছিল। সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন দেওয়ার জন্যও অতিরিক্ত টাকা বরাদ্দ করা হয়। তবে তা পর্যাপ্ত নয় বলেই দাবি তুলেছিলেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।

এখন ২০২১-২২ অর্থবর্ষের দিকে তাকিয়ে দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্র!

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: