Ration Card বানানোর সময় অবশ্যই খেয়াল রাখুন এই বিষয়গুলি, না হলে পড়তে হবে সমস্যায়

আপনার আর্থিক অবস্থার উপর নির্ভর করবে আপনার রেশন কার্ড ৷

আপনার আর্থিক অবস্থার উপর নির্ভর করবে আপনার রেশন কার্ড ৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: রেশন কার্ড বানানোর সময় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখা অত্যন্ত জরুরি ৷ অনেক সময় দেখা গিয়েছে, পুরো বিষয়ে না জেনে অনেকেই ফর্ম ফিলআপ করে দেন ৷ এর জেরে পরে আবেদন বাতিল হয়ে যায় ৷ তাই কয়েকটি বিষয়টি মাথায় রাখলে এই সমস্যায় পড়তে হবে না ৷

    সবচেয়ে প্রথমে আপনাকে দেখতে হবে, যে রেশন কার্ড বানাচ্ছেন সেটি কোন ক্যাটাগরির ৷ আপনাকে সঠিক ডকুমেন্ট দিতে হবে ৷ আপনার এবং পরিবারের সমস্ত সদস্যের সঠিক বয়স দিতে হবে ৷ আপনার আর্থিক অবস্থার উপর নির্ভর করবে আপনার রেশন কার্ড ৷

    ১. দেখে নিন কত টাকা চার্জ লাগবে-

    রেশন কার্ড তৈরি করা রাজ্য সরকারের দায়িত্ব ৷ দেশে বর্তমানে ৪ ধরনের রেশন কার্ড হয় ৷ বেশ কিছু রাজ্য সরকার তাদের নিজের রাজ্যে আলাদা করে রেশন কার্ড তৈরি করছে ৷ তাই আবেদন করার সময় ফর্মটি আগে ভালো করে খতিয়ে দেখে নিন ৷ সঠিক ক্যাটাগরির ফর্ম জমা দিতে হবে ৷ কিছু রাজ্যে বিনামূল্যে রেশন কার্ড তৈরি হয় ৷ আবার কিছু রাজ্যে এর জন্য ৫ থেকে ৪০ টাকা চার্জ নেওয়া হয় ৷

    ২. ৪ ধরনের রেশন কার্ড -

    বিভিন্ন ধরনের রেশন কার্ড হয় ৷ আপনার আর্থিক অবস্থার উপর নির্ভর করে BPL, APL, AAY, AY কার্ড তৈরি করা হয় ৷

    ৩. আবেদনের জন্য লাগবে এই ডকুমেন্টগুলি-

    রেশন কার্ড বানানোর জন্য আইডি প্রুফ হিসেবে আধার কার্ড, ভোটার আইডি, পাসপোর্ট, সরকারের তরফে জারি করা আইডি কার্ড, হেলথ কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স জমা দেওয়া যেতে পারে ৷ এছাড়া প্যান কার্ড, পাসপোর্ট সাইজ ফটো, আইটি ফাইল লাগবে ৷ পাশাপাশি ঠিকানার প্রমান পত্র হিসেবে বিদ্যুতের বিল, গ্যাস কানেকশন, টেলিফোন বিল, ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বা পাসবুক, রেন্টার এগ্রিমেন্ট দিতে হবে ৷

    ৪. রেশন কার্ডের মাধ্যমে সাবসিডিতে পেয়ে যাবেন রেশন

    রেশন কার্ড অত্যন্ত জরুরি একটি সরকারি ডকুমেন্ট ৷ সরকারি যোজনা বা অন্যান্য কাজের জন্য রেশন কার্ডকে পরিচয় পত্র হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে ৷

    Published by:Dolon Chattopadhyay
    First published: