গাড়ি কেনার কথা ভাবছেন? ইলেকট্রিক গাড়ি কী কী সুবিধা দেবে জেনে নিন!

গাড়ি কেনার কথা ভাবছেন? ইলেকট্রিক গাড়ি কী কী সুবিধা দেবে জেনে নিন!
Image for Representation. (Picture Source: Reuters)

দারুণ সুবিধাজনক এই গাড়ি৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: পরিবেশ বাঁচাতে জ্বালানি-চালিত গাড়ির বদলে ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে বিশ্বের বেশ কিছু দেশে। ইতিমধ্যেই ইলেকট্রিক বাইক বা স্কুটিও বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বহু মানুষ জ্বালানি-গাড়ি ছেড়ে ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যবহার শুরু করছেন। পরিবেশ বাঁচাতে এর একাধিক গুরুত্ব রয়েছে। পাশাপাশি ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবহারের আরও কিছু সুবিধা রয়েছে।

১) রক্ষণাবেক্ষণের খরচা কম

পেট্রোল-ডিজেলের গাড়ির থেকে ইলেকট্রিক গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেকটাই কম। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, জ্বালানি গাড়ির থেকে অন্তত ৫০ শতাংশ রক্ষণাবেক্ষণের খরচ কম হয় ইলেকট্রিক গাড়ির। কারণ ICE-র থেকে এই গাড়ির ইঞ্জিন অনেক ভালো হয়। এবং এর পার্টসের দামও অনেকটা কম হয়।


২) চেঞ্জেবল ব্যাটারি টেকনোলজি

এই টেকনোলজিতে কোনও চার্জিং স্টেশনে চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া ব্যাটারি রেখে তার বদলে চার্জ করা ব্যাটারি নিয়ে নিজের গাড়িতে ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও এই চার্জিং স্টেশন সব জায়গায় নেই। তবে, মানুষ যত বেশি ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবহার শুরু করবে, তখন অবশ্যই এই টেকনোলজির উন্নয়ন হবে।

৩) গাড়ি চালিয়ে মজা পাওয়া যায়

ICE গাড়ির থেকে এই গাড়িগুলি অনেকটাই আরামদায়ক হয় এবং এই গাড়ি চালিয়েও জ্বালানি-গাড়ির থেকে বেশি মজা পাওয়া যায়। সমীক্ষা বলছে, নয়েজ কম থাকে এই গাড়িতে এবং অন্য কোনও ধরনের আওয়াজ থাকে না।

৪) রিসেল ভ্যালু বেশি

যেহেতু ইলেকট্রিক গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ কম ও যন্ত্রপাতির দাম কম, তাই এই গাড়ির রিসেল ভ্যালু বেশি। এতে স্পার্ক প্লাগ, ভাল্ব, টেইলপাইপ, ডিস্ট্রিবিউটর, স্টার্টার, ক্লাচ, ড্রাইভ বেল্ট, হোস, ক্যাটালিটিক কনভার্টার ইত্যাদি দেওয়া থাকে। যা সব ICE গাড়িতে পাওয়া যায় না। এই সবের পাশাপাাশি পরিবেশের কথা ভেবেও বর্তমানে বহু সংস্থা এই গাড়িতে একাধিক অফার দিচ্ছে। যার ফলে এর রিসেল ভ্যালুও পাওয়া যাচ্ছে।

৫) দূষণমুক্ত পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে অন্যতম ভরসা

বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ বর্তমানে দূষণ আটকানোর চেষ্টায় এবং এই নিয়ে একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে। এই দূষণের অন্যতম কারণ কিন্তু আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা বা যানবাহন। যাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে বায়ুদূষণের মাত্রা কমে। বিশেষ করে বড় শহরগুলিতে এই গাড়িদূষণ কমাতে অনেকটাই সাহায্য করতে পারে। কারণ এতে কোনও ধোঁয়া বেরোনোর সম্ভাবনা নেই ও কার্বন-ডাই-অক্সাইড তৈরিরও কোনও সম্ভাবনা নেই।

Published by:Debalina Datta
First published:

লেটেস্ট খবর