বাণিজ্যে বসতে বন্দর! ২৫ হাজার কোটির মউ চুক্তিতে নয়া নজির কলকাতার 

বাণিজ্যে বসতে বন্দর! ২৫ হাজার কোটির মউ চুক্তিতে নয়া নজির কলকাতার 

প্রতীকী ছবি৷ Photo-File/Reuters (Rupak De)

আগামী ২ মার্চ থেকে শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়ান মেরিটাইম সামিট। যার উদ্বোধন করবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • Share this:

#কলকাতা: বন্দরের হাত ধরেই ব্যবসা ফিরছে এই রাজ্যে। ইন্ডিয়ান মেরিটাইম সামিটের আগেই হয়ে গেল ২৫ হাজার কোটি টাকার মউ স্বাক্ষর। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করল একাধিক ক্ষেত্রের উদ্যোগীরা।

আগামী ২ মার্চ থেকে শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়ান মেরিটাইম সামিট। যার উদ্বোধন করবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সামিট শুরু হওয়ার আগেই রেলওয়ে ফ্রেট করিডর, শিপ টু শিপ এলএনজি ট্রান্সলোডিং, অন্তর্দেশীয় জলপথে এলপিজি পরিবহণ সহ বিভিন্ন পরিষেবার জন্য় মোট ৩৫টি সংস্থার সঙ্গে এই মউ স্বাক্ষর করল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর। যার আনুমানিক মুল্য প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা।

করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই মউ চুক্তি সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় অঙ্কের বলে জানাচ্ছেন আধিকারিকরা। আগামী ২ মার্চ থেকে তিন দিন ধরে চলবে ইন্ডিয়ান মেরিটাইম সামিট। নৌ-বাণিজ্যের এই আন্তর্জাতিক মানের সম্মেলন থেকে বন্দরের ব্যবসা ধরতে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিভিন্ন বন্দর সহ বিভিন্ন সংস্থা। পিছিয়ে নেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর। কলকাতা ও হলদিয়া দুই টার্মিনাল। উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুব্যবস্থা। জাতীয় জলপথ ১ চালু হয়ে যাওয়ায় গঙ্গার দু'-প্রান্তে পণ্য পরিবহণের সুব্যবস্থা রয়েছে। এত কিছু সুবিধাকে মাথায় রেখেই বাজার ধরতে ঝাঁপিয়ে পড়ল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর। উল্লেখযোগ্য ভাবে যে সব মউ স্বাক্ষর হয়েছে তার মধ্যে আছে, হলদিয়ার কুকড়াহাটিতে তৈরি হতে চলেছে একটি এলএনজি টার্মিনাল ও একটি জেটি। যার জন্য হিরানন্দানি গোষ্ঠী ৩৯০০ কোটি টাকার চুক্তি করেছে।

ভারত পেট্রোলিয়ামের ১৫০০ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে শিপ টু শিপ এলএনজি ট্রান্সলোডিংয়ের জন্য। এছাড়া এন ডব্লিউ ১ ধরে সাহেবগঞ্জ ও মনহারি পর্যন্ত এলপিজি পরিবহণের জন্যে ১৫০০ কোটির চুক্তি হয়েছে৷ এছাড়া বন্দরে পণ্য পরিবহণের গতি বাড়াতে ডানকুনিতে হচ্ছে ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর। যার জন্য প্রায় ৬০০ কোটির মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। খিদিরপুরে জাহাজ সারাইয়ের জন্যে গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্সের সঙ্গে ৩০০ কোটির মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে৷ বন্দর চেয়ারম্যান বিনীত কুমার জানিয়েছেন, অবস্থানগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর। উত্তর-পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে এই বন্দর গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা এই সম্মেলন থেকে গত বারের তুলনায় বেশি ব্যবসা আশা করছি।

Abir Ghosal

Published by:Debamoy Ghosh
First published:
0