• Home
  • »
  • News
  • »
  • business
  • »
  • HOW THESE FINANCIAL TIPS CAN HELP YOU TO MAKE THE MOST OF YOUR BUDGET IN NEXT YEAR DD TC

খরচ কমলেই আপনি মালামাল! এই ৬ উপায়েই আটকানো যায় অতিরিক্ত খরচের বহর!

Photo-File

একাধিক উপায় থাকছে আপনার হাতেই , খালি জেনে নিন

  • Share this:

#কলকাতা: খরচ কমিয়ে সঞ্চয়ের ঘরটি উপার্জিত অর্থ দিয়ে ভরিয়ে তুলতে কে না চান? কিন্তু চাইলেও তা সব সময়ে সম্ভব হয়ে ওঠে না সবার পক্ষে! কখনও বা এর পথে অন্তরায় হয়ে ওঠে স্বল্প উপার্জন, কখনও বা আবার খরচটা ঠিক কোথায় হচ্ছে হু-হু করে তা বুঝে ওঠাই দায় হয়! কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে খরচের এই বহরে রাশ টানা যেতে পারে খুব সহজেই! কেবল কঠোর ভাবে মেনে চলতে হবে ৬টি নিয়ম!

১. পরিকল্পনা হোক বাস্তবসম্মত খরচ যেহেতু একটি বাস্তবসম্মত ব্যাপার, তাই সে দিকে লক্ষ্য রেখে সঞ্চয়ের পরিকল্পনাও করতে হবে নিয়ম মেনে। এটা কখনই সম্ভব নয় যে উপার্জনের ৮০ শতাংশ বা নিদেনপক্ষে ৫০ শতাংশও জমিয়ে রাখা যাবে। তাই সবার আগে একটা বাস্তসম্মত সঞ্চয়ের পরিমাণ ঠিক করে নিতে হবে। এর পর মাসে মাসে সেই পরিমাণ টাকাটা জমানো খুব একটা সমস্যার হবে না!

২. সব খরচেরই হিসেব থাক কোন খাতে কত খরচ হচ্ছে, তার পুরো হিসেব আমরা অনেকেই রাখি না। কিন্তু বাজার খরচ, ইলেকট্রিকের বিল, নানা রকমের করের পাশাপাশি যদি যাতায়াত, বাইরে খাওয়া, ছবি দেখা, এমনকি একটা চকোলেট কেনার খরচও রোজ লিখে রাখা যায়, তা হলে পুরো ব্যাপারটা চোখের সামনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেই মতো অদরকারি খরচ কমিয়ে সঞ্চয়ের পরিমাণ বাড়ানো যায়!

৩. আপৎকালীন সঞ্চয় প্রয়োজন কখন দরজায় এসে কড়া নাড়ে, তার কোনও স্থিরতা নেই। তাই মাসে বেতন পাওয়া মাত্রই সেখান থেকে সবার আগে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা, তা সে যত সামান্যই হোক না কেন, আপৎকালীন সঞ্চয় হিসেবে আলাদা করে রাখতে হবে। তা হলেই আর দুশ্চিন্তায় পড়তে হবে না দরকারে!

৪. প্রয়োজন বুঝে খরচ করা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের প্রয়োজন বদলায়, জিনিসপত্রের দামও বেড়ে যায়। এই দুই দিক মাথায় রেখে অদরকারি জিনিস খরচের তালিকা থেকে একেবারে ছেঁটে ফেলতে হবে। তা হলেই সঞ্চয় আসত্তে এসে যাবে!

৫. লক্ষ্য বুঝে সঞ্চয় আমরা অনেকেই মাসে যা বেঁচে যায়, সেই টাকাটা একটাই অ্যাকাউন্টে জমিয়ে রাখি। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এমন হলে খরচের হিসেব গুলিয়ে যায়। তাই যে খাতে নিয়মিত ভাবে খচ করতেই হয়, যেমন বিমার প্রিমিয়ামের খরচ বা কোনও ঋণশোধের খরচ, প্রত্যেকটার জন্য আলাদা অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারলে ভালো হয়। তাতে পুরো ব্যাপারটা আয়ত্তে থাকে!

৬. নিজেকে পুরস্কার দেওয়া খরচ কম করা মানে শখপূরণ বন্ধ করে দেওয়া নয়। তবে এটা একটু কৌশলের সঙ্গে করলে ভালো হয়। যেমন, কোনও ঋণশোধ হয়ে যাওয়ার পরে নিজের শখের একটা কিছু কেনা যায়। তাতে সঞ্চয়ে উৎসাহও বাড়ে!

Published by:Debalina Datta
First published: