হোম /খবর /ব্যবসা-বাণিজ্য /
চাকরি খুইয়ে পুরোদস্তুর চাষি! সর্ষে, গম, আলু চাষ করে আয় করছেন লক্ষ লক্ষ টাকা

লকডাউনে চাকরি খুইয়ে পুরোদস্তুর চাষি! সর্ষে, গম, আলু চাষ করে আয় করছেন লক্ষ লক্ষ টাকা

বিজয় আদতে একজন সাঁতার প্রশিক্ষক। নিজের প্রশিক্ষকের চাকরিটি হারিয়ে বিজয় বেকার হয়ে গিয়েছিলেন।

  • Share this:

বিকানের: ছিলেন সাঁতার প্রশিক্ষক। করোনা তাঁকে বানিয়ে দিল কৃষক। নিজের রোজগারের সাফল্য এখন গোটা দেশের সামনে অনুপ্রেরণা হিসেবে তুলে ধরছেন রাজস্থানের এই ব্যক্তি।

দর্শন বলে কোনও কাজই ছোট নয়। আবার কোনও কাজকে খুব মহৎ বা বৃহৎ ভাবার কারণ নেই। শুধু নিজের লক্ষ্যে স্থির থেকে কাজ করে যেতে হবে। তাতেই সাফল্য।

ঠিক এমনি ঘটেছে রাজস্থানের বিকানেরে বাসিন্দা বিজয় শর্মার সঙ্গে। বিজয় আদতে একজন সাঁতার প্রশিক্ষক। করোনা অতিমারীর সময় সারা দেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। সেসময়, হাজার হাজার মানুষ হারিয়েছিলেন তাঁদের অন্ন সংস্থান। নিজের প্রশিক্ষকের চাকরিটি হারিয়ে বিজয়ও বেকার হয়ে গিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: ব্যাকটেরিয়া বিক্রি করে লাখপতি হওয়া যাচ্ছে ? কী করে সম্ভব জেনে নিন

কিন্তু, সেখানেই হাল ছাড়েননি তিনি। ভয়ঙ্কর কঠিন পরিস্থিতিতে তিনি সাহসের সঙ্গে কাজ করে গিয়েছেন। আর সাফল্যও পেয়েছে। নিজের আর্থিক বৃদ্ধি আর পরিবারের যত্নই তাঁর কাছে প্রধান।

ঠিক কী ঘটেছিল বিজয়ের সঙ্গে?

তিনি সর্দার প্যাটেল মেডিকেল কলেজের সুইমিং পুলে সাঁতার শেখাতেন। লকডাউনের সময় চাকরি হারিয়ে যখন দিশাহারা অবস্থা, বিজয় তখন জমানো টাকা দিয়ে ২০ বিঘা জমি লিজ নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি চিরাচরিত উপায়ে চাষাবাদ শুরু করেন। আর সাফল্যও আসতে দেরি হয়নি।

বর্তমানে প্রায় একশো বিঘা জমি চাষ করেন বিজয়। যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চলে যায় ভালভাবে। বিজয় শর্মা জানান, তিনি তাঁর জমিতে সর্ষে থেকে শুরু করে, কালো গম, মুলো, পেয়ার, আলু ইত্যাদি সবই চাষ করেন। এসবই তিনি বাজারে বিক্রি করেন নিজে। প্রতি বছর অন্তত পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় হয়।

আরও পড়ুন: গৃহবধূদেরও করাতে হবে PAN-আধার লিঙ্ক ? জেনে নিন

বিজয় বলেন, ‘করোনা সংক্রমণের সময় স্যুইমিংপুল বন্ধ হয়ে যায়। আমার কাজও চলে যায়। তখন বিচওয়াল লেকের পিছনে নাগগাসারে কয়েক বিঘা জমি নিয়ে চাষাবাদ শুরু করি।’

বিজয় জানান, অনেকেই তাঁকে বলেছিলেন চাষ করে লাভ নেই। একথা একেবারে ভুল। সঠিক ভাবে চাষ করলে লাভ অনেক বেশি। পরিবারও খুশি।

এমনকী নিজের শিশুদের সঙ্গে প্রকৃতির যোগ তৈরি হচ্ছে বলেও খুশি বিজয়। তিনি জানান, শিশুরা পশু ও খামারের সঙ্গে পরিচিত হতে পারছে। যা সম্ভবই হতো না, চাষ না করলে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published:

Tags: Agriculture, New Business Ideas