Home /News /business /
Real estate investment risks: বিনিয়োগ হিসাবে বাড়ি কিনতে চান? এই ঝুঁকিগুলি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে হবে!

Real estate investment risks: বিনিয়োগ হিসাবে বাড়ি কিনতে চান? এই ঝুঁকিগুলি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে হবে!

প্রতীকী ছবি৷

প্রতীকী ছবি৷

অনেকেই রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করার কথাও ভাবছেন। তাই আবাসন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ঝুঁকির বিষয়গুলোও মাথায় রাখতে হবে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ভারতে বিনিয়োগের জনপ্রিয় মাধ্যম রিয়েল এস্টেট। অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর পোর্টফোলিওতেই দেখা যায়, হয় তাঁরা মোটা টাকা রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করে ফেলেছেন অথবা বিনিয়োগ হিসেবে বাড়ি কেনাকে উচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকায় রেখেছেন তাঁরা।

এটা আশ্চর্যের কিছু নয়। আরবিআই হাউসহোল্ড ফিনান্স কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৮৪ শতাংশ বিনিয়োগকারী হাইজিং প্রোজেক্টে অর্থ লগ্নি করেছেন। ২০১৭ সালের শেষ দিক থেকে এই প্রবণতা বেড়েছে। আসলে ঝাঁ চকচকে ওয়েল ফার্নিশড অ্যাপার্টমেন্টগুলো সাধারণ ভারতীয় বিনিয়োগকারীর জীবনে বলিউডের ছোঁয়া এনে দেয়।

করোনা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে অর্থনীতি। বাজারে বিনিয়োগও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করার কথাও ভাবছেন। তাই আবাসন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ঝুঁকির বিষয়গুলোও মাথায় রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: ফ্ল্যাটের পজেশন পেতে দেরি, বন্ধ হয়ে গিয়েছে কাজ? ক্রেতাদের সামনে খোলা যে রাস্তাগুলি

সব ডিম এক ঝুড়িতে নয়: রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ লাভজনক। বড় অঙ্কের টাকা মুনাফা পাওয়া যায়। তাই বলে লগ্নির পুরো টাকাটাই রিয়েল এস্টেটে ঢেলে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। মাথায় রাখতে হবে, গত প্রায় এক দশক ধরে মন্দার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে আবাসন শিল্প। তার ক্ষতিও বিনিয়োগকারীদের পোষাতে হয়েছে। আবার যদি তেমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তার ধাক্কা সামলাতে অন্যান্য ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করাটাও জরুরী।

লিকুইডিটি: বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীই এই ঝুঁকি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তাই রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করতে চাইলে এই বিষয়ে আগেভাগে সতর্ক হতে হবে। আবাসন শিল্পে বিনিয়োগ করা হয় ভবিষ্যতে সেটা বেচে লাভ পাওয়ার জন্য। এখন যদি বিনিয়োগকারীর কাছে কোনও অ্যাপার্টমেন্ট, বাড়ি, জমি, দোকান ইত্যাদি থাকে তাহলে নির্দিষ্ট সময় পর সেটা কীভাবে বিক্রি করা হবে তা নিশ্চিত করতে হবে। সেটা না হলে একটি ‘প্ল্যান বি’ থাকা জরুরি।

মূল্য কত হবে: সাধারণত বাজারে বিনিয়োগ করলে কত শতাংশ রিটার্ন পাওয়া যাবে তা মোটামুটি আগেই নির্ধারিত থাকে। কিন্তু রিয়েল এস্টেটের ক্ষেত্রে তা হয় না। সেই এলাকায় অন্যান্য সাম্প্রতিক লেনদেনের ভিত্তিতে তা অনুমান করা যেতে পারে মাত্র। কিন্তু এই অনুমান সবসময় ঠিক নাও হতে পারে। তাই এই নিয়ে আগাম পরিকল্পনা ছকে রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: কীভাবে ক্রিপ্টোতে বিনিয়োগ করে লাভ করছেন ভারতীয়রা? দেখে নিন একনজরে!

কত বছরের পুরনো: সাধারণত ১৫-২০ বছর আগেও লোকজন এই নিয়ে মাথা ঘামাত না। কিন্তু ইদানীং আবাসন শিল্পে বেশ কিছু দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে। ফলে প্রজেক্টের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তাই দশ বছরের পুরনো বাড়ি হলেই সেগুলোকে বাতিলের খাতায় ফেলে দিচ্ছেন গ্রাহকরা। তাই আশপাশে যদি নতুন বিল্ডিংয়ের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকে তাহলে উচ্চ মানের হলেও ১০-১৫ বছরের পুরনো অ্যাপার্টমেন্ট কিনতে চান না ক্রেতারা।

লুকনো খরচ: রক্ষণাবেক্ষণের খরচ তো আছেই। এটা সবাই জানে। কিন্তু এছাড়াও কিছু খরচ রয়েছে যা আপাতদৃষ্টিতে বোঝা যায় না। যেমন, প্রতিবার ভাড়াটে পরিবর্তন করার সময় বাড়ি রং করার জন্য মোটা টাকা ব্যয় করতে হয়। আবার নতুন ভাড়াটে খুঁজে পেতে কয়েক মাস সময় লাগে, সেই সময়টা কোনও আয় থাকে না। কোভিডকালে ভাড়াও অনেকটা কমে গিয়েছে। তাই রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগের আগে এই দিকগুলিও মাথায় রাখা জরুরি।

First published:

পরবর্তী খবর