DICGC Act: ব্যাঙ্ক দেউলিয়া হলেও কি আপনার টাকা সুরক্ষিত? নতুন আইনের ভাবনা সরকারের

এবার কি তা হলে সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকা আরও সুরক্ষিত হবে?

এবার কি তা হলে সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকা আরও সুরক্ষিত হবে?

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি:

    ব্যাঙ্ক ডুবে গেল। আর সেই ব্যাঙ্কেই আপনি হয়তো কয়েক লাখ টাকা জমা রেখেছিলেন! এমন পরিস্থিতিতে রাতের ঘুম উড়ে যাওয়ার কথা। আর ভারতে তো ব্যাঙ্কের দেউলিয়া হওয়ার ঘটনা আগেও ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মাথায় বাজ পড়ে। তবে এবার সেই চিন্তা থেকে কিছুটা মুক্তি বলা যেতে পারে। পাঞ্জাব ও মহারাষ্ট্র কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েছে কেন্দ্র। আর তাই এবার DICGC Act-এ সংশোধনের কথা ভাবতে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সংসদের বাদল অধিবেশনের সময় এই ব্যাপারে প্রস্তাব পেশ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। আইনে সংশোধন হলে সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকা আরও সুরক্ষিত হতে পারে।

    পাঞ্জাব ও মহারাষ্ট্র কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের পর ইয়েস ব্যাঙ্ক ও লক্ষ্মীবিলাস ব্যাঙ্কের উপরও প্রতিবন্ধকতা জারির ঘটনা ঘটেছিল। যার জেরে এই ব্যাঙ্কগুলির পুনর্গঠন করতে হয়। যে কোনও ব্যাঙ্কে গ্রাহকদের জন্য ডিপোজিট ইনসিওরেন্স স্কিল থাকে। আর বহুদিন ধরেই সেই বিমার টাকা বাড়ানোর দাবি উঠছে। যাতে ব্যাঙ্ক দেউলিয়া হলে বা অন্য কোনও সমস্যার জেরে ব্যাঙ্ক বন্ধ হলে গ্রাহকরা তাঁদের জমা টাকা ফেরত পান! পাঞ্জাব ও মহারাষ্ট্র কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ঘটনার পর সরকার বিমার টাকা প্রায় পাঁচগুণ বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা করে দিয়েছিল। অর্থাত্, গ্রাহকরা ব্যাঙ্ক দেউলিয়া হলেও কম করে পাঁচ লাখ টাকা হাতে পাবেন।

    গত কয়েক বছরে দেশের একাধিক ব্যাঙ্ক বন্ধ হয়েছে। কয়েক কোটি মানুষ জমা টাকা হাতে পাবেন কি না তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ব্যাঙ্ক বন্ধের পিছনে গ্রাহকের কোনও ভূমিকা নেই। তা হলে গ্রাহকরা জমা টাকা কেন হাতে পাবেন না! এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বারবার। আর তাই এবার নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে সরকার। ব্য়াঙ্ক ডিফল্ট হলে অবশ্য গ্রাহকদের জমানো কিছু টাকা সুরক্ষিত থাকে। সেই টাকা গ্রাহকরা পেয়ে যান। ডিপোজিট ইনসিওরেন্স-এরর জন্যই সেই টাকা হাতে পান গ্রাহকরা। এখন যে কোনও ব্যাঙ্ক বন্ধ হলে গ্রাহকরা পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জমানো অর্থ ফেরত পাবেন। তবে এবার সেই ইনসিওরেন্স-এর অর্থের পরিমাণ বাড়ে কি না সেটাই দেখার।

    Published by:Suman Majumder
    First published: