স্বাস্থ্যবিমা নিয়ে অখুশি? জেনে নিন অন্য সংস্থায় পলিসি পোর্টের পদ্ধতি!

স্বাস্থ্যবিমা নিয়ে অখুশি? জেনে নিন অন্য সংস্থায় পলিসি পোর্টের পদ্ধতি!
পলিসি হোল্ডাররা এক বিমাকারী থেকে অন্য বিমাকারী সংস্থার কাছে নিজেদের পলিসি সুইচ করাতে পারেন। জেনে নিন কী ভাবে ।

পলিসি হোল্ডাররা এক বিমাকারী থেকে অন্য বিমাকারী সংস্থার কাছে নিজেদের পলিসি সুইচ করাতে পারেন। জেনে নিন কী ভাবে ।

  • Share this:

#কলকাতা: বছর জুড়ে প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে দারুণ প্রভাব ফেলেছে প্যানডেমিক করোনা। নিজেদের স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সঞ্চয় যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, এই বিপরীত পরিস্থিতিতে তা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরে নিজেদের হেল্থ পলিসি বা স্বাস্থ্য বিমা নিয়ে সচেতন হচ্ছেন মানুষজন। কিন্তু স্বাস্থ্য বিমা নিয়ে যদি কোনও সমস্যা হয়? অস্বস্তি তৈরি হয়? তা হলে কী করা যাবে? আর চিন্তা নেই। এ ক্ষেত্রে ইচ্ছেমতো পলিসি পোর্ট করানো যেতে পারে। অর্থাৎ অন্য কোনও সংস্থা বা বিমাকারীর কাছে সরিয়ে নিয়ে যেতে পারেন আপনার বিমা। এ বার জেনে নেওয়া যাক বিশদে!

কী এই পলিসি পোর্টিং বা পলিসি পোর্টেবিলিটি?

এ ক্ষেত্রে পলিসি হোল্ডাররা এক বিমাকারী থেকে অন্য বিমাকারী সংস্থার কাছে নিজেদের পলিসি সুইচ করাতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পলিসির সুযোগ-সুবিধা একই থাকবে।


নতুন পলিসি কেনার বদলে পলিসি পোর্টিংয়ের ক্ষেত্রে কী সুবিধা হতে পারে?

নতুন পলিসি কেনার সময় তড়িঘড়ি ক্লেম করা যাবে না। একটু সময় লাগবে। এক্ষেত্রে কাজে দেবে পলিসি পোর্টিং। এখানে ওয়েটিং পিরিয়ড খুবই কম।

কখন পলিসি পোর্টের বিষয়ে ভাবা উচিৎ?

হঠাৎই প্রিমিয়াম বাড়তে শুরু করছে। কিংবা ক্লেম সেটেলমেন্টের সময়ে একাধিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এক্ষেত্রে পলিসি পোর্ট নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে নতুন পলিসি কেনার সময় যে বিষয়গুলি খতিয়ে দেখতে হয়, পলিসি পোর্টের সময়ও একই বিষয় খতিয়ে দেখতে হবে। পলিসির টার্মগুলি সম্পর্কেও জেনে নিতে হবে।

কী কী বিষয় মেনে চলতে হবে?

প্রথমে নতুন যে পলিসিতে পোর্ট করাতে হবে, সেই পলিসিকে বেছে নিতে হবে। এক্ষেত্রে প্রিমিয়াম সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখতে হবে। সংশ্লিষ্ট নতুন বিমা সম্পর্কে ভালো করে যাবতীয় রিসার্চ করে ফেলতে হবে। এবার রিনিউয়াল ডেটের অন্তত ৪৫ দিন আগে পলিসি পোর্ট নিয়ে আপনার বিমাকারী সংস্থাকে জানাতে হবে। নতুন বিমা সংস্থা সম্পর্কেও জানাতে হবে।

পরে নতুন বিমাকারীকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে হবে। রেগুলার প্রপোজাল ফর্ম, পোর্টেবিলিটি ফর্ম সহ একাধিক ফর্ম ফিল-আপ করতে হবে। সঙ্গে আগের পলিসির নানা ক্লেমগুলি খতিয়ে দেখতে হবে। কাগজপত্রের কাজ শেষ হয়ে গেলে মেডিক্যাল চেক-আপ সহ একাধিক কাজ সেরে ফেলতে হবে। আগে এই পদ্ধতি বেশ কঠিন ছিল, তবে এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে পলিসি পোর্টের কাজ শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে নতুন বিমাকারী সংস্থাকে ১৫ দিনের মধ্যে পলিসি পোর্ট নিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

নতুন পলিসিতে পোর্ট করা কতটা সহজ?

আপাতদৃষ্টিতে সহজ মনে হলেও একটু কঠিন এই পোর্ট করার প্রক্রিয়া। এক্ষেত্রে বয়স্কদের একটু বেশি ঝক্কি পোহাতে হয়। প্রথমে একটি পোর্টেবিলিটি আবেদন করতে হয় বিমাকারীদের কাছে। তার পর সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিমা পোর্ট করানোর ক্ষেত্রে যথেষ্ট কারণও দেখাতে হয়। বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে অনলাইনে করা যেতে পারে পোর্টিংয়ের কাজ। এক্ষেত্রে ওয়েটিং পিরিয়ড একটি বড় বিষয়। কিছু ক্ষেত্রে নতুন পলিসি কেনার মতো একই রকম ঝামেলা পোহাতে হয় গ্রাহকদের। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিমাকারী বা কোনও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

Published by:Simli Raha
First published: