বাজেট ২০২১: উন্নত পরিষেবা দিতে ও ক্ষতির পরিমাণ কমাতে, বৈদ্যুতিন খাতে ৩ লক্ষ কোটি বরাদ্দের সম্ভাবনা!

পাওয়ার সাপ্লাই চেইনে সব চেয়ে খারাপ অবস্থা খুচরো ব্যবসায়ীদের। তাদের সাহায্য করার চেষ্টা করবে এই নতুন ব্যবস্থা।

পাওয়ার সাপ্লাই চেইনে সব চেয়ে খারাপ অবস্থা খুচরো ব্যবসায়ীদের। তাদের সাহায্য করার চেষ্টা করবে এই নতুন ব্যবস্থা।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি:  আঞ্চলিক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বণ্টনের দিকটি পুনরুজ্জীবিত করতে, খুচরো ব্যবসায় সাহায্য করতে ও ধুঁকতে থাকা এই ক্ষেত্রটিকে চাঙ্গা করতে, সরকার এই খাতে ৩ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করার পরিকল্পনা করেছে।

জানা যাচ্ছে, এই বিষয়ে আগামী ১ তারিখ বাজেট পেশের দিনই কোনও ঘোষণা হতে পারে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) এই সংক্রান্ত ঘোষণা বাজেট পেশের সময়ে করতে পারেন। কিন্তু এটি কার্যকর হতে পারে ১ এপ্রিল থেকে। তবে, এই নিয়ে সরকারের তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া বা ঘোষণা করা হয়নি।

জানা যাচ্ছে, এই নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করছে সরকার। সম্প্রতি কয়েকটি বৈঠকে এই ক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ কমাতে এমন করা যেতে পারে বলে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ মন্ত্রক।

নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সরকার বিদ্যুৎ বিভাগটিকে সাজিয়ে তুলতে চাইছে। যাতে মানুষের কাছে সঠিক পরিষেবা পৌঁছায়, যন্ত্রপাতি, বিশেষ করে জেনারেটরের মান উন্নত হয় ও এই বিভাগটি দেখে যাতে বৈদেশিক বিনিয়োগকারীরা আকর্ষিত হয়, সেই লক্ষ্যে পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ৩ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের পিছনে লক্ষ্য থাকতে পারে, পরিকাঠামোর উন্নয়ন, নতুন প্রযুক্তি বিনিয়োগ ও এর মাধ্যমে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কমানো। এর জন্য কেন্দ্রের তরফে রাজ্যের কাছেও একটি লক্ষ্যমাত্রা দিয়ে দেওয়া হতে পারে।

এই নতুন পরিকল্পনার মধ্যে আরও বেশ কয়েকটি বিষয় আছে। যেমন- কৃষকদের জন্য ও গৃহস্থের ব্যবহারের জন্য পাওয়াল ফিডার গ্রিড আলাদা করে দেওয়া। প্রি-পেইড স্মার্ট মিটার ইনস্টল, ওভারহেড তারে বিশেষ তার ব্যবহার করা যাতে দুর্ঘটনা কমে, চুরি কমে ইত্যাদি পদক্ষেপও করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

পাওয়ার সাপ্লাই চেইনে সব চেয়ে খারাপ অবস্থা খুচরো ব্যবসায়ীদের। তাদের সাহায্য করার চেষ্টা করবে এই নতুন ব্যবস্থা। চুরি আটকাবে ও সময় মতো বিল দেওয়ার দিকে মানুষকে এগিয়ে দেবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর থেকে যে ক্ষতি হচ্ছি সরকারের ঘরে, সেটা আটকানো অনেকাংশে সক্ষম হবে। খারাপ পরিষেবা বন্ধ হবে এবং বার বার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পরিমাণও কমবে।

এই ধরনের একটি পরিকল্পনা ২০১৫ সালেও করা হয়েছিল। মনে করা হচ্ছে, এটি তারই উন্নত পর্যায়। যা এবার সফল করার চেষ্টা করা হবে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: