কোন স্কিমে ইনভেস্ট করলে ট্যাক্স ছাড়ের পাশাপাশি মিলবে বেশি রিটার্ন, দেখে নিন...

দেখুন কোন কোন খাতে সঞ্চয় নিশ্চিন্ত।

দেখুন কোন কোন খাতে সঞ্চয় নিশ্চিন্ত।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: সঞ্চয় অনেকেই করেন কিন্তু প্রয়োজন বুঝে সঠিক সঞ্চয় প্রকল্প বাছাই করা অনেক সময় হয়ে ওঠে না । বিশেষত দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের সুরক্ষার কথা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে ভেবে চিন্তে। মনে রাখতে হবে, সঞ্চয় শুধুমাত্র আমার জমানো অর্থই নয়, সঞ্চয়ে ট্যাক্স ছাড় পাওয়া যায় বিপুল পরিমাণে। এই টাকার অঙ্ক বছরে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত যেতে পারে।

    আজ যে নবীন সঞ্চয় শুরু করেছেন, একদিন তিনি প্রবীণ হবেন কালের নিয়মে। কাজেই ভাবতে হবে টাকা ম্যাচিওর হলে যাতে ট্যাক্স-ফ্রি রিটার্ন পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে রিটায়ারমেন্ট ইনভেস্ট প্ল্যানটি বাছাই করতে হবে ভেবেচিন্তে।

    দেখুন কোন কোন খাতে সঞ্চয় নিশ্চিন্ত।

    ১ ইপিএফ

    ইপিএফ-এ একজন চাকুরিজীবি তাঁর মাইনের ১২% রাখেন। সংস্থার তরফে এর উপর সুদ দেওয়া হয়। প্রতি বছর সুদের পরিমাণ বাজার অনুযায়ী ঠিক করা হয়। ইপিএফ একটি ঝুঁকিহীন সঞ্চয়। একজন চাকরিজীবীকে এই সঞ্চয়ে জমা রাশির সাপেক্ষে কোনও কর দিতে হয় না।

    ২. ন্যাশনাল পেনশন স্কিম

    ১৮ থেকে ৬০বছর বয়সি যে কোনও ব্যক্তি এই যোজনায় টাকা রাখতে পারেন। পেনশন রেগুলারিটি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া- র এই প্রকল্পটিও ইনকাম ট্যাক্সের ৮০- তম ধারা অনুযায়ী ট্যাক্স ফ্রি। সঞ্চয়ের তিন বছরের মধ্যে টাকার একটা অংশ তোলাও যায়। ম্যাচিউরিটি পিরিয়ডকে প্রয়োজনে ১০বছর বাড়ানো যায়। সন্তানের শিক্ষা, বিবাহ বাড়ি করা- এই ধরনের প্রয়োজনে যে কেউ জরুরি ভিত্তিতে ২৫তাংশ টাকা তুলতে পারেন।

    ৩. ভলেন্টিয়ারি প্রভিডেন্ট ফান্ড

    এই ফান্ডের ক্ষেত্রে পিপিএফ অ্যাকাউন্টেই ১২% অতিরিক্ত টাকা জমা রাখা যায়। পাঁচ বছর লকিং পিরিওড থাকে এই টাকায়। তার আগে টাকা তুললে ট্যাক্স দিতে হয়। তবে এই মেয়াদ পেরিয়ে গেলে এই টাকা তোলার জন্য কোনও কর দিতে হয় না।

    ৪. পিপিএফ

    ইপিএফ বা ভিপিএফ যেমন চাকুরিজীবীদের জন্য তেমন যে কোনও ভারতীয় নাগরিক পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। অ্যাকাউন্টে টাকা রাখতে হয় ১৫ বছর। তবে মাঝপথে প্রয়োজন পড়লে টাকার একটা অংশ তুলে নেওয়া যায়।

    Published by:Dolon Chattopadhyay
    First published: