O2C ব্যবসাকে স্বাধীন সাবসিডিয়ারি হিসেবে ঘোষণা Reliance-এর!

O2C ব্যবসাকে স্বাধীন সাবসিডিয়ারি হিসেবে ঘোষণা Reliance-এর!

রি-অর্গানাইজেশন প্রক্রিয়ার জন্য ইতিমধ্যেই সিকিওরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া (SEBI) এবং স্টক এক্সচেঞ্জেস থেকে ইঙ্গিত পেয়ে

রি-অর্গানাইজেশন প্রক্রিয়ার জন্য ইতিমধ্যেই সিকিওরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া (SEBI) এবং স্টক এক্সচেঞ্জেস থেকে ইঙ্গিত পেয়ে

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: এবার ওয়েল-টু-কেমিকেলস (O2C) ব্যবসাকে একটি আলাদা ও স্বাধীন সাবসিডিয়ারির তকমা দেওয়া হল। সম্প্রতি এক ঘোষণায় এমনই জানানো হয়েছে মূল সংস্থা Reliance Industries Limited-এর তরফে। তবে নতুন সাবসিডিয়ারির উপর ১০০ শতাংশ ম্যানেজমেন্ট কন্ট্রোল থাকবে বলে জানিয়েছে RIL।

    এক বিবৃতিতে RIL-এর তরফে জানানো হয়েছে, পুরো রি-অর্গানাইজেশনের কাজ হয়ে যাওয়ার পর নতুন O2C সাবসিডিয়ারির ৪৯.১ শতাংশ স্টেক থাকবে প্রোমোটার গ্রুপের হাতে। তবে মূল সংস্থার শেয়ারে কোনও পরিবর্তন আসবে না। যথাসময়ে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে O2C সাবসিডিয়ারিকে রিফাইনিং, মার্কেটিং ও পেট্রোকেমিকেল পণ্য-সহ যাবতীয় বিষয় হস্তান্তরিত করা হবে। এক্ষেত্রে Saudi Aramco-এর গাঁটছড়া বাঁধার প্রসঙ্গও উঠে আসছে।

    RIL-এর তরফে জানানো হয়েছে, এই রি-অর্গানাইজেশন প্রক্রিয়ার জন্য ইতিমধ্যেই সিকিওরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া (SEBI) এবং স্টক এক্সচেঞ্জেস থেকে ইঙ্গিত পেয়ে গিয়েছে সংস্থা। তবে ইক্যুইটি শেয়ার হোল্ডার ও ক্রেডিটরদের থেকে এখনও সম্পূর্ণ ছাড়পত্র পাওয়া যায়নি। একই অবস্থা মুম্বই ও আহমেদাবাদের ন্যাশনাল কম্পানি ল' ট্রাইবুনাল (National Company Law Tribunal) বেঞ্চের ক্ষেত্রেও। Reliance-এর তরফে আশা করা হয়েছে, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২২ সালের দ্বিতীয় কোয়ার্টারের মধ্যেই এই রি-অর্গানাইজেশন প্রক্রিয়ার যাবতীয় অনুমোদন মিলে যাবে।

    প্রসঙ্গত, এই রি-অর্গানাইজেশন প্রক্রিয়ার সূত্র ধরে Reliance Retail Venture-এ RIL-এর স্টেকের পরিমাণ হবে ৮৫.১ শতাংশ। অন্য দিকে Jio প্ল্যাটফর্মে RIL-এর স্টেকের পরিমাণ হবে ৬৭.৩ শতাংশ। এক্ষেত্রে প্রস্তাবিত O2C সাবসিডিয়ারির মধ্যেই থাকবে ফুয়েল রিটেল সাবসিডিয়ারি (Fuel Retail Subsidiary)। আর এই ফুয়েল রিটেল সাবসিডিয়ারিতে RIL-এর স্টেকের পরিমাণ হবে ৫১ শতাংশ। আর বাকি ৪৯ শতাংশ শেয়ার থাকবে BP plc-এর হাতে। এক্ষেত্রে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে একসঙ্গে কাজ করবে RIL ও O2C সাবসিডিয়ারি। সেই সূত্র ধরে নেক্সট জেনারেশন কার্বন ক্যাপচার ও স্টোরেজ টেকনোলজির উপরে বিনিয়োগ করবে O2C সাবসিডিয়ারি। যার সাহায্যে কার্বন ডাই অক্সাইডকে ব্যবহারযোগ্য কেমিকেল ও পণ্যে রূপান্তরিত করা যাবে।

    সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই পদক্ষেপ নিয়ে কোনও রকম দুশ্চিন্তার কারণ নেই। একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, সংস্থার কেন্দ্রীভূত অর্থনৈতিক অবস্থান, নগদ পুঁজি, ঋণ, ইনভেস্টমেন্ট-গ্রেড ইন্টারন্যাশনাল (Investment Grade International) স্কিম, অন্তর্দেশীয় তথা ডোমেস্টিক AAA ক্রেডিট রেটিংয়ের উপরে কোনও রকম প্রভাব ফেলবে না এই সিদ্ধান্ত। Morgan Stanley-র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ডিমার্জার বা ব্যবসা আলাদা করার পদক্ষেপের পিছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সংস্থার নগদীকরণের পাশাপাশি পুনর্নবীকরণোগ্য শক্তির ক্ষেত্রে একটি বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে।

    First published:

    লেটেস্ট খবর