পোস্ট অফিসের এই স্কিমে দ্বিগুণ হবে টাকা, ২ লাখ দিলে মিলবে ৮ লাখ টাকা

এটি ভারত সরকারের ওয়ান টাইম ইনভেস্টমেন্টট স্কিম ৷ এখানে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টাকা রাখলে ম্যাচিউরিটির পর সেটা দ্বিগুণ হয়ে যাবে ৷

এটি ভারত সরকারের ওয়ান টাইম ইনভেস্টমেন্টট স্কিম ৷ এখানে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টাকা রাখলে ম্যাচিউরিটির পর সেটা দ্বিগুণ হয়ে যাবে ৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: সঠিক জায়গায় সঠিক সময় বিনিয়োগ করা অত্যন্ত জরুরি ৷ সাধারণত সেখানেই ইনভেস্ট করা উচিৎ যেখানে টাকা সুরক্ষিত থাকবে, সঙ্গে মিলবে ভাল রিটার্নও ৷ আপনিও যদি বেশি রিস্ক না নিয়ে ভাল রিটার্ন পেতে চান তাহলে আপনার জন্য দারুণ একটি স্কিম ৷ এখানে আপনার টাকা সুরক্ষিত থাকার পাশাপাশি ম্যাচিউরিটিতে হয়ে যাবে ডবল ৷ এটা হচ্ছে পোস্ট অফিসের কিষাণ বিকাশ পত্র স্কিম ৷

    এটি ভারত সরকারের ওয়ান টাইম ইনভেস্টমেন্টট স্কিম ৷ এখানে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টাকা রাখলে ম্যাচিউরিটির পর সেটা দ্বিগুণ হয়ে যাবে ৷ কিষাণ বিকাশ পত্র দেশের সমস্ত ডাকঘর ও ব্যাঙ্কে পাওয়া যায় ৷ এর ম্যাচিউরিটি পিরিয়ড ১২৪ মাস ৷ এখানে ন্যূনতম ১০০০ টাকার ইনভেস্ট করতে হয় ৷ অধিকতম ইনভেস্ট করার কোনও লিমিট নেই ৷ এই প্ল্যানটি বিশেষ করে কৃষকদের জন্য তৈরি করা হয়েছে যাতে দীর্ঘ সময়ের জন্য তারা সেভিংস করতে পারে ৷

    কে ইনভেস্ট করতে পারে এই প্ল্যানে ?

    কিষাণ বিকাশ পত্রে বিনিয়োগ করার জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর বয়স হতে হবে ৷ সিঙ্গল অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি জয়েন্ট অ্যাকাউন্টের সুবিধা রয়েছে ৷ এখানে বিনিযোগ করার জন্য ১০০০,৫০০০, ১০০০০ ও ৫০০০০ হাজার টাকার পর্যন্ত সার্টিফিকেট রয়েছে ৷

    KVP-তে ২০২১ প্রথম ত্রৈমাসিকে মিলছে ৬.৯ শতাংশ সুদ ৷ ১২৪ মাসে আপনার টাকা হয়ে যাবে ডবল ৷ আপনি ১ লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করলে ম্যাচিউরিটিতে ২ লক্ষ টাকা হয়ে যাবে ৷ যা রিটার্ন পাবেন তার উপর ট্যাক্স দিতে হবে ৷ এই স্কিমে টিডিএস কাটা হয় না ৷

    এক ডাকঘর থেকে অন্য ডাকঘরে KVP স্থানান্তরিত করা যেতে পারে ৷ কিষাণ বিকাশ পত্রে নমিনেশনের সুবিধা রয়েছে ৷ এখানে ইনভেস্ট করার জন্য আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, KVP আবেদন পত্র, ঠিকানার প্রমান পত্র ও বার্থ সার্টিফিকেটের দরকার পড়বে ৷

    Published by:Dolon Chattopadhyay
    First published: