হোম /খবর /ব্যবসা-বাণিজ্য /
কোন বয়সে বেতনের কতটা অংশ বিনিয়োগ করবেন? হিসেব জানলে ঘরে টাকা উপচে পড়বে!

Salary: কোন বয়সে বেতনের কতটা অংশ বিনিয়োগ করবেন? হিসেব জানলে ঘরে টাকা উপচে পড়বে!

অবশ্যই জানুন

অবশ্যই জানুন

Salary: এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের কুড়ির কোঠা থেকেই বিনিয়োগের কথা চিন্তাভাবনা করা উচিত।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: শুধু আয় করলেই হয় না। সুপরিকল্পিত ভাবে ব্যয় করা এবং টাকা জমানোর পরিকল্পনাটাও ছকে রাখতে হবে। এই প্রজন্ম বা জেন ওয়াই বোধহয় অবসরের পরে বেশ আর্থিক ঝুঁকির মুখে পড়বে। এর কারণ হল স্টুডেন্ট লোন, চাকরির নিরাপত্তাহীনতা, কম আয় প্রভৃতিই হল এর মূল কারণ। তাই এখন থেকেই তাঁদের উচিত পর্যাপ্ত পরিমাণে টাকা বাঁচিয়ে চলা। আর সঠিক জায়গায় বিনিয়োগ করা।

    এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের কুড়ির কোঠা থেকেই বিনিয়োগের কথা চিন্তাভাবনা করা উচিত। ওই সময় অন্ততপক্ষে আয়ের ৫০ শতাংশ এবং মধ্য তিরিশ থেকে আয়ের ৪০ শতাংশ বিনিয়োগ করা উচিত। আসলে কুড়ির কোঠা থেকেই যদি এক জন বিনিয়োগ শুরু করেন, তা-হলে তাঁর বিনিয়োগের সুযোগ থাকবে প্রায় ৪০ বছর পর্যন্ত। যা এক সময় বড়সড় সেভিংস তৈরি করতে সাহায্য করবে। তাই এই বয়সে বেতন বা আয়ের ৫০ শতাংশ সঞ্চয় করতে হবে। আর সেভিংসের বাইরে হাতে পড়ে থাকা আয়ের অবশিষ্ট অংশের ৩০ ভাগ প্রয়োজনের জন্য রাখতে হবে। আর বাকি ২০ শতাংশ থাকবে শখ-সৌখিনতার জন্য।

    কোথায় কোথায় বিনিয়োগ করা যায়:

    ন্যাশনাল পেনশন স্কিম:

    পেনশন স্কিমে নিজের সঞ্চয়ের ১০ শতাংশ রাখা যেতে পারে। এই স্কিম চালায় কেন্দ্রীয় সরকার। এনপিএস স্কিমের আওতায় বিনিয়োগকারী দুই বার কর সংক্রান্ত সুবিধা পেয়ে থাকেন। এনপিএস-এর ৬০ শতাংশই ট্যাক্স-ফ্রি। যার ফলে অবসরকালীন সময়ে বড়সড় পরিমাণ টাকা পাওয়া সম্ভব।

    বিমা:

    সেভিংস-এর ২০ শতাংশ বিমায় খাটাতে হবে। ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তার জন্যও পরিকল্পনা ছকে রাখা বাঞ্ছনীয়। তাই বয়স কুড়ির কোঠায় থাকতে থাকতেই একটা বিমা কভার নিয়ে রাখা জরুরি।

    আরও পড়ুন: টাকার জন্য সংসার টানতে নাভিশ্বাস? ৫০/৩০/২০-র নিয়ম মেনে চললেই মুশকিল আসান!

    মিউচুয়াল ফান্ড:

    বাকি ৩০ শতাংশ মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা উচিত। এ-ক্ষেত্রে প্যাসিভ ফান্ডই সব থেকে ভাল। অ্যাক্টিভ ফান্ডে আবার এএমসি চার্জ লাগে।

    আরও পড়ুন: 'একবার ঠকেছি, আর নয়', অভিষেকের উদ্দেশ্যে দিলীপের বার্তা, 'অনেক দেরি হয়ে গেছে'!

    বিনিয়োগ:

    বাকি ২০ শতাংশ সেভিংস রাখা উচিত ফিক্সড রিটার্ন ইনস্ট্রুমেন্টে। এগুলো কোনও ডেট ফান্ডও হতে পারে, আবার ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট এমনকী ফিক্সড ডিপোজিট কিংবা রেকারিং ডিপোজিটও হতে পারে।

    স্টক:

    আর বাকি থাকা শেষ ২০ শতাংশ রাখা যেতে পারে কোনও লিক্যুইড ফান্ড অথবা ব্লু-চিপ স্টকে। এটা হবে এমার্জেন্সি ফান্ড। কোনও জরুরিকালীন অবস্থায় এটা কাজে লাগবে।

    First published:

    Tags: Investment, Salary