দেশের শিল্পোত্‍দানের হার ৮ বছরে সবচেয়ে কম সেপ্টেম্বরে

দেশের শিল্পোত্‍দানের হার ৮ বছরে সবচেয়ে কম সেপ্টেম্বরে

বিশেষজ্ঞদের অনেকেই, অর্থনীতির এই বেহাল দশার পিছনে মোদি সরকারের নোট বাতিলের সিদ্ধান্তকে দায়ী করছেন।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: মোদি সরকারের তথ্যেই আবার স্পষ্ট হল দেশের অর্থনীতির বেহাল দশা। সেপ্টেম্বরে শিল্পোৎপাদনের হার আট বছরে সবচেয়ে কম। যা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। ধুঁকছে দেশের অর্থনীতি। মোদি সরকার অবশ্য দাবি করছে, অর্থনীতির ঘোড়া ছোটাতে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। কিন্তু, সরকারি তথ্যেই বার বার স্পষ্ট হচ্ছে, দেশের অর্থীনিতি ঝিমোচ্ছে। ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিক্যাল অফিসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শিল্পোৎপাদন কমে আট বছরে সবচেয়ে কম৷ সেপ্টেম্বরে শিল্পোৎপাদন সঙ্কোচনের হার নেমে চার দশমিক তিন শতাংশ৷

ভারী শিল্পের মূল যে আটটি ক্ষেত্র সেখানেও শিল্পোৎপাদনের হার কমেছে। কয়লা, অপরিশোধিত তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, রিফাইনারি সামগ্রী, সার, ইস্পাত, সিমেন্ট ও বিদ্যুৎ, এই আটটি ক্ষেত্রে৷ সেপ্টেম্বরে শিল্পোৎপাদন সঙ্কোচনের হার পাঁচ দশমিক দুই শতাংশ৷ শিল্পপতি অম্বরীশ দাশগুপ্তের কথায়, মন্দা বিশ্বব্যাপী চলছে। আমরা রফতানি বাড়াতে পারিনি। দেশীয় বাজারে গ্রাহকদের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। ফলে চাহিদা কমেছে। ফলে উৎপাদন কমেছে।

বিশেষজ্ঞদের অনেকেই, অর্থনীতির এই বেহাল দশার পিছনে মোদি সরকারের নোট বাতিলের সিদ্ধান্তকে দায়ী করছেন। অর্থনীতিবিদ অজিতাভ রায়চৌধুরীর বক্তব্য, নোটবাতিলের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারিনি৷ চট করে সমস্যা মিটবে না৷ এই ব্যাপক সঙ্কট বাংলা খানিকটা সামলাতে পেরেছে কারণ ক্ষুদ্র সিল্পে বাংলার জোর রয়েছে। ভারী শিল্পের উপর নির্ভর না করে ক্ষুদ্র সিল্পে আরও জোর দেওয়া উচিত। সেই মতো নীতি তৈরি করা উচিত। দক্ষতার মান বাড়াতে হগবে। শিক্ষা ও দক্ষতায় জোর দিতে হবে৷

অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, ভারী শিল্পের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পেও বাড়িতে জোর দেওয়া দরকার।

First published: 12:20:14 PM Nov 13, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर