স্থগিত করা হল ভারত-পাক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, এর জেরে কী প্রভাব পড়তে চলেছে ?

স্থগিত করা হল ভারত-পাক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, এর জেরে কী প্রভাব পড়তে চলেছে ?

মোদি সরকারের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তকেই হাতিয়ার করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইস্যু করতে চাইছে পাকিস্তান।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: কাশ্মীর থেকে খারিজ ৩৭০। মোদি সরকারের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তকেই হাতিয়ার করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইস্যু করতে চাইছে পাকিস্তান। কূটনৈতিক মহলের দাবি, এই হাতিয়ারে বাড়াতে চাইছে দিল্লির উপর চাপ। কৌশল হিসেবে প্রাথমিক ভাবে, ইসলামাবাদ ছাড়তে বলা হল ভারতীয় হাই কমিশনারকে। আপাতত স্থগিত করা হল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য।

কাশ্মীর থেকে বিশেষ মর্যাদা খারিজ হতেই মঙ্গলবার পাক সংসদে দাঁড়িয়ে মঙ্গলবার এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পাক জাতীয় নিরাপত্তা কমিটিকে ডেকে কাশ্মীর থেকে তিনশো সত্তর প্রত্যাহারে দিল্লির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করল পাক সরকার। কূটনৈতিক মহলের দাবি, উপত্যকায় কেন্দ্রীয় শাসনে স্বাভাবিক ভাবেই চাপে ইসলামাবাদ। এই চাপ কাটাতে পাল্টা কৌশল হিসেবে মোদি সরকারের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তকেই এখন আন্তর্জাতিক ইস্যু করতে মরিয়া ইসলামাবাদ। তার প্রাথমিক কৌশল হিসেবে তড়িঘড়ি কিছু সিদ্ধান্ত পাক সরকারের।

কিন্তু এই সিদ্ধান্তের জেরে কী হতে চলেছে ?

২০১৮-১৯ জুলাই-জানুয়ারির মধ্যে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে সামান্য বৃদ্ধি হয়েছিল (১.১২২ কোটি ) ৷ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ৭৯.৩৩ শতাংশ হয়েছে পাকিস্তানে ভারতীয় রফতানি থেকে ৷ এই মুহূর্তে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা অনেকটাই কম ৷ ২০১৬-১৬ সালে ভারত মোট ৬৪১ কোটি ডলারের ব্যবসা করেছিল ৷ যেখানে পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যবসা করেছিল মাত্র ২.৬৭ কোটি ডলারের ৷ অন্যদিকে পাকিস্তান থেকে ভারতের আমদানি ৫০ কোটি ডলারেরও কম ৷ এটি ভারতে মোট আমদানির মাত্র ০.১৩ শতাংশ ৷

ভারত পাকিস্তানে চিনি, চা, অয়েল কেক, পেট্রোলিয়াম অয়েল, কটন, টায়ার, রবার-,সহ ১৪ রকমের জিনিস এক্সপোর্ট করে থাকে ৷ অন্যদিকে ভারত পাকিস্তান থেকে ১৯ রকমের জিনিস যেমন আম, আনারস, ফেব্রিক কটন, সাইক্লিক হাইড্রোকার্বন, পেট্রোলিয়াম গ্যাস, পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট ইমপোর্ট করে থাকে ৷

পুলওয়ামা হামলার পর পাকিস্তানে এক্সপোর্ট করা জিনিসের উপর বেসিক কাস্টম ডিউটি ২০০ শতাংশ বাড়িয়ে দিয়েছিল ৷ এর জেরে আমদানিও অনেকটাই কমে যায় ৷

পাকিস্তান থেকে ভারতের আমদানি ৯২ শতাংশ কমে ২৮.৪ লক্ষ ডলার হয়ে গিয়েছে ৷ মার্চ ২০১৮ সালে যা ৩.৪৬ কোটি ডলার ছিল ৷ আর্থিক বছর ২০১৮-১৯ সালেপাকিস্তান থেকে আমদানি ৪৭ শতাংশ কমে ৫.৩৬ কোটি ডলার হয়েছে ৷ ভারতের এক্সপোর্টও মার্চে প্রায় ৩২ শতাংশ কম ১৭.১৩ কোটি ডলার হয়েছে ৷

First published: August 8, 2019, 9:10 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर