• Home
  • »
  • News
  • »
  • business
  • »
  • ভারতে কারখানা বন্ধ করতে চলেছে এই বিশ্বখ্যাত বাইক সংস্থা!‌ ইতিহাস হচ্ছে এক অধ্যায়

ভারতে কারখানা বন্ধ করতে চলেছে এই বিশ্বখ্যাত বাইক সংস্থা!‌ ইতিহাস হচ্ছে এক অধ্যায়

তবে বাইকপ্রেমীরা বলছেন, এ যেন এক ইতিহাসের সমাপ্তি।

তবে বাইকপ্রেমীরা বলছেন, এ যেন এক ইতিহাসের সমাপ্তি।

তবে বাইকপ্রেমীরা বলছেন, এ যেন এক ইতিহাসের সমাপ্তি।

  • Share this:

    অনেকের অনেক রকম স্বপ্ন থাকে। তেমনই কেউ কেউ হন বাইক প্রেমী। তাঁদের স্বপ্নের গাড়ির তালিকায় থাকে বেশ কয়েকটি সংস্থার বাইক। তার মধ্যে একটি হল হার্লে ডেভিডসন। এই গাড়ির রাজকীয় চলন, হাবভাবে অনেকেই প্রেমে পড়ে যান। আর যাঁরা বাইক প্রিয়, তাঁরা ভাবেন, একদিন না একদিন এই দামি গাড়িটি তাঁদের হস্তগত হবে। আর সেদিনই হবে স্বপ্নপূরণ। কিন্তু সেই হার্লে ডেভিডসন সংস্থা, যারা পৃথিবীর ইতিহাসে দু’‌চাকার গাড়ির এক বিপ্লব এনেছিল, চলে যাচ্ছে ভারত ছেড়ে। রেখে যাচ্ছে এক ইতিহাস। ভারতের কারখানা তারা বন্ধ করে দিতে চলেছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।

    কেন এমন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে সংস্থা? মনে করা হচ্ছে, ব্যবসায় মন্দা অন্যতম কারণ। সাম্প্রতিক কালে নাকি এই মোটর বাইকের বিক্রি অত্যধিক কমে গিয়েছে। আর সেই কারণেই আপাতত কারখানা বন্ধ করছে সংস্থা। তবে শোনা যাচ্ছে, হিরো মোটোরের সঙ্গে একসঙ্গে এ দেশে বাইক বিক্রি চালিয়ে যেতে পারে সংস্থা। অর্থাৎ বাজারে বাইক পাওয়া গেলেও কারখানা আর এদেশে যে থাকছে না সেটি নিশ্চিত। প্রায় বছর ১২ আগে দেশে কারখানা তৈরি করে হার্লে ডেভিডসন। তারপরেই তৈরি হয় হরিয়ানায় এর কারখানা। কিন্তু সেদিন আর নেই। বিক্রি তলানিতে। সেই কারণেই কারখানা গুটিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থা। তবে ভারতের বাজারে বাণিজ্য চালাতে বেশ কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে কথা চালাচ্ছে সংস্থা। যদি কথা পাকা হয়, তাহলে হয়তো অন্য কোনও সংস্থার মাধ্যমে এ দেশে ব্যবসা করতে পারে সংস্থা। ভারত থেকে সরে গেলেও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিজেদের আরও বিস্তারের পথেই সংস্থা হাঁটছে। শোনা যাচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে আরও ৫০টি জায়গায় 'চাকা'-র দাগ ফেলতে চলেছে হার্লে ডেভিডসন। আমেরিকা, ইউরোপ, ও এশিয়ার ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় ব্যবসা খুলে বসতে চলেছে এই বাইক নির্মাণকারী সংস্থা।

    তবে বাইকপ্রেমীরা বলছেন, এ যেন এক ইতিহাসের সমাপ্তি। কারণ, এই বাইক নির্মাণকারী সংস্থা বাইকপ্রেমীদের কাছে এক স্বপ্নের ফেরিওয়ালার মতো। বাইকের মাধ্যমে এক মেজাজ তৈরি করা এই সংস্থার কাজ ছিল। দামেও চড়া ছিল এই বাইক। যদি রয়্যাল এনফিল্ডের এক আভিজাত্য থাকে, তাহলে তার থেকেও কয়েক কাঠি উপরে থাকবে হার্লে ডেভিডসন। আর আজ তারাই চলে যাচ্ছে দেশ ছেড়ে। হতে পারে, বাণিজ্যে ক্ষতি ছিলই, এই অতিমারি হয়ত সেটা অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে। সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত দেশ ছাড়ছে সংস্থা।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: