• Home
  • »
  • News
  • »
  • business
  • »
  • কন্ডোম থেকে রোলিং পেপার, লকডাউনে দেশে সব চেয়ে বেশি অর্ডার করা হয়েছে এই পণ্যগুলি!

কন্ডোম থেকে রোলিং পেপার, লকডাউনে দেশে সব চেয়ে বেশি অর্ডার করা হয়েছে এই পণ্যগুলি!

একাধিক রিপোর্ট বলছে, লকডাউনের সময়ে কন্ডোম অর্ডার দেওয়ার পরিমাণ ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে।

একাধিক রিপোর্ট বলছে, লকডাউনের সময়ে কন্ডোম অর্ডার দেওয়ার পরিমাণ ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে।

একাধিক রিপোর্ট বলছে, লকডাউনের সময়ে কন্ডোম অর্ডার দেওয়ার পরিমাণ ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: যদি সাম্প্রতিক কিছু তথ্যে নজর দেওয়া যায়, তা হলে একটু অবাক হতে হবে। লকডাউনে করোনা আতঙ্ক ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেললেও, মানুষজন খুব একটা তোয়াক্কা করেননি। কারণ হয় তাঁরা সঙ্গী বা সঙ্গীনির সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হয়েছেন, নয় তো অধিকাংশ সময় নেশা বা ধূমপান করে কেটেছে! পণ্য সরবরাহকারী ওয়েবসাইট Dunzo-এর এক সমীক্ষায় সম্প্রতি এমনই তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, লকডাউনে দেশের অধিকাংশ শহরের মানুষজনই সব চেয়ে বেশি অর্ডার দিয়েছেন কন্ডোমের। এর পর তালিকায় রয়েছে রোলিং পেপার।

এক কথায় বলতে গেলে, করোনাকালে প্রত্যেক ভারতবাসীই যেন অধিক সচেতন হয়ে উঠেছেন। একাধিক রিপোর্ট বলছে, লকডাউনের সময়ে কন্ডোম অর্ডার দেওয়ার পরিমাণ ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে। মুম্বই ও বেঙ্গালুরুর মতো শহরগুলিকে রাতের থেকে দিনের বেলাতেই তুলনামূলক ভাবে প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে কন্ডোম অর্ডার দেওয়ার পরিমাণ। এ ক্ষেত্রে হায়দরাবাদে ছয় গুণ এবং চেন্নাই ও জয়পুরে যথাক্রমে পাঁচগুণ ও চারগুণ করে বেড়েছে কন্ডোম অর্ডার দেওয়ার পরিমাণ।

কন্ডোমের পাশাপাশি আই পিলস, প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট-সহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক জিনিসগুলির অর্ডার দেওয়ার পরিমাণও বেড়েছে। এ ক্ষেত্রে বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, পুণে, গুরগাঁও ও দিল্লি থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কনট্রাসেপটিভ পিলের অর্ডার এসেছে। অন্য দিকে, সব চেয়ে বেশি হোম প্রেগনেন্সি টেস্ট কিটের অর্ডার দিয়েছে জয়পুর।

তবে কন্ডোম ছাড়া অন্যান্য জিনিসেরও ক্রমবর্ধমান চাহিদা লক্ষ্য করা গিয়েছে। দেশের একাধিক শহরে ব্যাপক মাত্রায় অর্ডার দেওয়া হয়েছে রোলিং পেপার। গাঁজা মিশিয়ে জয়েন্টে সুখটান, সিগারেট হোক বা খুচরো অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্য মিশিয়ে নানা রকমের নেশার কারণে বেড়েছে রোলিং পেপার অর্ডার দেওয়ার পরিমাণ। তবে এই প্রতিযোগিতায় অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে বেঙ্গালুরু। চেন্নাইয়ের থেকে ২২ গুণ বেশি পরিমাণ রোলিং পেপারের অর্ডার দিয়েছে বেঙ্গালুরু।

যদি খাবারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়, তা হলে শহর বিশেষে বদলেছে ডিশ অর্ডারের ধরনও। এ ক্ষেত্রে গুরগাঁওতে সব চেয়ে বেশি অর্ডার করা হয়েছে আলু টিক্কি বার্গার। অন্য দিকে, মুম্বইয়ের মানুষজন সব চেয়ে বেশি পরিমাণে ডাল খিচড়ি আর ম্যাগি অর্ডার করেছেন। বেঙ্গালুরুতে আবার মোস্ট অর্ডারড ডিশ ছিল চিকেন বিরিয়ানি। এ নিয়ে ফুড ডেলিভারি অ্যাপ সুইগির (Swiggy) পরিচালিত এক সমীক্ষায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। তথ্য বলছে, ২০২০ জুড়ে কয়েক রকমের বিরিয়ানির অর্ডার অবিশ্বাস্য হারে বেড়েছে। দেশে সর্বাধিক অর্ডার করা খাবারের তালিকার শীর্ষে রয়েছে এই ডিশ। এর পাশাপাশি বাড়ির তৈরি খাবারের চাহিদাও বেড়েছে।

Swiggy পরিচালিত পঞ্চম বর্ষের 'StatEATstics'-সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, তিন লক্ষের বেশি ব্যবহারকারী বিরিয়ানি অর্ডার দেওয়ার মাধ্যমেই Swiggy অ্যাপে ডেবিউ করেছেন। সমীক্ষা সূত্রে জানা গিয়েছে, বছরের শুরুর দিকে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে কাজ করার জায়গা বা ওয়ার্ক অ্যাড্রেসের থেকে পাঁচগুণ বেশি বার বাড়ির ঠিকানায় খাবার ডেলিভারি করা হয়েছে। এপ্রিল-মে মাসে এটি নয় গুণ পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছে। এর থেকে সহজেই বোঝা যায়, লকডাউনের সময় কী হারে বেড়েছে খাবার ডেলিভারির পরিমাণ!

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: