Home /News /business /
Home Loan: গৃহঋণ নিয়ে আরবিআইয়ের নয়া ঘোষণা, বাড়ির ক্রেতাদের উপর কী প্রভাব পড়বে?

Home Loan: গৃহঋণ নিয়ে আরবিআইয়ের নয়া ঘোষণা, বাড়ির ক্রেতাদের উপর কী প্রভাব পড়বে?

প্রতীকী ছবি৷

প্রতীকী ছবি৷

হোম লোনে এক বছরের জন্য লো রিস্ক ওয়েট বাড়ানোর ঘোষণাও করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: করোনার ধাক্কা সামলে উঠছে দেশ। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ মরার উপরে ঘাঁড়ার ঘা-এর মতো নেমে এসেছে। তাই অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়ানোর আরেকটু সময় দিতে ১১ দফাতেও রেপো রেট এবং রিভার্স রেপো রেটে কোনও বদল আনেনি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। রেপো রেট ৪ শতাংশ এবং রিভার্স রেপো রেট ৩.৩৫ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এর সঙ্গে হোম লোনে এক বছরের জন্য লো রিস্ক ওয়েট বাড়ানোর ঘোষণাও করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই সিদ্ধান্তের ফলে রিয়েল এস্টেট সেক্টরে ঋণের প্রবাহ বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আরবিআই গভর্নর শক্তিকান্ত দাস মুদ্রানীতি ঘোষণা করার সময় বলেছেন, ২০২৩-এর ৩১ মার্চ পর্যন্ত লো রিস্ক ওয়েট বাড়ানো হল। এর ফলে হোম লোন সেগমেন্টের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বাড়ির ক্রেতারাও স্বস্তি পাবেন।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই বানিয়ে ফেললেন Electric Car, মাত্র ৫ টাকায় যাওয়া যাবে ৬০ কিলোমিটার

সবচেয়ে বড় কথা হল, আরবিআই-এর এই সিদ্ধান্তে ব্যাঙ্কগুলির খরচ কমবে। ফলে গৃহঋণে সুদের হার বাড়বে না। যার ফলে কিস্তির পরিমাণও সাধ্যের মধ্যেই থাকবে। সাম্প্রতিক সময়ে ঋণের চাহিদা বেড়েছে। ফলে ব্যাঙ্কগুলিতে মূলধনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে বেশিরভাগ ব্যাঙ্কই স্থায়ী আমানতে উচ্চ হারে সুদ দিচ্ছে। যাতে বেশি সংখ্যক মানুষ স্থায়ী আমানতে টাকা রাখেন। যা দিয়ে ব্যাঙ্ক তার মূলধন ঘাটতি মেটাতে পারে। তবে ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার বাড়ায় ঋণ ব্যয়বহুল হওয়ার আশঙ্কা ছিল।

আরও পড়ুন: কার্ড ছাড়াই টাকা তোলা যাবে এটিএম থেকে, দেখে নিন টাকা তোলার পদ্ধতি

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই ঘোষণার ফলে সেই সমস্যা মিটল। ব্যাঙ্কগুলো আরও বেশি ঋণ দিতে পারবে। এর আগে ২০২০-র অক্টোবরে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক লো রিস্ক ওয়েটকে লোন টু ভ্যালুর সঙ্গে যুক্ত করেছিল। যাতে ঋণ এবং ঝুঁকির ভারসাম্য থাকে। ২০২২-এর ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই ব্যবস্থার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এখন সেটাই এক বছরের জন্য বাড়িয়ে ২০২৩-এর ৩১ মার্চ পর্যন্ত করা হল। এর ফলে ব্যাঙ্কগুলোর কাছে পর্যাপ্ত মূলধন মজুত থাকবে। ফলে আরও বেশি ঋণ দেওয়া যাবে।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের মার্চ মাসে দেশে আছড়ে পড়েছিল করোনা। সংক্রমণ রুখতে জারি করা হয় লকডাউন। এর জেরে গোটা দেশই অর্থনীতি থমকে যায়। তা সামাল দিতে রেপো রেট ১১৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে দেওয়া হয়। সেই সময় মুদ্রাস্ফীতি ও নগদ অর্থের জোগানে ভারসাম্য বজায় রাখতে রেপো রেট ও রিভার্স রেপো রেট যথাক্রমে ৪ শতাংশ ও ৩.৩৫ শতাংশে কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকে প্রতি ত্রৈমাসিকেই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মনিটরি পলিসি কমিটি বৈঠকে বসলেও রেপো রেট ও রিভার্স রেপো রেট অপরিবর্তিতই রাখা হচ্ছে।

Published by:Debamoy Ghosh
First published:

পরবর্তী খবর