• Home
  • »
  • News
  • »
  • business
  • »
  • সম্পত্তির মালিকানা থাকুক স্ত্রী'র হাতেও, কোন কোন দিক থেকে সুবিধা হবে জেনে নিন!

সম্পত্তির মালিকানা থাকুক স্ত্রী'র হাতেও, কোন কোন দিক থেকে সুবিধা হবে জেনে নিন!

এবং তা যে মিলে যায়, সেটা খনার বচনের জনপ্রিয়তাই প্রমাণ করে দেয়। খনা কে ছিলেন, সেই তথ্য-প্রমাণ লোপ পেয়েছে কালের গর্ভে। কিন্তু তাঁর হিসাব এবং সেই মতো শুভাশুভ ভবিষ্যদ্বাণী যে ব্যর্থ হওয়ার নয়, এই বচনগুলির টিঁকে থাকা সেটা প্রমাণ করে দেয়।

এবং তা যে মিলে যায়, সেটা খনার বচনের জনপ্রিয়তাই প্রমাণ করে দেয়। খনা কে ছিলেন, সেই তথ্য-প্রমাণ লোপ পেয়েছে কালের গর্ভে। কিন্তু তাঁর হিসাব এবং সেই মতো শুভাশুভ ভবিষ্যদ্বাণী যে ব্যর্থ হওয়ার নয়, এই বচনগুলির টিঁকে থাকা সেটা প্রমাণ করে দেয়।

ঝামেলা-ঝক্কি কমানোর পাশাপাশি বাড়ি কেনার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত একাধিক ফি-এর পরিমাণ কম করতে যৌথ মালিকানায় বাড়ি কেনার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Share this:

#কলকাতা: বাড়ি বা কোনও সম্পত্তি কেনা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। এটি একটি বড়সড় ইনভেস্টমেন্টও বটে। এ ক্ষেত্রে পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা, বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ-সহ একটা মোটা টাকার বিষয় জড়িয়ে রয়েছে। রয়েছে একাধিক আনুষঙ্গিক বিষয়। তাই ঝামেলা-ঝক্কি কমানোর পাশাপাশি বাড়ি কেনার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত একাধিক ফি-এর পরিমাণ কম করতে যৌথ মালিকানায় বাড়ি কেনার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের কথায়, আপনার পাশাপাশি বাড়ির মালিকানার অর্ধেক থাকুক স্ত্রী'র হাতেও। এর পিছনে অবশ্য যথেষ্ট কারণ রয়েছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক।

সম্পত্তি কেনার সময়ে স্ত্রীকে সহ-মালিকানা দেওয়ার একাধিক সুবিধা রয়েছে। প্রথমটি হল, এর জেরে লোন করার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়। তা ছাড়া একজনের মালিকানায় পুরো প্রক্রিয়াকরণ এমনকী, উত্তরাধিকার সূত্রের দলিল সংক্রান্ত নানা কাজ করতে অনেকটা সময় লেগে যায়। কিন্তু সেই জায়গায় যৌথ মালিকানায় সম্পত্তি কিনলে এই প্রক্রিয়াকরণে তুলনামূলক কম সময় লাগে। ঝক্কিও কম পোহাতে হয়। একার মালিকানায় সম্পত্তি কিনলে রেজিস্ট্রেশন ফি-ও বেশি পড়তে পারে।

আপনার সম্পত্তির প্রথম মালিক হিসেবে স্ত্রীর নাম থাকলে, রয়েছে নানা সুবিধা। এ ক্ষেত্রে স্ট্যাম্প ডিউটি ফি দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পাওয়া যাবে। মাথায় রাখতে হবে, কোনও সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে স্ট্যাম্প ডিউটির কিন্তু হেরফের রয়েছে। এ ক্ষেত্রে পুরুষ-মালিকদের আলাদা পরিমাণ স্ট্যাম্প দিতে হয় আর মহিলাদের আলাদা। এক কথায় বলতে গেলে বেশি পরিমাণ স্ট্যাম্প ডিউটি দেন পুরুষরা ও তুলনামূলক কম স্ট্যাম্প ডিউটি দেন মহিলা মালিকরা। দেশের একাধিক রাজ্যেই এই একই ছবি দেখা যায়। উদাহরণ হিসেবে, যদি রাজধানী শহর দিল্লিতে একটি বাড়ি কিনতে হয়, তা হলে একজন মহিলাকে মাত্র ৪ শতাংশের স্ট্যাম্প ডিউটি দিতে হয়। কিন্তু একই জায়গায় একজন পুরুষ মালিকের স্ট্যাম্প ডিউটির পরিমাণ ৬ শতাংশ। কিন্তু যদি কোনও পুরুষ ও মহিলা একসঙ্গে কোনও সম্পত্তি কেনেন, তা হলে তাঁদের মাত্র ৫ শতাংশ স্ট্যাম্প ডিউটি ফি দিতে হয়। একই ভাবে, হরিয়ানায় শহর ও গ্রামাঞ্চলে একজন পুরুষের স্ট্যাম্প ডিউটি যথাক্রমে ৮ শতাংশ এবং ৬ শতাংশ। অন্য দিকে, শহরাঞ্চলে একজন মহিলা বিক্রেতার স্ট্যাম্প ডিউটি হল ৬ শতাংশ আর গ্রামাঞ্চলে স্ট্যাম্প ডিউটির পরিমাণ ৪ শতাংশ।

এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি সুবিধা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সহ-আবেদনকারী হিসেবে একজন মহিলা থাকলে, একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বিশেষ ছাড়ে সুদের হার পাওয়া যাবে। হোম লোনের রি-পেমেন্টের জন্য প্রায় ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স বেনিফিট পেতে পারেন দুই মালিক। যৌথ মালিকানাধীন এই সম্পত্তি থেকে অর্জিত ভাড়ার পরিমাণ দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এর জেরে আয়করের পরিমাণও কমে যায়।

বলা বাহুল্য, পরে স্ত্রীর মৃত্যু হলে, যিনি বেঁচে থাকবেন সেই মালিকের নামে মিউটেশন করা যাবে। এতে মিউটেশন চার্জও বেঁচে যাবে।

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: