Home /News /business /
Bank Fraud: গত সাত বছরে দেশে প্রতিদিন ১০০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতি! শীর্ষে কোন রাজ্য?

Bank Fraud: গত সাত বছরে দেশে প্রতিদিন ১০০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতি! শীর্ষে কোন রাজ্য?

ব্যাঙ্ক প্রতারণা নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করল আরবিআই৷

ব্যাঙ্ক প্রতারণা নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করল আরবিআই৷

আরবিআই-এর প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারি এবং জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে মহারাষ্ট্রে (Bank Fraud)।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: বহু চেষ্টা করেও রোখা যাচ্ছে না ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারি (Bank Fraud)। গত সাত বছরে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকার জালিয়াতির শিকার হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি (Banks)। এমনই বিস্ফোরক তথ্য সামনে এনেছে রিজার্ভ ব্যঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

    আরবিআই-এর (RBI) প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারি এবং জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে মহারাষ্ট্রে। সারা দেশে ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারির ৫০ শতাংশই এই রাজ্যে। উল্লেখ্য, মহারাষ্ট্রেই দেশের আর্থিক রাজধানী মুম্বই অবস্থিত। আর দু’নম্বরে রয়েছে দেশের রাজধানী দিল্লি। তারপর সবচেয়ে বেশি ব্যাঙ্ক জালিয়াতি হয়েছে তেলঙ্গানা, গুজরাত এবং তামিলনাড়ুতে।

    আরও পড়ুন: ১১ ক্রিপ্টোকারেন্সির বিরুদ্ধে কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ, দেখুন কত টাকা আদায় করল কেন্দ্র!

    আরবিআই-এর রিপোর্টে ব্যাঙ্ক প্রতারণার ঘটনাগুলিকে মোট আটটি বিভগে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। সেগুলি হল তহবিলের অপব্যবহার এবং অপরাধমূলক বিশ্বাস লঙ্ঘন, জাল নথিপত্রের মাধ্যমে প্রতারণা, হিসাবের তথ্যে কারসাজি বা কাল্পনিক হিসাবের মাধ্যমে বেআইনি ভাবে সম্পত্তির রূপান্তর, নিয়ম ভেঙে ঋণের সুবিধা পাওয়া, অবহেলা এবং নগদ ঘাটতি, ব্যাঙ্ক জালিয়াতি, বিদেশি মুদ্রার লেনদেনে অনিয়ম এবং অন্য বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা।

    জানা গিয়েছে, ২০১৫-র ১ এপ্রিল থেকে ২০২১-এর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি মোট আড়াই লক্ষ কোটি টাকা প্রতারণার শিকার হয়েছে। তার ৮৩ শতাংশই (টাকার অঙ্কে প্রায় ২ লক্ষ কোটি) ঘটেছে ওই পাঁচটি রাজ্যে। অর্থাৎ আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ রাজ্যগুলিতেই ব্যাঙ্ক প্রতারণার ঘটনা বেশি ঘটছে। শীর্ষ ব্যাঙ্কের রিপোর্ট বলছে, ওই প্রতারণার ঘটনাগুলির অধিকাংশের কারণই, নিয়ম ভেঙে দেওয়া ঋণ।

    আরও পড়ুন: সরকারের কর্মীদের জন্য বিশাল খুশির খবর! এই মাসেই বেতনের সঙ্গে ৫৮,০৩৮ টাকার এরিয়ার পাবেন

    আরবিআই-এর দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে দেখা যাচ্ছে, ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ৬৭,৭৬০ কোটি টাকার জালিয়াতি হয়েছে। তার পরের বছর অর্থাৎ ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে সেটা ৫৯,৯৬৬.৪ কোটিতে নেমে আসে। ২০১৯-২০তে ২৭,৬৯৮.৪ কোটির জালিয়াতি হয়। ২০২০-২১ অর্থাৎ করোনা অতিমারীর সময় শিল্প এবং ব্যবসা পরিস্থিতি কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ে। তবে জালিয়াতি বন্ধ হয়নি। সে বছর ১০,৬৯৯.৯ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি হয়েছে। এমনকী চলতি অর্থবর্ষের (২০২১-২২) প্রথম ৯ মাসে (এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর) ৬৪৭.৯ কোটি টাকার জালিয়াতি ধরা পড়েছে।

    ব্যাঙ্ক প্রতারণা রুখতে মোদি সরকার বার বার নজরদারি বাড়ানোর কথা বলেছে। কিন্তু এই পরিসংখ্যান চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, সেই নজরদারিতে আদৌ কোনও লাভ হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, বহু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি জামানত ছাড়াই বড় অঙ্কের ঋণ মঞ্জুর করে দেয়। পরবর্তীকালে সেই ঋণগ্রহীতা টাকা না মেটালে তা আদায় করা অসুবিধাজনক হয়ে ওঠে। অবিলম্বে এই বিপুল অঙ্কের প্রতারণা আটকাতে না পারলে ভবিষ্যতে বড় বিপর্যয় দেখা দিতে পারে বলে মত তাঁদের।

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published:

    Tags: Bank Fraud, RBI

    পরবর্তী খবর