• Home
  • »
  • News
  • »
  • business
  • »
  • আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে দিশাহারা? ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পের এই ক'টি স্কিম আসতে পারে কাজে!

আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে দিশাহারা? ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পের এই ক'টি স্কিম আসতে পারে কাজে!

ব্যক্তিগত সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে কারও জন্যই সঞ্চয়ের নিরাপদ ও সুরক্ষিত বিকল্পও এগুলি। যে কোনও বয়সের মানুষই এই স্কিমগুলি বেছে নিতে চান।

ব্যক্তিগত সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে কারও জন্যই সঞ্চয়ের নিরাপদ ও সুরক্ষিত বিকল্পও এগুলি। যে কোনও বয়সের মানুষই এই স্কিমগুলি বেছে নিতে চান।

ব্যক্তিগত সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে কারও জন্যই সঞ্চয়ের নিরাপদ ও সুরক্ষিত বিকল্পও এগুলি। যে কোনও বয়সের মানুষই এই স্কিমগুলি বেছে নিতে চান।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ব্যক্তিগত সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে কারও জন্যই সঞ্চয়ের নিরাপদ ও সুরক্ষিত বিকল্পও এগুলি। যে কোনও বয়সের মানুষই এই স্কিমগুলি বেছে নিতে চান। এ ক্ষেত্রে কোন কোন স্কিম বেছে নেওয়া যেতে পারে, কোন কোন স্কিমে কী কী সুবিধে থাকছে দেখে নেওয়া যাক।

১. সুকন্যা সমৃদ্ধি স্কিম ১০ বছরের নিচে কন্যাসন্তান থাকলে, তার পড়াশোনার জন্য, ভবিষ্যতের জন্য অর্থ সঞ্চয় করতে এই স্কিম বেছে নেওয়া যেতে পারে। এই স্কিম বর্তমানে বিনিয়োগের উপর দিচ্ছে ৭.৬ শতাংশ রিটার্ন। স্কিমে ১৫ বছরের জন্য অ্যাকাউন্ট খোলার পর প্রথমেই বিনিয়োগকারীকে কিছু টাকা জমা দিতে হবে। অ্যাকাউন্টে সর্বাধিক ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত রাখা যেতে পারে। অ্যাকাউন্টটি ম্যাচিওর হবে খোলার ২১ বছর পর। রিটার্নের পাশাপাশি ট্যাক্সের সুবিধের জন্যও স্কিমটি বেছে নেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা সর্বাধিক ১.৫ লক্ষ টাকা ট্যাক্সে সুবিধা পাবে। পাশাপাশি সুদ থেকে পাওয়া অতিরিক্ত টাকা ও ম্যাচিওরিটির টাকা থেকেও ট্যাক্সে সুবিধে পাওয়া যাবে। ২. ন্যাশনাল পেনশন স্কিম আয়কর আইন ১৯৬১-র ৮০C ধারা অনুযায়ী, দেড় লক্ষ টাকার উপরে ৫০ হাজার টাকা অ্যডিশনাল ডিডাকশনের সুবিধা দেবে এই স্কিম। অর্থাৎ এর সাহায্যে অনেকটা উপকৃত হতে পারেন বয়স্করা। ন্যাশনাল পেনশন স্কিমের অধীনে বিনিয়োগকারীকে তাঁর অবসরের আগে পর্যন্ত বছরে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমাতে হবে। অবসরের সময় জমানোর টাকার ৬০ শতাংশ হাতে পাবেন বিনিয়োগকারীরা। বাকি টাকা অর্থাৎ মোট টাকার ৪০ শতাংশ বছর বছর পাবেন। এই স্কিম শুধুমাত্র বয়স্ক মানুষদের জন্যই উপযোগী। ৩. পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (PPF) সেভিং কাম ট্যাক্স সেভিং বিনিয়োগ PPF। এই ক্ষুদ্র সঞ্চয় স্কিমে বিনিয়োগকারী একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ১৫ বছরের জন্য জমা করতে পারেন। যা পরে চাইলে আরও পাঁচ বছরের জন্য বাড়ানো যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রতি বছরে ৭.১ শতাংশ সুদ পাওয়া যাবে। আয়কর আইনের ৮০C ধারা অনুযায়ী, প্রতি বছর যে পরিমাণ টাকা জমা হবে তাতে ট্যাক্সেও মিলবে ছাড়। ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমিয়ে নেওয়ার জন্য এই স্কিম অত্যন্ত সুবিধা দেয়। প্রতি বছর দেড় লক্ষ টাকা জমালে হিসেব বলছে ১৫ বছর পর ৪০ লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে। ৪. সিনিয়র সিটিজন সেভিং স্কিম এই স্কিমে ৬০ বছরের উপরের মানুষজন ব্যক্তিগত ভাবে বা জয়েন্টে সর্বাধিক ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারেন। প্রাথমিক ভাবে এই স্কিমে পাঁচ বছরের জন্য টাকা রাখা যেতে পারে। প্রয়োজনে পরে একবারই তিন বছরের জন্য বাড়ানো যেতে পারে। সিনিয়র সিটিজন সেভিং স্কিম বা SCSS স্কিমে বছরে ৭.৪ শতাংশ সুদ পাওয়া যাবে যা তিন মাস অন্তর ক্রেডিট হবে। মোট পাওয়া সুদের মধ্যে থেকে ৫০ হাজার টাকা এককালীন কোনও বিনিয়োগকারী তুলতে পারবেন। ৫. ন্যাশনাল সেভিং সার্টিফিকেট ন্যাশনাল সেভিং স্কিম বা NSC স্কিমে কোনও ব্যক্তি বছরে সর্বাধিক দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারেন। এই স্কিমে পাঁচ বছর পর ম্যাচিওর হবে মূল টাকা। তা ছাড়াও, এই টাকা থেকে পাওয়া সুদ দিয়ে আবারও এই স্কিমে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। তবে, কোনও স্কিম বেছে নেওয়ার আগে অবশ্যই তার সম্পর্কে বিশদে জেনে নেওয়া ভালো। না জেনে কোনও খাতেই টাকা বিনিয়োগ ঠিক নয়।

Published by:Akash Misra
First published: